'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি আঠারো বছর বয়সে তারুণ্যের সাহসী ও দুর্বার বৈশিষ্ট্যের দিকটি আলোকপাত করেছেন।
আঠারো বছর বয়সে একজন তরুণ কোনো কিছুকেই ভয় পায় না। সে তার পথের সমস্ত বাধা ভেঙে দিতে চায়। নিজের জীবনের দুর্যোগ, দেহ-মনের নিশ্চলতা ভেঙে তারা নতুন কিছু সৃষ্টি করতে চায়।
উদ্দীপকের চরণগুলোতে যৌবনের জয়গান গাওয়া হয়েছে। কৈশোর পার হয়ে আসে যৌবন, এই বয়সটি জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। দুরন্ত ছুটে চলা এই বয়সের সবচেয়ে বড়ো বৈশিষ্ট্য। এই বয়সেই হিমালয় জয় করা, সমুদ্রপাড়ি দেওয়া কিংবা মেরু অভিযানে জয়ের উল্লাসে ছুটে চলা যায়। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায়ও কবি দৃপ্তকণ্ঠে তারুণ্যের জয়গান গেয়েছেন। তরুণেরা এই বয়সে সব বাধা অতিক্রম করে ফেলে। তাই বলা যায় উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় তারুণ্যের বৈশিষ্ট্যের দিকটি ফুটে উঠেছে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!