বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সীমান্তের সাথে মোট নদীর সংখ্যা ৫৭টি।
নেতৃত্ব ও ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা অনেক সময় জঙ্গিবাদের জন্ম দেয়। যোগ্যতা, মেধা, ত্যাগ, নিষ্ঠা ও সমাজের মানুষের প্রতি কর্তব্যবোধের আদর্শ না থাকা সত্ত্বেও মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সহজ পন্থায় ক্ষমতা ও নেতৃত্বের আসনে অধিষ্ঠিত হওয়ার জন্য জঙ্গিবাদ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হয়ে থাকে। এভাবে নেতৃত্ব ও ক্ষমতার লোভ, একগুয়েমি ইত্যাদি চারিত্রিক ত্রুটি জঙ্গিবাদের জন্ম দিয়ে থাকে।
উদ্দীপকে পরিবেশগত যে সমস্যার কথা বিধৃত হয়েছে তা হলো শব্দ দূষণ। শব্দ দূষণের কারণে শ্রবণশক্তি কমে আসে, স্মৃতিশক্তি হ্রাস পায়, মানসিক অবসাদ দেখা দেয় যা উদ্দীপকে বর্ণিত হাশেম মিয়ার ক্ষেত্রেও দেখা যায়। শব্দ দূষণের প্রধান দুটি কারণ হলো-
১. পরিবহন: শব্দ দূষণের একটি প্রধান উৎস হলো যানবাহন। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শহর অঞ্চলে বেড়েই চলেছে যানবাহন এবং এর ফলে বাড়ছে শব্দ দূষণ। মোটরগাড়ি, বাস, লরি, ট্রাক, টেম্পো প্রভৃতির শব্দ ও বৈদ্যুতিক হর্ণের তীব্রতা মানুষের জীবন দুঃসহ করে তুলেছে।
২. সামাজিক কারণে দূষণ: মিলাদ, পূজা, পার্বণ, বিবাহ প্রভৃতি সামাজিক অনুষ্ঠানে বাজি ও মাইকের তীব্র আওয়াজ শব্দ দূষণ সৃষ্টি করে। তাছাড়া আলোচনাসভা, মিটিং ও মিছিলে মাইক ব্যবহারও অনেক সময় শব্দ দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
হাশেম মিয়ার ঘটনার আলোকে আমি মনে করি যে, শব্দ দূষণ সমস্যাটি জনস্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলে। যেমন-
১. শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের ওপর প্রভাব: অনেক দিন ১০০ ডেসিবেল শব্দের মধ্যে কাটালে বধিরতা দেখা দেয়। আর ১৬০ ডেসিবেল মাত্রার বিকট শব্দে কানের পর্দা ছিড়ে যায় এবং এর ফলে মানুষ স্থায়ীভাবে শ্রবণ ক্ষমতা হারায়।
২. শ্বসনের ওপর প্রভাব: শব্দ দূষণের জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসের হার পরিবর্তন হয়। উঁচু তীব্র শব্দের প্রভাবে শ্বসন গভীরতা বেড়ে যায় এবং দ্রুত শ্বাস ত্যাগ করে।
৩. স্নায়ুতন্ত্রের ওপর প্রভাব: শব্দ দূষণের ফলে স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের বৃদ্ধি স্নায়ুর ক্রিয়ার হ্রাস ঘটায়।
৪. পরিবেশের ওপর প্রভাব: বোমা, পটকা, আতশবাজি ও সুপারসনিকের বিকট শব্দে পুরোনো বাড়িতে ফাটল ধরে এবং অনেক সময় জানালা ও দরজার কাচ ভেঙে যায়।
অতএব বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত শব্দ দূষণের সমস্যাটি জনস্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলে।
Related Question
View Allজ্ঞাতিসম্পর্ককে সামাজিক সংগঠনের মূল বিষয় বলা হয়।
নগর সমাজের মানুষেরা ধর্মকে একটি আনুষ্ঠানিক বিষয় বলে গণ্য করে।
বাংলাদেশ সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ মন্তব্যটি করেছিলেন প্রখ্যাত ফরাসি নৃবিজ্ঞানী ক্লদ লেভি স্ট্রস।
পঞ্চাশের দশকে ক্লদ লেডি স্ট্রসের নেতৃত্বে ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ মিশন বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান ও সামাজিক নৃবিজ্ঞান পঠন- পাঠনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিদর্শন করেন। লেভি স্ট্রস সেখানকার বিভিন্ন উপজাতির আদিম স্বতন্ত্র জীবনধারা দেখে এতই বিস্মিত হন যে, তিনি বাংলাদেশকে সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ বলে মন্তব্য করেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!