উদ্দীপকে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার ঐতিহ্য চেতনার মাধ্যমে মানবমুক্তির আকাঙ্ক্ষার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় কবির পূর্বপুরুষদের হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে স্বীকার করে মানুষের সর্বাঙ্গীণ মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে তুলে ধরেছেন। কবি বলেছেন তাঁর পূর্বপুরুষের ইতিহাস মাটির কাছাকাছি মানুষের ইতিহাস; বাংলার অনার্য ক্রীতদাসের লড়াই করে টিকে থাকার হাতহাস। তাঁরা পতিত জমিতে আবাদ করতেন; করতলে ছিল পলিমাটির সৌরভ। তাঁদের উৎপাদিত প্রতিটি শস্যদানা ছিল একেকটি প্রাণবন্ত কবিতা। তাঁদের কণ্ঠে যে সত্য উচ্চারিত হতো তার প্রতিটি শব্দও ছিল কবিতা। এই 'কবিতা'ই কবির একান্ত প্রত্যাশিত মুক্তির প্রতীক হয়ে উপস্থাপিত হয়।
উদ্দীপকের গানটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা জোগাতে রচিত হয়। গানটিতে নানা অনুষঙ্গের মাধ্যমে বাঙালির মুক্তির আকাঙ্ক্ষা উচ্চারিত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধারা দেশ ও দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য অস্ত্র ধরে। তারা বাংলা ভাষায় কবিতা ও গান রচনার অধিকার পেতে যুদ্ধ করে, সুন্দর একটি বাংলাদেশ ও শান্তিপ্রিয় বিশ্ব উপহার দেওয়ার জন্য তারা প্রাণপণ লড়ে যায়। 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় কবির পূর্বপুরুষদের হাজার বছরের সংগ্রামের ইতিহাস যেমন বিভিন্ন ঐতিহ্যের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে তেমনি উদ্দীপকে বাঙালির মুক্তির আকাঙ্ক্ষা উচ্চারিত হয়েছে। তাই বলা যায়, 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার ঐতিহ্য চেতনার মাধ্যমে মানবমুক্তির আকাঙ্ক্ষার দিকটি উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!