উদ্দীপকে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানটি হলো এনজিও।
সমাজের কমবিত্তসম্পন্ন, অসহায় ও পশ্চাদপদ শ্রেণির মানুষকে আর্থিক, বৈষয়িক, শিক্ষাগত, স্বাস্থ্যগত, আইনগত ইত্যাদি নানান বিষয়ে সহযোগিতা করার জন্য প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ সারাবিশ্ব এনজিও নামে পরিচিত।
উদ্দীপকে রবি যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে নার্সারির ওপর প্রশিক্ষণ নিয়ে তাদের নিজস্ব জমিতে নার্সারি শুরু করেন। কিন্তু পর্যাপ্ত পুঁজির সংস্থান করতে না পারায় তার বন্ধুর পরামর্শে সে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় মূলধন সরবরাহের জন্য আবেদন করলে প্রতিষ্ঠানটি তাকে মূলধন সরবরাহ ও পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করছে। এ প্রতিষ্ঠান সমাজের কমবিত্তসম্পন্ন, অসহায় ও পশ্চাদপদ শ্রেণির মানুষকে সংঘবদ্ধ করে তাদের উন্নয়নের ধারায় নিয়ে আসা এবং তাদেরকে উদ্যোগী, প্রত্যয়ী ও দক্ষ করে গড়ে তোলাও এরূপ প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য। দেশ-বিদেশ থেকে দান, অনুদান ও ঋণ সংগ্রহ করে এবং ক্ষেত্রবিশেষে বিদেশি সংস্থা বা সরকারের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে তাদের কর্মসূচি বাস্তবায়নের অঙ্গীকারে এরূপ প্রতিষ্ঠানসমূহ অর্থসংস্থান করে। প্রান্তিক পর্যায়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পের উদ্যোক্তাদের ঋণদান, পরামর্শ প্রদান, প্রশিক্ষণদানসহ নানান সহায়তা দিয়ে এ সকল প্রতিষ্ঠান উদ্দীপনামূলক ও সমর্থনমূলক সেবা সহায়তা দিয়ে থাকে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!