২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জন করতে হবে।
সবার অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না বলে টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
অংশীদারিত্ব হলো কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমে যার যা দায়িত্ব ও কর্তব্য তা পালন করা। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। কাউকে বাদ দিয়ে বা পিছিয়ে রেখে অন্যরা এগিয়ে গেলে সেই উন্নয়ন জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে টেকসই হবে না। এজন্য টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
জাউদ্দীপকের সাদিকুর রহমানের কাজের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জিত হচ্ছে।
বিশ্বের সার্বিক ও সর্বজনীন উন্নয়নের উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' ঘোষণা করেছে। এর লক্ষ্যমাত্রা হলো ১৭টি, যার মধ্যে অন্যতম হলো দারিদ্র্য বিলোপ করা, ক্ষুধামুক্তি, নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা, শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা প্রভৃতি। উদ্দীপকের সাদিকুর রহমান কাজের মাধ্যমে এ লক্ষ্যগুলোই অর্জিত হচ্ছে।
উদ্দীপকের সাদিকুর রহমান একটি এনজিও-এর অধীনে একটি প্রত্যন্ত এলাকায় কিছু উন্নয়নমূলক কাজ করছেন। এর ফলে সেই এলাকার দরিদ্রদের আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় দারিদ্র্য ও ক্ষুধা দূর হচ্ছে। তিনি ঐ এলাকায় নলকূপ স্থাপন করায় নিরাপদ পানির ব্যবস্থা হয়েছে। এর পাশাপাশি তিনি সেখানে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন। উদ্দীপকে অর্জিত হওয়া এই বিষয়গুলো জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট এর অন্যতম লক্ষ্য। তাই বলা যায়, সাদিকুর রহমানের কাজের মাধ্যমে W টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জিত হচ্ছে
উদ্দীপকে উল্লিখিত এলাকার উন্নয়নে সাদিকুর রহমান উক্ত বিষয়ের অর্থাৎ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট এর সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ, গুণগত শিক্ষা, জেন্ডার সমতা, অসমতা হ্রাস, অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব প্রভৃতি লক্ষ্যের প্রয়োগ ঘটাতে পারেন।
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট হলো বিশ্বের সার্বিক উন্নয়নে জাতিসংঘ ঘোষিত একগুচ্ছ লক্ষ্যমাত্রা। এতে ১৭টি লক্ষ্য রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে উদ্দীপকের সাদিকুর রহমানের কাজের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিলোপ, ক্ষুধা মুক্তি, নিরাপদ পানির ব্যবস্থা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা প্রভৃতি লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। এগুলো ছাড়াও ঐ এলাকার উন্নয়নে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট এর আরও কিছু লক্ষ্য পূরণে তিনি কাজ করতে পারেন।
তিনি ঐ এলাকায় মানুষের জন্য গুণগত শিক্ষার ব্যবস্থা করতে পারেন। ঐ এলাকার নারী-পুরুষের বৈষম্য দূর করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন। এলাকার মানুষের মাঝে বিদ্যমান অসমতা দূরীকরণে ভূমিকা রাখতে পারেন। তাদের দূষণমুক্ত ও সাশ্রয়ী জ্বালানি ব্যবহার, পরিমিত ভোগ ও বিভিন্ন উৎপাদন কাজে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন। এলাকার মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিভিন্ন সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন। পাশাপাশি তিনি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে সবার অংশীদারিত্ব নিশ্চিতকরণে কাজ করতে পারেন।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়গুলো ছাড়াও সাদিকুর রহমান এসডিজি-এর অন্যান্য লক্ষ্যগুলো অর্জনে কাজ করতে পারেন।
Related Question
View Allজলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাই হলো জলবায়ু কার্যক্রম।
জলবায়ু কার্যক্রম হলো 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' এর ১৩তম লক্ষ্যমাত্রা।
সবার অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না বলে টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
অংশীদারিত্ব হলো কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমে যার যা দায়িত্ব ও কর্তব্য তা পালন করা। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। কাউকে বাদ দিয়ে বা পিছিয়ে রেখে অন্যরা এগিয়ে গেলে সেই উন্নয়ন জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে টেকসই হবে না।
এজন্য টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!