উদ্দীপকে উল্লেখিত বন্দর হলো নদী বন্দর। এ বন্দর গড়ে ওঠার পেছনে বিভিন্ন নিয়ামক কাজ করে। যথা-
i. নদীতে প্রচুর পানি এবং জোয়ার-ভাটা থাকলে অগভীর নদীতেও জোয়ারের সময় বড় বড় নৌযান ঢুকতে পারে। বাংলাদেশের অধিকাংশ নদীতে এরূপ পরিবেশ বিদ্যমান থাকায় বড় নদীর তীরে বন্দর গড়ে উঠেছে।
ii. বাংলাদেশের বড় বড় নদীগুলোতে বালুচর এবং কর্দমাক্ত তীরভূমি না থাকায় বন্দর গড়ে উঠেছে।
iii. নদীর নিকট উন্মুক্ত সমভূমি থাকলে রেলপথ সড়কপথ, ব্যাংক, ডাকঘর, মাল-গুদাম, প্রভৃতি গড়ে ওঠে। যেমন- চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ, বৈরববাজার, সিরাজগঞ্জ প্রভৃতি নদীবন্দরে উপরিউক্ত সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান রয়েছে।
iv. বাংলাদেশের নদীবন্দর এলাকার পশ্চাদভূমি উর্বর ও প্রাকৃতিক সম্পদে
vi. বন্দর এলাকার জলযানের জন্য জ্বালানি তেল, কয়লা ইত্যাদির মজুদ থাকা বাঞ্ছনীয় যা এদেশের নদী বন্দরগুলোতে রয়েছে।
উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লেখিত বন্দর অর্থাৎ নদীবন্দর গড়ে ওঠার পেছনে ভৌগোলিক পরিবেশই অধীক ক্রিয়াশীল।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!