একই ধরনের অনেকগুলো ছোট অণু পরস্পর যুক্ত করে যে বড় অণু পাওয়া যায় তাই পলিমার।
প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম তন্তুর মধ্যে দুটি পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-
প্রাকৃতিক তত্ত্ব | কৃত্রিম তন্তু |
1. |
|
ii. | II. বেশির ভাগ কৃত্রিম তত্ত্ব প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি করা হয় |
উদ্দীপকে নির্দেশিত পলিমার A-এর প্রস্তুতির বিক্রিয়াটি হলো ইথিলিন থেকে পলিথিন তৈরির প্রক্রিয়া। নিচে পলিথিন প্রস্তুতির শর্তসমূহ দেয়া হলো-
বায়ুমন্ডলীয় চাপ: ইথিলিন থেকে পলিথিন তৈরির পলিমারকরণ বিক্রিয়ার অন্যতম শর্ত হলো উচ্চ বায়ুমন্ডলীয় চাপ যার আদর্শ মান ১০০০-১২০০।
ii. তাপমাত্রা: পলিথিন প্রস্তুতির দ্বিতীয় শর্ত হলো উচ্চ তাপমাত্রা যার মান ২০০° সেলসিয়াস।
iii. প্রভাবক: পলিথিন প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রভাবক হিসেবে অক্সিজেন ব্যবহৃত হয়।

তবে, উচ্চচাপ পদ্ধতি সহজসাধ্য না হওয়ায় ইদানীং এটি তেমন জনপ্রিয় নয়। এখন টাইটেনিয়াম ট্রাইক্লোরাই (TICI,) প্রভাবক ব্যবহার করে বায়ুমন্ডলীয় চাপেই পলিথিন প্রস্তুত করা হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত পলিমার-এ তৈরির প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পলিমার-৪ তৈরি করা সম্ভব।
ভিনাইল ক্লোরাইড ও ইথিলিনের মতে দ্বিবন্ধনযুক্ত হাইড্রোকার্বন, যার পলিমারকরণ বিক্রিযার মাধ্যমে পলিমার A-এর উৎপাদ পলিথিনের মতো পলিমার-B তে পিভিসি অর্থাৎ পলিভিনাইল ক্লোরাইড উৎপন্ন করা যাবে। নিচে পিভিসি উৎপন্ন প্রক্রিয়া দেখানো হলো-
ভিনাইল ক্লোরাইডকে জৈব পারঅক্সাইড, যেমন বেনজোয়িক পারঅক্সাইড অথবা বিউটাইল পারঅক্সাইড প্রভাবকের উপস্থিতিতে অধিক চাপ ও উচ্চ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC) উৎপন্ন হয়।

উপরোক্ত প্রক্রিয়া থেকে এ সিন্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় যে, পলিমার-A তৈরির প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পলিমার B তৈরি করা সম্ভব
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!