উদ্দীপকে তাহসান সাহেব পরিবেশের ওপর ভিত্তি করে বাড়ি নির্মাণ করেছেন।
মানুষের জীবন পরিবেশের প্রাকৃতিক উপাদান দ্বারা প্রভাবিত হয়। প্রকৃতির চারটি মূল উপাদান হলো মাটি, পানি, বায়ু ও আলো। আলো এবং তাপের মূল উৎস হলো সূর্য। মাটিতে জন্মানো গাছপালা, পানি, বায়ু, তাপ ও আলোর সাহায্যে বেড়ে ওঠে। এসবের ওপর নির্ভর - করেই পৃথিবীতে মানুষের বসতি গড়ে উঠেছে। উদ্দীপকে তাহসান সাহেব তার বাড়ি নির্মাণের জন্য জমি নির্বাচনের ক্ষেত্রে মাটির সমতা, প্রয়োজনীয় পানির পর্যাপ্ততা, আলো ও বাতাসের পর্যাপ্ততা প্রভৃতি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছেন। মানুষের সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপনের জন্য এসব বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে তাহসান সাহেবের স্ত্রী বাড়ির সামনে ও পিছনে ফুল ও ফলের বাগান করার জন্য ইচ্ছা পোষণ করেছেন, তা পরিবেশেরই উপাদান। এগুলো তাদের বাড়ির পরিবেশ সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলবে।
Related Question
View Allআলো ও তাপের প্রধান উৎস হলো সূর্য।
মানুষ অত্যন্ত বুদ্ধিমান প্রাণী। বুদ্ধি খাটিয়ে নদীতে বাঁধ দিয়ে জমিতে সেচের ব্যবস্থা করছে। পানির শক্তি কাজে লাগিয়ে বড় বড় কলকারখানা চালাচ্ছে, শহর গড়ছে, গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহন চালাচ্ছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বানিয়ে নিজেদের আরাম বাড়িয়েছে। এভাবে ক্রমেই মানুষ তার প্রয়োজনমতো প্রকৃতির ওপর আধিপত্য বাড়িয়েছে।
চিত্রে পরিবেশগত সমস্যা তথা পরিবেশ দূষণের চিত্র ফুটে উঠেছে।
আমরা জীবনের জন্য পানি পান করি এবং শ্বাস-প্রশ্বাস নিই। এ দুটি উপাদান দূষিত হওয়ার কারণে মানুষ বিভিন্ন রোগবালাইয়ে ভুগছে এবং অকালে মৃত্যুবরণ করছে। ক্রমবর্ধমান মানুষের চাহিদা মেটাতে উৎপাদন বাড়াতে হয়। যার ফলে গড়ে উঠেছে অনেক কলকারখানা। এসব কলকারখানার বেশির ভাগ গড়ে ওঠে নদীর উপকূলে। ফলে এর দূষিত বর্জ্য পানিতে মিশে নদীর পানি দূষিত করে। অপরদিকে কলকারখানার কালো ধোঁয়া বাতাসে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এভাবে অপরিকল্পিত শিল্পায়ন একটি দেশের পানি ও বায়ু দূষিত করে পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি করে। উদ্দীপকের চিত্রে দেখা যাচ্ছে, কারখানার বিষাক্ত কালো ধোঁয়া বাতাসে মিশে বায়ুদূষণ করছে। এতে কারখানার বর্জ্য পানিতে মিশে পানি দূষিত করছে। দৃশ্যমান চিত্রে পানি ও বায়ু এ দুটি মৌলিক উপাদান দূষিত হচ্ছে।
উক্ত সমস্যা অর্থাৎ পরিবেশ দূষণ থেকে উত্তরণের জন্য আমার মতো অনেক শিশুর বেশকিছু করণীয় আছে বলে মনে করি।
পরিবেশ আমাদের সবার। তাই এর যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণের জন্য সবাইকে নিজ নিজ জায়গা হতে সচেতন হয়ে ভূমিকা পালন করতে হবে। যেমন আমরা অযথা গাছ কাটব না। যেখানে সেখানে মলমূত্র ত্যাগ করব না। যেখানে সেখানে ময়লা ফেলব না। বাড়ির বর্জ্য যথাস্থানে ফেলব। কোনো জলাধারে নোংরা ফেলব না। গাছ লাগাব ও গাছের যত্ন নেব। প্রকৃতির কাছাকাছি থাকব। মানুষের সৃষ্ট পরিবেশ দূষণের কারণগুলো জানব ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সচেতন হব। নিজের খাবার, পোশাক ও. অন্যান্য জিনিস নির্বাচন ও ব্যবহারে পরিবেশের ভারসাম্যের কথা বিবেচনা করব। যেসব গাড়ি কালো ধোঁয়া ছাড়ে, সেগুলো বন্ধ করতে শিক্ষক ও বড়দের সহায়তায় কার্যকর পদক্ষেপ নেব।
অতএব বলা যায়, আমি বা আমার মতো শিশুর উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো নিজ অবস্থান হতে গ্রহণের মাধ্যমে পরিবেশগত সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখব।
কমানুষ যখন থেকে চাষবাস করে স্থিতিবস্থায় এসেছে, তখন থেকেই প্রকৃতিকে জয় করার চেষ্টা চালিয়েছে।
প্রকৃতির চারটি মূল উপাদান হলো- মাটি, পানি, বায়ু এবং আলো। মানুষ মাটিকে উৎপাদনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। মাটির উপর জম্মানো গাছপালা, পানি, বায়ু, তাপ ও আলোর সাহায্যে বেড়ে ওঠে। পানি, বাতাস ও তাপের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটলে মানুষের পক্ষে বেঁচে থাকা কঠিন হয়। অতএব বলা যায়, প্রকৃতির মূল উপাদানসমূহ মানুষের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
