উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি ছাড়াও 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় উঠে এসেছে জীবনকে সমৃদ্ধ করার একাধিক পরামর্শ। মন্তব্যটি প্রাসঙ্গিক।
জীবন স্বপ্নের মতো অলীক নয়। পৃথিবী মায়ার জগৎ নয়। তাই দুঃখে বিচলিত হওয়া উচিত নয়। সংসার নামক সমরাঙ্গনে যুদ্ধ করে জীবনকে সমৃদ্ধ করতে হবে। মহামানবরা যেভাবে অমরত্ব লাভ করেছেন, আমাদেরও উচিত সেভাবে কাজের মাধ্যমে জীবনকে তাৎপর্যময় করে তোলা।
উদ্দীপকে জীবনকে সমৃদ্ধ করার একটি মাত্র উপায়ের কথা বলা হয়েছে; আর তা হলো সময়ের গুরুত্ব। আর 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় কবি সময়ের গুরুত্বের পাশাপাশি জীবনকে সার্থক করে তোলার আরও পরামর্শ দিয়েছেন। কবি মনে করেন বৈরাগ্যে কোনো মুক্তি নেই। আমাদের জীবন শৈবালের উপরের শিশিরবিন্দুর মতো ক্ষণস্থায়ী, অথচ মহামূল্যবান। তাই মানুষকে এই পৃথিবীতে সাহসী যোদ্ধার মতো সংগ্রাম করে বেঁচে থাকতে হবে।
'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় কবি বলেছেন, সংসারে বাস করতে হলে সংসারের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। কারণ সংসারেই নানা সমস্যা-সংকট দেখা দেয়। চলার পথে জীবনের সেসব সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে হয়। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয়, পারিবারিক ইত্যাদি নানা প্রকার প্রতিবন্ধকতা প্রতিদিন সামনে আসে। এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পারলেই সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়। 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতার কবি এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। কিন্তু উদ্দীপকে এর বহিঃপ্রকাশ ঘটেনি। উদ্দীপকে শুধু 'জীবন- সঙ্গীত' কবিতার সময় কারও জন্য থেমে না থাকার দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। তাই আমরা মন্তব্যটিকে যথার্থ বলতে পারি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!