অপরার্থে আত্মনিবেদন করার দিকটি উঠে আসায় উদ্দীপকের সাধুজন 'প্রতিদান' কবিতার কবির কাঙ্ক্ষিত মানুষ হয়ে উঠেছেন।
'প্রতিদান' কবিতায়, ক্ষমাশীলতা, উদারতা ও সহনশীলতার দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে। কবি সমাজে বিদ্যমান হানাহানি-হিংসা-বিদ্বেষের বিপরীতে প্রীতিময় পরিবেশের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। কবি মনে করেন, পরার্থপরতার মধ্য দিয়ে মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করলেই তাঁর প্রত্যাশা পূরণ হবে। তাঁর কাছে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্কই পরম সত্য।
উদ্দীপকের কবিতাংশের কবি নানা উদাহরণের মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন, এমন সাধুর ঐশ্বর্য নির্ভর করে তার পরার্থপরতায়। নদী, তরু, গাড়ি, কাঠ, বংশী, শস্য প্রভৃতি প্রাকৃতিক অনুষঙ্গ নানাভাবে অন্যের উপকার করে চলে। এর বিপরীতে তাদের কোনো চাওয়া-পাওয়া থাকে না। কবি কমনে করেন, এদের আদর্শ অনুসরণ করতে পারলেই মানবজীবন সার্থক ও সফল হবে। আলোচ্য কবিতার কবিও এমন চেতনাই ধারণ করেন।
'প্রতিদান' কবিতায় কবি যেমন অপরের কল্যাণের কথা বলেছেন, তেমনি উদ্দীপকের কাবিতাংশেও সাধুর মতো অপরের কল্যাণ করার কথা বলা হয়েছে। পরার্থে আত্মনিবেদনের মধ্যেই যে মানবজীবনের সার্থকতা তিনি সাধুর মাধ্যমে দেখাতে চেয়েছেন। আর এই বিষয়টিই আলোস কবিতার প্রধান বিষয়। উদ্দীপকের সাধুর আদর্শ ধারণ করার মধ্য দিয়ে 'প্রতিদান' কবিতার কবির প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে। এই বিবেচনায় উদ্দীপকের সাধুজন আলোচ্য কবিতার কবির কাঙ্ক্ষিত মানুষ হয়ে উঠেছেন।
Related Question
View Allকি
অবিরাম,অনবরত। ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!