প্রচলিত রীতি, বিশ্বাস ও আচরণের ভালো, মন্দ ইত্যাাদির বিচার- বিশ্লেষণই হলো নৈতিকতা।
বণিক সমিতি হলো একটি দেশের শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও প্রতিষ্ঠানসমূহের জোট।
কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের এলাকার বা দেশের ব্যবসায়ী বা শিল্পপতিগণ নিজেদের স্বার্থরক্ষা ও ব্যবসায়িক উন্নয়নের জন্য একত্রিত হয়ে যৌথ প্রচেষ্টায় ও পরিচালনায় যে সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে, তাকে বণিক সমিতি বলে। বণিক সমিতি সদস্যদের স্বার্থ সংরক্ষণে নিজেদের মধ্যকার ঐক্য প্রয়াসকে সুসংহত করে এবং যেকোনো বিরোধ মীমাংসায় ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকে পানি দূষণের চিত্র ফুটে উঠেছে।
পানির স্বাভাবিকতায় প্রাণিজগৎ ও সৃষ্টিকুলের জন্য বিপর্যয় সৃষ্টিকরণের কাজকেই পানি দূষণ বলে। এই পানি দূষণের অন্যতম কারণ ব্যবসায় কর্মকাণ্ড।
উদ্দীপকে জনাব জহিরুল প্রচণ্ড মানসিক অস্থিরতায় ভুগছেন। ট্যানারির বর্জ্য তার চোখের সামনেই প্রতিনিয়ত পড়ছে বুড়িগঙ্গায়। মাছ নেই, কেউ নদীতে আর গোসল করতে নামে না। শিল্পবর্জ্য, ব্যবসায়িক তরল ময়লা যখন নির্দ্বিধায় পানিতে ছেড়ে দেওয়া হয় তখন ঐ পানি মানুষের জন্য আর উপকারী থাকে না। বুড়িগঙ্গা নদীর পানির রং ও দুর্গন্ধ থেকে এটা সহজেই অনুমান করা যায়। তৈল, ময়লাসহ নানান আবর্জনা ফেলা হচ্ছে পানিতে। এতে পানি তার স্বাভাবিকতা হারাচ্ছে। ফলে মাছ বুড়িগঙ্গার পানিতে বাঁচতে পারে না এবং মানুষ এ পানি দ্বারা গোসল করতে পারে না। ট্যানারির বর্জ্যের রাসায়নিক পর্দা মেশার কারণে বুড়িগঙ্গার পানি প্রতিনিয়ত দূষিত হচ্ছে ফলে এ পানি মানুষের ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে উঠছে। তাই উদ্দীপকে পানি দূষণের চিত্র ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকে জহিরুল সরকারের ভূমিকা প্রত্যাশা করেছেন যা ভেজাল খাদ্য ও পানি দূষণ রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে।
পানি দূষণ আধুনিক সভ্যতার এক অভিশাপ, এর ফলে অনেক মানুষের স্বাস্থ্যহানী হচ্ছে। অসৎ উপায়ে মাননিয়ন্ত্রণহীনভাবে অখাদ্য- কুখাদ্য বাজারজাতকরণ করাকেই খাদ্যে ভেজাল বলে।
উদ্দীপকে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করে, টমেটো, কলা ইত্যাদি পাকানো হচ্ছে। খাবারের রং, ঘ্রাণ, স্বাদ বাড়ানো জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে। অন্যদিকে, বুড়িগঙ্গার পানি দূষিত হওয়া থেকে রক্ষা করতে সরকারের প্রয়োজন বুড়িগঙ্গার পাড়ে অবস্থিত সকল ট্যানারি কারখানাগুলোকে অন্য জায়গায় স্থানান্তর করা এবং বর্জ্য পদার্থ পরিশোধন করে নিষ্কাশন করার ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারি আইন প্রণয়নের পাশাপাশি জনগণকেও সচেতন হতে হবে। এজন্য সরকার যথাযথভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করলে এবং জনগণ আইন মান্য করে চললে বুড়িগঙ্গার পানি দূষণ রোধ করা সম্ভব। তাই জনাব জহিরুল সরকারি কর্তৃপক্ষের ভূমিকা প্রত্যাশা করছেন।
পরিশেষে বলা যায়, যত্রতত্র জলাশয়ে শিল্পবর্জ্য নিক্ষেপ করার ফলে পুকুর, খাল, বিল, নদীর পানি ব্যাপকভাবে দূষিত হয়। যার অন্যতম উদাহরণ ঢাকার বুড়িগঙ্গার ঘন কালো দুর্গন্ধযুক্ত পানি। তাই ভেজাল খাদ্য ও পানি দূষণ রোধে সরকারি সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Related Question
View Allযে চিন্তাভাবনা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের সামগ্রিক আচার-ব্যবহার ও কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে তাকেই মূল্যবোধ বলা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!