উদ্দীপকের 'স্মৃতিসৌধ' ও 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাস উভয়ই মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণ্য দলিল"- মন্তব্যটি যথার্থ।
১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালিদের ওপর নির্মম নির্যাতন শুরু করে। তাদের সেই নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞের ভয়ে বাঙালি পিছপা না হয়ে যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে তাদের মোকাবিলা করে। অবশেষে তাদের পরাজিত করে অনেক রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করে।
উদ্দীপকের সুমন মায়ের সঙ্গে সাভারে গিয়ে স্মৃতিসৌধ দেখে অবাক হয়। স্মৃতিসৌধ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তার মা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের স্মরণে এই স্মৃতিসৌধটি নির্মিত হয়েছে। স্মৃতিসৌধ তরুণ প্রজন্মের কাছে প্রামাণ্য দলিল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। অন্যদিকে 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের প্রেক্ষাপট ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। এক সাহসী কিশোর বুধা। গ্রামে মিলিটারি আসার পর থেকে তার ও মুক্তিযোদ্ধা শাহাবুদ্দিন, আলি ও মিঠুর কর্মকান্ড, আহাদ মুন্সি ও রাজাকারদের তৎপরতা, গ্রামবাসীর মৃত্যু, ধ্বংসলীলা, গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে মানুষের আত্মরক্ষার চেষ্টা, মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা আক্রমণ, বুধাদের প্রতিশোধ গ্রহণ সবই মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকে ধারণ করে।
'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন প্রেক্ষাপট বর্ণিত হয়েছে। আর সাভারের স্মৃতিসৌধ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকে স্মরণ এবং এর ইতিহাস বহন করেছে। উভয় জায়গায় মুক্তিযুদ্ধ ও 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাস উভয়ই মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণ্য দলিল। মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। এসব দিক বিচারে উদ্দীপকের স্মৃতিসৌধ ও
সারকথা: উদ্দীপকের স্মৃতিসৌধ এবং 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাস উভয়ই মুক্তিযুদ্ধে এদেশের মানুষের সাহস, বীরত্ব ও আত্মদানের দিক নির্দেশ করে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!