সময় গেলে সাধন হবে না 

দিন থাকতে দ্বীনের সাধন কেন জানলে না 

জানো না মন খালে বিলে থাকে না 

মীন জল শুকালে কী হবে আর বাধা দিলে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

'ধ্বজা' শব্দের অর্থ- পতাকা বা নিশান।

উত্তরঃ

পৃথিবীতে মানুষকে নানা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে বাঁচতে হয়। তাই কবি মানুষকে জীবন চলার পথে ভয়ে ভীত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

মানুষের জীবন-সংসার সহজ নয়। এখানে নিজেকে টিকিয়ে রাখতে হলে প্রতিনিয়ত নানা সমস্যা-সংকট মোকাবিলা করতে হয়। এ ধারণাই ব্যক্ত হয়েছে 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায়। পৃথিবীতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে প্রতিনিয়ত সব প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে হয়, তাহলেই জীবন সার্থকতা লাভ করে। পৃথিবীর এই যুদ্ধ-বিগ্রহ দেখে কবি তাই মানুষকে ভীত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

উত্তরঃ

উদ্দীপকটিতে 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতার সময়ের গুরুত্বের বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। 

পৃথিবী তার আপন গতিতেই চলমান। সময় তার নিয়মেই প্রবাহিত হয়। এই সময়ের প্রবাহে একদিকে যেমন সৃষ্টি হয়, অন্যদিকে তেমনই ধ্বংস হচ্ছে। তাই প্রত্যেকের উচিত সময়ের কাজ সময়ে করা।

উদ্দীপকে সময়ের কাজ সময়ের শেষ করার কথা বলা হয়েছে। সময়ের কাজ সময়ে না করলে জীবনে সাফল্য অর্জন করা যায় না। জীবিত অবস্থায় ভালো কর্ম না করলে মানুষকে পরকালে শাস্তি ভোগ করতে হয়। উদ্দীপকের সময়ের গুরুত্বের এই বিষয়টি 'জীবন- সঙ্গীত' কবিতার সময়ের গুরুত্বের বিষয়টির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এই কবিতায় কবি বলেছেন- সময় কারও জন্য অপেক্ষা করে না। তাই সময়ের কাজ সময়ের মধ্যে করতে হয়। মানুষকে মহৎ মানুষ হতে হলে আয়ু থাকা অবস্থায় সময়ের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। উদ্দীপকের কবিতার এই বিষয়টিই প্রতিফলিত হয়েছে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি ছাড়াও 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় উঠে এসেছে জীবনকে সমৃদ্ধ করার একাধিক পরামর্শ। মন্তব্যটি প্রাসঙ্গিক।

জীবন স্বপ্নের মতো অলীক নয়। পৃথিবী মায়ার জগৎ নয়। তাই দুঃখে বিচলিত হওয়া উচিত নয়। সংসার নামক সমরাঙ্গনে যুদ্ধ করে জীবনকে সমৃদ্ধ করতে হবে। মহামানবরা যেভাবে অমরত্ব লাভ করেছেন, আমাদেরও উচিত সেভাবে কাজের মাধ্যমে জীবনকে তাৎপর্যময় করে তোলা।

উদ্দীপকে জীবনকে সমৃদ্ধ করার একটি মাত্র উপায়ের কথা বলা হয়েছে; আর তা হলো সময়ের গুরুত্ব। আর 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় কবি সময়ের গুরুত্বের পাশাপাশি জীবনকে সার্থক করে তোলার আরও পরামর্শ দিয়েছেন। কবি মনে করেন বৈরাগ্যে কোনো মুক্তি নেই। আমাদের জীবন শৈবালের উপরের শিশিরবিন্দুর মতো ক্ষণস্থায়ী, অথচ মহামূল্যবান। তাই মানুষকে এই পৃথিবীতে সাহসী যোদ্ধার মতো সংগ্রাম করে বেঁচে থাকতে হবে।

'জীবন-সঙ্গীত' কবিতায় কবি বলেছেন, সংসারে বাস করতে হলে সংসারের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। কারণ সংসারেই নানা সমস্যা-সংকট দেখা দেয়। চলার পথে জীবনের সেসব সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে হয়। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয়, পারিবারিক ইত্যাদি নানা প্রকার প্রতিবন্ধকতা প্রতিদিন সামনে আসে। এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পারলেই সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়। 'জীবন-সঙ্গীত' কবিতার কবি এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। কিন্তু উদ্দীপকে এর বহিঃপ্রকাশ ঘটেনি। উদ্দীপকে শুধু 'জীবন- সঙ্গীত' কবিতার সময় কারও জন্য থেমে না থাকার দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। তাই আমরা মন্তব্যটিকে যথার্থ বলতে পারি।

711

বলো না কাতর স্বরে                    বৃথা জন্ম এ সংসারে

                       এ জীবন নিশার স্বপন,

দারা পুত্র পরিবার                        তুমি কার কে তোমার

                     বলে জীব করো না ক্ৰন্দন;

মানব-জনম সার,                        এমন পাবে না আর

                     বাহ্যদৃশ্যে ভুলো না রে মন;

কর যত্ন হবে জয়,                        জীবাত্মা অনিত্য নয়

                     ওহে জীব কর আকিঞ্চন ।

করো না সুখের আশ,                    পরো না দুখের ফাঁস

                      জীবনের উদ্দেশ্য তা নয়,

সংসারে সংসারী সাজ,                    করো নিত্য নিজ কাজ,

                      ভবের উন্নতি যাতে হয় ।

দিন যায় ক্ষণ যায়,                          সময় কাহারো নয়,

                      বেগে ধায় নাহি রহে স্থির,

সহায় সম্পদ বল,                            সকলি ঘুচায় কাল,

                       আয়ু যেন শৈবালের নীর ।

সংসার-সমরাঙ্গনে                           যুদ্ধ কর দৃঢ়পণে,

                        ভয়ে ভীত হইও না মানব;

কর যুদ্ধ বীর্যবান,                            যায় যাবে যাক প্ৰাণ

                          মহিমাই জগতে দুর্লভ।

মনোহর মূর্তি হেরে,                          ওহে জীব অন্ধকারে,

                          ভবিষ্যতে করো না নির্ভর

অতীত সুখের দিনে,                         পুনঃ আর ডেকে এনে,

                            চিন্তা করে হইও না কাতর ।

মহাজ্ঞানী মহাজন,                          যে পথে করে গমন,
                          হয়েছেন প্রাতঃস্মরণীয়,

সেই পথ লক্ষ্য করে                         স্বীয় কীর্তি ধ্বজা ধরে

                          আমরাও হব বরণীয়

সমর-সাগর-তীরে,                         পদাঙ্ক অঙ্কিত করে

                         আমরাও হব হে অমর;

সেই চিহ্ন লক্ষ করে,                     অন্য কোনো জন পরে,

                         যশোদ্বারে আসিবে সত্বর ।

করো না মানবগণ,                      বৃথা ক্ষয় এ জীবন,

                        সংসার-সমরাঙ্গন মাঝে;

সঙ্কল্প করেছ যাহা,                       সাধন করহ তাহা,

                       রত হয়ে নিজ নিজ কাজে ।
 

Related Question

View All
উত্তরঃ

'বাহ্যদৃশ্য' শব্দের অর্থ বাইরের জগতের চাকচিক্যময় রূপ বা জিনিস।

Sharif
Sharif
2 years ago
2.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews