উদ্দীপকে নির্দেশিত পলিমার A-এর প্রস্তুতির বিক্রিয়াটি হলো ইথিলিন থেকে পলিথিন তৈরির প্রক্রিয়া। নিচে পলিথিন প্রস্তুতির শর্তসমূহ দেয়া হলো-
বায়ুমন্ডলীয় চাপ: ইথিলিন থেকে পলিথিন তৈরির পলিমারকরণ বিক্রিয়ার অন্যতম শর্ত হলো উচ্চ বায়ুমন্ডলীয় চাপ যার আদর্শ মান ১০০০-১২০০। ii. তাপমাত্রা: পলিথিন প্রস্তুতির দ্বিতীয় শর্ত হলো উচ্চ তাপমাত্রা যার মান ২০০° সেলসিয়াস। iii. প্রভাবক: পলিথিন প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রভাবক হিসেবে অক্সিজেন ব্যবহৃত হয়।
তবে, উচ্চচাপ পদ্ধতি সহজসাধ্য না হওয়ায় ইদানীং এটি তেমন জনপ্রিয় নয়। এখন টাইটেনিয়াম ট্রাইক্লোরাই (TICI,) প্রভাবক ব্যবহার করে বায়ুমন্ডলীয় চাপেই পলিথিন প্রস্তুত করা হয়।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা কাজে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে বিভিন্ন রকমের পলিমার। এদের কোনোটি প্রাকৃতিক আবার কোনোটি কৃত্রিম। আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি মুহূর্তও কল্পনা করতে পারব না, যখন আমরা কোনো না কোনো পলিমার ব্যবহার করছি না। কিছু কিছু পলিমার আছে, যেগুলো পরিবেশবাদ্ধব, আবার কোনো কোনোটি পরিবেশের জন্য বেশ ক্ষতিকর। এই অধ্যায়ে আমরা পলিমারকে চিনতে শিখব, কোনটি ব্যবহার করব কোনটি থেকে দূরে থাকব সেটিও আমরা বুঝতে শিখৰ ।
এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা :
প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম পলিমার ব্যাখ্যা করতে পারব।
পলিমারকরণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম তন্তু ও বস্ত্রের উৎস, বৈশিষ্ট্য এবং ব্যবহার বর্ণনা করতে পারব।
তত্ত্ব হতে সুতা তৈরির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
বিভিন্ন প্রকার সুতার বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
রাবার ও প্লাস্টিকের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম ব্যাখ্যা করতে পারব।
পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টিতে রাবার ও প্লাস্টিকের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
তাপ প্রয়োগ করে বিভিন্ন প্রকার সুতার বৈশিষ্ট্য শনার করতে পারব।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় রাবার ও প্লাস্টিকের ব্যবহার ও সংরক্ষণে সচেতন হব।