উদ্দীপকে 'প্রতিদান' কবিতার পরার্থে আত্মনিবেদনের দিকটি প্রকাশিত হয়েছে।
'প্রতিদান' কবিতায় কবি নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ পরিহার করে অপরের কল্যাণে আত্মনিবেদন করেছেন। তিনি অনিষ্টকারীকে কেবল ক্ষমা করেই ক্ষান্ত হননি বরং তার উপকার করতে চেয়েছেন। কবি মনে করেন, প্রতিশোধ-প্রতিহিংসার বিপরীতে ভালোবাসাই পারে পৃথিবী সুন্দর ও নিরাপদ করতে। আর তাই তিনি তাঁর শত্রুর প্রতি ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
উদ্দীপকে পরার্থপরতার বিভিন্ন প্রাকৃতিক অনুষঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি দেখাতে চেয়েছেন প্রকৃতি সকল সময় নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে অন্যের উপকার করে। নদী, তরু, গাভি, স্বর্ণ, শস্য প্রভৃতি অন্যের জন্য কোনো স্বার্থ ছাড়াই নিজেদের উৎসর্গ করে চলেছে। তাঁর মতে, সাধুর ঐশ্বর্য কেবল পরের কল্যাণে আত্মনিবেদনেই নিবেদিত। উদ্দীপকের প্রকৃতির মাঝে এই আত্মনিবেদনের স্বরূপ আমরা 'প্রতিদান' কবিতার কবির মাঝেও দেখি। কবি মনে করেন, পরের কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত করতে পারলেই সমাজ হয়ে উঠবে সুন্দর। আর এখানেই উদ্দীপকের সঙ্গে আলোচ্য কবিতার সাদৃশ্য।
Related Question
View Allকি
অবিরাম,অনবরত। ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!