উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রযুক্তি হচ্ছে জিআইএস (GIS)।
জিআইএস প্রযুক্তির প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- হার্ডওয়্যার, সফট্ওয়্যার, উপাত্ত ও বিশ্লেষক।
নিচে এগুলোর ব্যাখ্যা দেওয়া হলো-
হার্ডওয়্যার: জিআইএস হার্ডওয়্যারের মধ্যে রয়েছে-
জিআইএস এ উচ্চমানের বিপুল পরিমাণ তথ্য নিয়ে কাজ করতে হয়। সেজন্য অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন প্রসেসর ও অধিক তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়। মেইনফ্রেম, মিনি, ক্লায়েন্ট সার্ভার, ওয়ার্ক স্টেশন এবং স্ট্যান্ড এলেস পিসিতেও জিআইএস ব্যবহৃত হতে পারে। এর মাধ্যমে ভৌগোলিক তথ্য সংগ্রহ, বাছাই ও এডিটিং করে জিআইএস এ ইনপুট করা হয়। জিআইএস-এর ম্যাপ ও গ্রাফ আউটপুটের জন্য প্লটার ব্যবহৃত হয়।
সফট্ওয়্যার: জিআইএস সফট্ওয়্যারের মধ্যে রয়েছে-
ডস, উইন্ডোজ, উইনিক্স প্রভৃতি অপারেটিং সিস্টেম জিআইএস-এ ব্যবহৃত হয়। পৃথিবীতে জিআইএস সফট্ওয়্যারের সংখ্যা ৩৫০-এরও অধিক। এর মধ্যে বেশকিছু সফট্ওয়্যার জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এগুলোর মধ্যে ARC INFO, IDRISI, ERDAS, MAP INFO, ARCVIEW উল্লেখযোগ্য।
উপাত্ত : জিআইএস-এর তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে ভৌগোলিক উপাত্ত। এ ভৌগোলিক উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল এজন্য ভৌগোলিক উপাত্ত ও তথ্যের সরবরাহ ও বিতরণ সহজীকরণের লক্ষ্যে পৃথিবীব্যাপী অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে উপাত্ত সংরক্ষণ করা হয়।
বিশ্লেষক: জিআইএস-এর সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে বিশ্লেষক। অর্থাৎ বিশেষজ্ঞ বা' দক্ষ জনশক্তি যার মাধ্যমে হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার এবং উপাত্তের সমন্বয়ের মাধ্যমে উন্নত পরিকল্পনা গ্রহণ করা সম্ভব।
Related Question
View Allভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস বলা হয়।
মানচিত্র অভিক্ষেপ বলতে কোনো সমতলের ওপর সৃষ্ট গ্রাটিকুলকে বোঝায়।
কোনো সমতল কাগজের উপর সমগ্র পৃথিবী বা এর কোনো অংশের মানচিত্র অঙ্কন করার জন্য নির্দিষ্ট স্কেলে অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখাগুলো জালের ন্যায় ছকে প্রকাশ করা হয়। একে অভিক্ষেপ বলে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত অভিক্ষেপটি হচ্ছে সরল শাঙ্কব অভিক্ষেপ।
উক্ত অভিক্ষেপের ক্ষেত্রে ব্যবধানে ১: ১,৪৭,০০,০০০ স্কেলে এবং পরিমিত অক্ষরেখা (এক পরিমিত) নিয়ে অভিক্ষেপটির গাণিতিক হিসাব নিচে নির্ণয় করা হলো-
হিসাব নিরূপণ :
পৃথিবীর ব্যাসার্ধ, r = পৃথিবীর প্রকৃত ব্যাসার্ধ
প্রদত্ত স্কেল
= ১.৭ ইঞ্চি।
IN.B: পৃথিবীর প্রকৃত ব্যাসার্ধ ৪০০০ মাইল বা () ইঞ্চি যা পূর্ণ সংখ্যায় ২৫০,০০০,০০০ ইঞ্চি ধরা হয়।।

= ০.৪৫% ইঞ্চি।
অতএব, অক্ষরেখাগুলোর মধ্যবর্তী পরস্পর দূরত্ব হবে ০.৪৫ ইঞ্চি। অর্থাৎ ০.৪৫ ইঞ্চি দূরে দূরে অক্ষরেখা নিয়ে একটি সরল শাঙ্কব অভিক্ষেপ আঁকতে হবে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত অভিক্ষেপটি হচ্ছে সরল শাঙ্কব অভিক্ষেপ। নিচে এর বৈশিষ্ট্য ও প্রয়োগ বিশ্লেষণ করা হলো-
এ অভিক্ষেপে দ্রাঘিমাগুলো সর্বদা সমান এবং একই কেন্দ্র হতে বিচ্ছুরিত। কিন্তু অক্ষরেখাগুলো চাপের ন্যায় দৈর্ঘ্য উত্তরে ক্রমশ কম ও দক্ষিণে বেশি। সকল দ্রাঘিমা বরাবর স্কেল ঠিক থাকে কিন্তু কেবল পরিমিত অক্ষরেখা (Standard Parallel) ছাড়া অন্যান্য অক্ষরেখা বরাবর স্কেল ঠিক থাকে না। পরিমিত অক্ষরেখা তথা অভিক্ষেপের মধ্যভাগে স্কেল ঠিক থাকায় সেখানকার মানচিত্রের বিকৃতি খুবই কম। কিন্তু অন্যান্য অঞ্চলের মানচিত্রে যথেষ্ট বিকৃতি ঘটে। এ অভিক্ষেপে কেবল একটি গোলার্ধ দেখানো সম্ভব হয়। একই সাথে দুটি গোলার্ধ দেখানো সম্ভব নয়।
পরিমিত অক্ষরেখা বরাবর ও তার উভয় পার্শ্বে স্বল্প পরিসর স্থানের আয়তন কিছুটা নির্ভুল হয় বলে এর সাহায্যে কোনো ক্ষুদ্রাকৃতি দেশের বা কোনো দেশের অল্পস্থানের মানচিত্র নির্ভুলভাবে অঙ্কন করা যায়। এ কারণে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ড প্রভৃতি ক্ষুদ্রাকৃতি দেশগুলোর মানচিত্র অঙ্কন করার জন্য এটি বিশেষভাবে উপযোগী।
সমগ্র পৃথিবী বা তার অংশবিশেষের মানচিত্র অঙ্কন করার জন্য নির্দিষ্ট স্কেলে পৃথিবীর অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখাগুলো সঠিকভাবে অঙ্কন করাকে অভিক্ষেপ বলে।
পৃথিবী ও এর অংশবিশেষকে কোনো সমতল ক্ষেত্রে প্রতিরূপ প্রদান করাকে মানচিত্র (Map) বলা হয়। মানচিত্র একজন ভূগোলবিদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। এর সাহায্যে ঘরে বসে অল্প সময়ে সমগ্র পৃথিবী সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাওয়া যায়।
মানচিত্র শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ Map যা ল্যাটিন শব্দ Mappa থেকে এসেছে; যার অর্থ কাপড়ের টুকরা। অতীতে মূলত কাপড়ের টুকরার উপরই মানচিত্র অঙ্কন করা হতো।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!