উদ্দীপকের স্মৃতিসৌধ 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের মুক্তিযুদ্ধ ও শহিদদের স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দেয়।
মুক্তিযুদ্ধ বাঙালির অহংকার, বাংলার ইতিহাসের এক গৌরবমন্ডিত অধ্যায়। ১৯৭১ সালে বাংলার মুক্তিপাগল জনতা শত্রুধ্বংসের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। এদেশের সাহসী সন্তানরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে স্বদেশকে শত্রুমুক্ত করেছে।
উদ্দীপকের 'স্মৃতিসৌধ' বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের প্রতীক। এটি বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের সুদীর্ঘ ইতিহাসের স্মারক। এর মধ্য দিয়ে বাংলার মানুষের দেশপ্রেমও প্রতিফলিত হয়। এই স্মৃতিসৌধ 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের মুক্তিযুদ্ধ ও শহিদদের স্মৃতিকে মনে করিয়ে দেয়। 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধের বর্ণনা পাওয়া যায়। রাজাকার-শান্তি কমিটির চেয়ারম্যানের ঘর পুড়িয়ে দেওয়া, মিলিটারি ক্যাম্পে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা ও ব্যাংকারে মাইন পুঁতে মিলিটারি ক্যাম্প উড়িয়ে দেওয়া মুক্তিযুদ্ধের অংশ। বুধা এসব কাজের কোনোটা করেছে নিজের বুদ্ধিতে আর কোনোটা করেছে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে। বুধার গ্রামের অনেকেই পাকিস্তানিদের গুলিতে শহিদ হয়েছেন। তাঁদের এসব স্মৃতিই বহন করে চলেছে উদ্দীপকের স্মৃতিসৗধ।
সারকথা: মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের স্মরণে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়েছে। এটি 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের স্বাধীনতা আন্দোলনের
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!