উদ্দীপকে পরিবেশগত যে সমস্যার কথা বিধৃত হয়েছে তা হলো শব্দ দূষণ। শব্দ দূষণের কারণে শ্রবণশক্তি কমে আসে, স্মৃতিশক্তি হ্রাস পায়, মানসিক অবসাদ দেখা দেয় যা উদ্দীপকে বর্ণিত হাশেম মিয়ার ক্ষেত্রেও দেখা যায়। শব্দ দূষণের প্রধান দুটি কারণ হলো-
১. পরিবহন: শব্দ দূষণের একটি প্রধান উৎস হলো যানবাহন। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শহর অঞ্চলে বেড়েই চলেছে যানবাহন এবং এর ফলে বাড়ছে শব্দ দূষণ। মোটরগাড়ি, বাস, লরি, ট্রাক, টেম্পো প্রভৃতির শব্দ ও বৈদ্যুতিক হর্ণের তীব্রতা মানুষের জীবন দুঃসহ করে তুলেছে।
২. সামাজিক কারণে দূষণ: মিলাদ, পূজা, পার্বণ, বিবাহ প্রভৃতি সামাজিক অনুষ্ঠানে বাজি ও মাইকের তীব্র আওয়াজ শব্দ দূষণ সৃষ্টি করে। তাছাড়া আলোচনাসভা, মিটিং ও মিছিলে মাইক ব্যবহারও অনেক সময় শব্দ দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
Related Question
View Allজ্ঞাতিসম্পর্ককে সামাজিক সংগঠনের মূল বিষয় বলা হয়।
নগর সমাজের মানুষেরা ধর্মকে একটি আনুষ্ঠানিক বিষয় বলে গণ্য করে।
বাংলাদেশ সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ মন্তব্যটি করেছিলেন প্রখ্যাত ফরাসি নৃবিজ্ঞানী ক্লদ লেভি স্ট্রস।
পঞ্চাশের দশকে ক্লদ লেডি স্ট্রসের নেতৃত্বে ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ মিশন বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান ও সামাজিক নৃবিজ্ঞান পঠন- পাঠনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিদর্শন করেন। লেভি স্ট্রস সেখানকার বিভিন্ন উপজাতির আদিম স্বতন্ত্র জীবনধারা দেখে এতই বিস্মিত হন যে, তিনি বাংলাদেশকে সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ বলে মন্তব্য করেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!