পানির স্বাভাবিকতায় প্রাণিজগৎ ও সৃষ্টিকুলের জন্য বিপর্যয় সৃষ্টিকরণের কাজকেই পানি দূষণ বলে। এই পানি দূষণের অন্যতম কারণ ব্যবসায় কর্মকাণ্ড।
উদ্দীপকে জনাব জহিরুল প্রচণ্ড মানসিক অস্থিরতায় ভুগছেন। ট্যানারির বর্জ্য তার চোখের সামনেই প্রতিনিয়ত পড়ছে বুড়িগঙ্গায়। মাছ নেই, কেউ নদীতে আর গোসল করতে নামে না। শিল্পবর্জ্য, ব্যবসায়িক তরল ময়লা যখন নির্দ্বিধায় পানিতে ছেড়ে দেওয়া হয় তখন ঐ পানি মানুষের জন্য আর উপকারী থাকে না। বুড়িগঙ্গা নদীর পানির রং ও দুর্গন্ধ থেকে এটা সহজেই অনুমান করা যায়। তৈল, ময়লাসহ নানান আবর্জনা ফেলা হচ্ছে পানিতে। এতে পানি তার স্বাভাবিকতা হারাচ্ছে। ফলে মাছ বুড়িগঙ্গার পানিতে বাঁচতে পারে না এবং মানুষ এ পানি দ্বারা গোসল করতে পারে না। ট্যানারির বর্জ্যের রাসায়নিক পর্দা মেশার কারণে বুড়িগঙ্গার পানি প্রতিনিয়ত দূষিত হচ্ছে ফলে এ পানি মানুষের ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে উঠছে। তাই উদ্দীপকে পানি দূষণের চিত্র ফুটে উঠেছে।
সৃষ্টিকর্তা মানুষকে ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিতের জ্ঞান দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। সেজন্য মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব । প্রত্যেক মানুষ নিজের জন্য নিজের সন্তান-সন্ততির জন্য ভালো কিছু প্রত্যাশা করে । যা তার অন্যের জন্যও করা বা চাওয়া উচিত । এখানেই সামাজিক দায়িত্ববোধ, মূল্যবোধ ও নৈতিকতার প্রশ্ন । কোনো ব্যবসায়ী যখন জেনে-বুঝে পরিবেশ দূষণ করে, ক্ষতিকারক রাসায়নিক দ্রব্য মিশিয়ে মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয় তখন সে কতটা অনৈতিক ও অবিবেচকের মত কাজ করছে তা সম্পূর্ণ বুঝে উঠতে পারে না; মুনাফা অর্জনই তার কাছে হয়ে ওঠে মুখ্য । ক'দিন আগে টেলিভিশনে ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের এক অসুস্থ বৃদ্ধা মাকে দেখলাম । যিনি তার তিন যুবক সন্তান হারিয়েছেন একে একে । পরে মৃত্যুর কারণ জানা গেল । তারা ক্ষেতে কীটনাশক বিষ স্প্রের কাজ করতো । কিন্তু নাকে-মুখে কাপড় দিত না । এই বিষ শরীরে ঢুকে প্রত্যেকেরই ক্যান্সারে মৃত্যু ঘটেছে । তাই ঝুঁকিমুক্ত ভাবে নিজে বাঁচতে ও অন্যকে বাঁচাতে সবাইকে আরো সচেতন ও সতর্ক হতে হবে ।সৃষ্টিকর্তা মানুষকে ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিতের জ্ঞান দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। সেজন্য মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব । প্রত্যেক মানুষ নিজের জন্য নিজের সন্তান-সন্ততির জন্য ভালো কিছু প্রত্যাশা করে । যা তার অন্যের জন্যও করা বা চাওয়া উচিত । এখানেই সামাজিক দায়িত্ববোধ, মূল্যবোধ ও নৈতিকতার প্রশ্ন । কোনো ব্যবসায়ী যখন জেনে-বুঝে পরিবেশ দূষণ করে, ক্ষতিকারক রাসায়নিক দ্রব্য মিশিয়ে মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয় তখন সে কতটা অনৈতিক ও অবিবেচকের মত কাজ করছে তা সম্পূর্ণ বুঝে উঠতে পারে না; মুনাফা অর্জনই তার কাছে হয়ে ওঠে মুখ্য । ক'দিন আগে টেলিভিশনে ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের এক অসুস্থ বৃদ্ধা মাকে দেখলাম । যিনি তার তিন যুবক সন্তান হারিয়েছেন একে একে । পরে মৃত্যুর কারণ জানা গেল । তারা ক্ষেতে কীটনাশক বিষ স্প্রের কাজ করতো । কিন্তু নাকে-মুখে কাপড় দিত না । এই বিষ শরীরে ঢুকে প্রত্যেকেরই ক্যান্সারে মৃত্যু ঘটেছে । তাই ঝুঁকিমুক্ত ভাবে নিজে বাঁচতে ও অন্যকে বাঁচাতে সবাইকে আরো সচেতন ও সতর্ক হতে হবে ।
চিত্র: CSR এর অন্যতম নিদর্শন সফল উদ্যোক্তা মরহুম জহুরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত বাজিতপুরের জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ
এ অধ্যায় পাঠ শেষে শিক্ষার্থীরা (শিখন ফল)
১. ব্যবসায়িক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে
২. ব্যবসায়িক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারবে
৩. ব্যবসায়ের সামাজিক দায়বদ্ধতার ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে
৪. ব্যবসায়ের সামাজিক দায়বদ্ধতার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারবে
৫. সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করতে পারবে
৬. ব্যবসায়িক কারণে পরিবেশ দূষণের প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারবে
৭. পরিবেশ সংরক্ষণে বণিক সমিতি/ব্যবসায় সংগঠনসমূহের দায়িত্ব বিশ্লেষণ করতে পারবে
৮. সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বিভিন্ন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের গৃহিত কার্যক্রম বিশ্লেষণ করতে পারবে
৯. খাদ্য সংরক্ষণে যে সকল রাসায়নিক ব্যবহার হয় সেগুলোর ক্ষতিকর দিক শনাক্ত করতে পারবে
১০. রাসায়নিক ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদিত খাদ্যের ক্ষতিকর দিকগুলো বিশ্লেষণ করতে পারবে
১১. ক্ষতিকারক পলিথিন উৎপাদন ও ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলো শনাক্ত করতে পারবে
১২. খাদ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণে রাসায়নিক ব্যবহারে সতর্কতা ও করণীয়দিকগুলো চিহ্নিত করতে পারবে