উত্তরঃ

এক মিটার প্রস্থবিশিষ্ট রেলপথ হচ্ছে মিটারগেজ রেলপথ।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের বাণিজ্যিক নগর চট্টগ্রাম। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অধিকাংশই চট্টগ্রামের বন্দরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়।

শিল্পের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি নরপ্তানি বাণিজ্যের শতকরা ৯২ ভাগ এ বন্দরের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়। সরকার এ খাত থেকে বিপুল রাজস্ব আদায় করে থাকে। এ বন্দরের বিভিন্ন কাজে বহুলোক নিয়োজিত থেকে তাদের জীবিকা নির্বাহ করছে। তাই বন্দরটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'R' ও 'S' অঞ্চলদ্বয় যথাক্রমে মেঘনা তীরবর্তী বরিশাল এবং ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল। ঢাকা হতে বরিশালে পণ্য পরিবহনের জন্য নৌপথ অধিক সুবিধাজনক।

বরিশাল অঞ্চল মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত। মেঘনার সাথে ঢাকার শীতলক্ষ্যার মাধ্যমে সংযোগ রয়েছে। যার কারণে সহজেই ঢাকা হতে পণ্যদ্রব্য বরিশালে পরিবহনের জন্য নৌপথ ব্যবহার করা যায়।
জলপথে পণ্যদ্রব্য পরিবহনে খরচ কম হয়। তাছাড়া বেশি পণ্য পরিবহন করা যায়। এ পথে ঝুঁকিও কম থাকে। পক্ষান্তরে স্থলপথে পরিবহন খরচ বেশি। ঢাকা থেকে বরিশালের স্থলপথ অনুন্নত এবং ঝুঁকিপূর্ণ। এ কারণে ঢাকা হতে বরিশালের পণ্যদ্রব্য পরিবহনে নৌপথ ব্যবহার করা সবিধাজনক।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'S' অঞ্চলটি হচ্ছে বরিশাল এবং 'ঘ' হচ্ছে চট্টগ্রাম। উভয় অঞ্চলেরই ঢাকার সাথে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবহন ও যোগাযোগ সুবিধা বিদ্যমান।

বরিশাল অঞ্চলের সাথে ঢাকায় যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হচ্ছে নৌপথ। মেঘনা নদীর মাধ্যমে দুই অঞ্চলের মধ্যে পরিবহন ও যোগাযোগ সংযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নৌপথ সহজ, সুলভ এবং উত্তম মাধ্যম। চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাথে ঢাকার সংযোগ জল ও স্থল উভয় পথেই রয়েছে। জলপথে প্রথমে চট্টগ্রাম নদী বন্দরে যেতে হয়। এরপর সেখান থেকে ভোলা হয়ে মেঘনা নদীপথে ঢাকা পৌঁছাতে হয়। তাছাড়া অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের জন্য স্থলপথ হিসেবে রেলপথও এ অঞ্চলের উৎকৃষ্ট মাধ্যম।
'S' ও 'T' অঞ্চল দুটির মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ঢাকার সাথে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের জন্য বরিশাল ও চট্টগ্রাম উভয় অঞ্চলেরই পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সুবিধাজনক। তবে চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাথে ঢাকা অঞ্চলের অভ্যন্তরীন বাণিজ্যের জন্য জল ও স্থল উভয় পথই উত্তম।
সুতরাং বলা যায়, চট্টগ্রাম অঞ্চলেই ঢাকার সাথে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের জন্য তুলনামূলক প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান।

114

যোগাযোগ ব্যবস্থা যাত্রী- পণ্য পরিবহণ করে অভ্যন্ত্রীণ ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের মাধ্যমে অর্থনীতিতে কার্যকরী অবদান রাখে। দেশের একস্থান থেকে অন্যস্থানে কাঁচামাল ও লোকজনের নিয়মিত চলাচল, উৎপাদিত দ্রব্যের সুষ্ঠু বাজারজাতকরণ, উৎপাদনের উপকরণসমূহের গতিশীলতা বৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতা আনয়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রে যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ  ভূমিকা পালন করে থাকে। এই যোগ ব্যবস্থা প্রতাশিত করে বাণিজ্যকে। বাণিজ্য দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা কৃষি  শিল্প প্রভৃতির ভারসাম্য আনে ।

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews