উদ্দীপকে মাটি দূষণের কথা বলা হয়েছে। বিভিন্ন দূষিত উপাদানযুক্ত হয়ে যখন উর্বর মাটি তার স্বাভাবিক কার্যক্রম হারায়, তখন মাটি দূষণ সংঘটিত হয়। বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট কারণ এ দূষণের সাথে জড়িত। কতকগুলো পদক্ষেপ এ দূষণকে কমাতে পারে।
নিচে মাটি দূষণ প্রতিরোধের উপায় ব্যাখ্যা করা হলো-
পশুপাখির মলমূত্র যেখানে সেখানে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে গর্ত করে পুঁতে রাখতে হবে। কঠিন জ্বালানি ছাই যেখানে সেখানে না ফেলে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে জমা করে রাখলে মাটি দূষিত হতে পারে না। কৃষিক্ষেত্রে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক প্রয়োগের মাত্রা কমিয়ে জৈব সার ও জৈব-রাসায়নিক সার প্রয়োগের ব্যবস্থা করলে দূষণ কম হয়। মৃত জীবের ধ্বংসাবশেষ যেখানে সেখানে না ফেলে মাটিতে গভীর গর্ত করে পুঁতে ফেলতে হবে। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও পারমাণবিক কেন্দ্রের নির্গত ছাই, আবর্জনা ইত্যাদি যত্রতত্র না ফেলে যথাযথ শোধনের পর নির্দিষ্ট স্থানে নিক্ষেপ করা দরকার। এজন্য মানুষকে সচেতন করতে হবে। যেসব আবর্জনা ও বর্জ্য পদার্থ পুড়িয়ে ফেলা যায় সেগুলো পুড়িয়ে ফেললে ভূমি দূষণ প্রতিরোধ করা যায়। মাটিতে। ইট না পুড়িয়ে যান্ত্রিক উপায়ে কোনো মঞ্চের উপর পোড়ানোর ব্যবস্থা
করতে হবে। সেচের কাজে ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার না করে নদী-নালা, খাল-বিল ও পুকুরের পানি ব্যবহার করলে জমির লবণাক্ততা বৃদ্ধিজনিত সমস্যা বন্ধ করতে হবে। এ ছাড়া দালানকোঠার। ধ্বংসাবশেষ কোনো যন্ত্র দ্বারা ধ্বংস করতে হবে বা মাটির নিচে পুঁতে ফেলতে হবে।
সর্বোপরি মাটি দূষণ প্রতিরোধের সার্বিক সচেতনতা বৃদ্ধি আবশ্যক।
Related Question
View Allবায়ুদূষণের একটি অন্যতম উৎস হলো শিল্পকারখানার ধোঁয়া।
দরিদ্রতা অর্থনৈতিক দূষণের ফল।
অর্থনৈতিক দূষণের প্রত্যক্ষ ফল হলো দরিদ্রতা। যেকোনো দেশের সার্বিক উন্নয়নের চাবিকাঠি হলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। বিভিন্ন কারণে যখন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয় অর্থাৎ দূষণের সম্মুখীন হয় তখন উন্নয়ন থমকে দাঁড়ায় আর উন্নয়ন থমকে দাঁড়ালে একটি দেশে দরিদ্রতা নেমে আসে। কারণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের ফলে সামগ্রিক উন্নয়ন সাধিত হয় এবং দারিদ্র্যতা দূরীকরণ হয়। তাই বলা যায়, দরিদ্রতা অর্থনৈতিক দূষণের ফল।
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত খনিজটি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস যার ভৌগোলিক অবস্থান নিচে দেখানো হলো।
বাংলাদেশের আবিষ্কৃত প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রসমূহ দেশের উত্তর-পূর্বাংশ, পূর্ব বাংলা এবং দক্ষিণ-পূর্বাংশের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে অবস্থিত।
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রসমূহের মধ্যে সিলেট, ছাতক, রশিদপুর, তিতাস, কৈলাসটিলা, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ, সেমুতাং, বেগমগঞ্জ, কুতুবদিয়া, বিয়ানীবাজার, ফেনী, কামতা, ফেঞ্চুগঞ্জ, জালালাবাদ, বেলাবো, মেঘনা, শাহবাজপুর, সাঙ্গু, বিবিয়ানা, সুন্দলপুর, শ্রীকাইল ও বাঙ্গুরা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
এদের মধ্যে সিলেটের হরিপুর গ্যাসক্ষেত্রটি বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র, যা ১৯৫৫ সালে আবিষ্কৃত হয়।
উদ্দীপকের শেষ বাক্যটির সারমর্ম হলো প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের ফলে একদিকে যেমন বনজসম্পদ রক্ষা পায় অন্যদিকে তেমনি কালো ধোঁয়ার হাত থেকে বায়ুদূষণ রোধ হয়।বাংলাদেশে ব্যাপক হারে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। শিল্প ক্ষেত্রে এবং জ্বালানি ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার লক্ষ করা যায়। ফলে জ্বালানির কাজে ব্যবহৃত কাঠের বিকল্প হিসেবে গ্যাস অধিক গ্রহণযোগ্য। এর ফলে কাঠের ব্যবহার হ্রাস পায় যার ফলে বনজসম্পদ রক্ষা পায়। জ্বালানি হিসেবে কাঠ, কয়লার ব্যবহার অধিক হারে বায়ুদূষণ করে। কিন্তু প্রাকৃতিক গ্যাসের কোনো কালো ধোঁয়া নেই। ফলে প্রাকৃতিক গ্যাসের অধিক ব্যবহারের ফলে যেহেতু কাঠের ব্যবহার কম হয় তাই একদিকে যেমন বনজসম্পদ রক্ষা পায় অন্যদিকে কালো ধোঁয়া না থাকায় বায়ুদূষণ রোধ হয়।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি সঠিক।
দুর্যোগ হলো এখন কোনো ঘটনা বা অবস্থা যা মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করে এবং জানমালের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।
পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে।
যেকোনো ধরনের পরিকল্পনা যদি পরিবেশ দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়ায় তবে তা বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। কারণ পৃথিবীর সবকিছুই পরিবেশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। পরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলে দিতে পারে এমন পরিকল্পনা টিকে থাকে না। তাই উন্নয়নকে চিরস্থায়ী করতে অর্থাৎ টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!