উদ্দীপকে উল্লিখিত 'S' অঞ্চলটি হচ্ছে বরিশাল এবং 'ঘ' হচ্ছে চট্টগ্রাম। উভয় অঞ্চলেরই ঢাকার সাথে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবহন ও যোগাযোগ সুবিধা বিদ্যমান।
বরিশাল অঞ্চলের সাথে ঢাকায় যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হচ্ছে নৌপথ। মেঘনা নদীর মাধ্যমে দুই অঞ্চলের মধ্যে পরিবহন ও যোগাযোগ সংযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নৌপথ সহজ, সুলভ এবং উত্তম মাধ্যম। চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাথে ঢাকার সংযোগ জল ও স্থল উভয় পথেই রয়েছে। জলপথে প্রথমে চট্টগ্রাম নদী বন্দরে যেতে হয়। এরপর সেখান থেকে ভোলা হয়ে মেঘনা নদীপথে ঢাকা পৌঁছাতে হয়। তাছাড়া অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের জন্য স্থলপথ হিসেবে রেলপথও এ অঞ্চলের উৎকৃষ্ট মাধ্যম।
'S' ও 'T' অঞ্চল দুটির মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ঢাকার সাথে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের জন্য বরিশাল ও চট্টগ্রাম উভয় অঞ্চলেরই পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সুবিধাজনক। তবে চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাথে ঢাকা অঞ্চলের অভ্যন্তরীন বাণিজ্যের জন্য জল ও স্থল উভয় পথই উত্তম।
সুতরাং বলা যায়, চট্টগ্রাম অঞ্চলেই ঢাকার সাথে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের জন্য তুলনামূলক প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!