উদ্দীপকের সোহরাবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উল্লিখিত তারুণ্যের ইতিবাচক দিকগুলোর তুলনা করা যায়।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি বয়ঃসন্ধিকালের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। তিনি লক্ষ করেছেন, কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের এ বয়সটি প্রচন্ড সাহসে ঝুঁকি নেওয়ার উপযোগী। আঠারো বছর বয়সের তরুণেরা অসাধ্য সাধন করার জন্য দুর্বার গতিতে এগিয়ে যায়।
উদ্দীপকে সোহরাব একজন সাহসী তরুণ। সে জসিম মাস্টারকে আক্রমণ করা সন্ত্রাসীদের একজনকে ধরে চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দেয়। ফিরে এসে দেখে মাস্টার মশায় তখনও মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছেন। কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসছে না পুলিশি ঝামেলার ভয়ে। সোহরাব কোনো কিছু না ভেবেই মাস্টার মশায়কে নিয়ে হাসপাতালে যায়। আলোচ্য কবিতায় তারুণ্যের এ বৈশিষ্ট্যগুলোর কথাই বলা হয়েছে। দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য এ বয়সের তরুণেরাই এগিয়ে যায় সবার আগে। কবি মনে করেন, এ বয়সটি প্রবল উচ্ছ্বাসে ঝুঁকি নেওয়ার উপযোগী। সোহরাবের মাঝেও এই ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা লক্ষণীয়। সর্বোপরি, 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত তরুণ প্রাণের ইতিবাচক সব বৈশিষ্ট্যই সোহরাবের মাঝে বিদ্যমান।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!