দৃশ্যপট-১: মানুষকে সম্পদ M এর জন্য প্রকৃতির ওপর বেশি নির্ভরশীল হতে হয়। ঋতু ও অঞ্চলভেদে উপকরণ প্রাপ্তির ওপর এর উৎপাদনের ভিন্নতা দেখা দেয়। বাংলাদেশ ও এর আশপাশের দেশগুলোতে উক্ত সম্পদের উৎপাদিত দ্রব্যগুলোর উৎপাদনশীলতারও ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।  

দৃশ্যপট-২: সম্পদ 'M' উৎপাদন বৃদ্ধিতে সম্পদ N-কে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হয়। ঋতু ও অঞ্চলভেদে এর পর্যাপ্ত ব্যবহার নিশ্চিত করতে একটি পূর্বপরিকল্পনা প্রয়োজন। 'M' এর ক্রমাগত বৃদ্ধিতে 'N' সম্পদের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত ব্যবহার বাড়াতে পারলে আমাদের দেশের উক্ত সম্পদের স্বয়ংসম্পূর্ণতা বৃদ্ধি পাবে। 'N' সম্পদকে কাজে লাগিয়ে আরও অন্যান্য সম্পদেরও উৎপাদন বাড়ানো যায়।

উদ্দীপকে বর্ণিত 'M' সম্পদটি তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন ধরনের প্রাকৃতিক সম্পদকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর। (প্রয়োগ)

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত 'M' সম্পদটি আমার পাঠ্যবইয়ের যে ধরনের প্রাকৃতিক সম্পদকে নির্দেশ করে তা হলো কৃষিজ সম্পদ।

প্রকৃতিকে ব্যবহার করে মানুষ নিজেদের চাহিদা পূরণের জন্য যেসব পণ্যসামগ্রী উৎপাদন করে তাকেই প্রাকৃতিক সম্পদ বলা হয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত, মিয়ানমার ও নেপালের প্রাকৃতিক সম্পদ প্রায় একই রকম। প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে কৃষিজ সম্পদই প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল থাকে। উদ্দীপকে দৃশ্যপট-১ বর্ণিত 'M' সম্পদটির জন্যও প্রকৃতির ওপর বেশি নির্ভরশীল হতে হয়। কেননা এখানে কৃষিজ সম্পদকেই নির্দেশ করা হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহ বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে কৃষিপ্রধান। এ অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু, মাটি, নদ-নদী ইত্যাদির ওপর নির্ভর করে কৃষকগণ এখানকার কৃষিজ সম্পদ উৎপাদন করে। অঞ্চলভেদে কৃষি উৎপাদনে তারতম্য পরিলক্ষিত হয়। একেক অঞ্চলে একেক ফসলের উৎপাদন ভালো হয়। আবার কোনো কোনো ফসলের উৎপাদন বাধাপ্রাপ্তও হয়। বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত 'M' সম্পদটি কৃষিজ সম্পদকেই নির্দেশ করে, যা প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
74

Related Question

View All
উত্তরঃ

তিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়ে আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে। ১৭৮৭ সালের পূর্বে ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারাটি ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর- পশ্চিম দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্বদিকে আড়াআড়িভাবে প্রবাহিত হতো। কিন্তু ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার শাখা নদীর সৃষ্টি হয়। আর এ শাখা নদীটি যমুনা নামে পরিচিতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
উত্তরঃ

অনুচ্ছেদে বর্ণিত বনভূমিটি হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশের ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি এলাকা।

সাধারণ উষ্ণ ও আর্দ্র ভূমির কিছু এলাকা জুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা, তরুলতা, ঝোপঝাড় ও গুল্ম জন্ম নেয়। এসব গাছের পাতা একত্রে ফোটেও না, ঝরেও না। ফলে সারা বছর বনগুলো সবুজ থাকে। অবশ্য সে কারণেই এসব বনকে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ বনভূমি বলা হয়। চাপালিশ, ময়না, তেলসুর, মেহগনি, জারুল, সেগুন, গর্জন এ বনভূমির উল্লেখযোগ্য গাছ। তবে বর্তমানে এসব বনভূমি রাবার চাষও হচ্ছে। তাছাড়া এ বনগুলো অনেক সৌন্দর্যের রূপ পরিগ্রহ করে।

উদ্দীপকের জাহিদ তার বিদেশি বন্ধুদের সাথে নিয়ে এই চিরহরিৎ বনভূমিতে বেড়াতে গিয়ে বনের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়। প্রায় প্রতিনিয়তই সেখানে দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা যাওয়া-আসা করে থাকেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
525
উত্তরঃ

উদ্দীপকে জাহিদের করা মন্তব্যটি যথার্থ।

উদ্দীপকে বর্ণিত নদীটির নাম কর্ণফুলী। কর্ণফুলি নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী। এ নদীর উৎপত্তিস্থল লুসাই নামক পাহাড়ে। ৩২০ কি.মি. দৈর্ঘ্যের এ নদীটি চট্টগ্রাম শহরের খুব নিকট দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত। পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য এ নদীর গুরুত্ব অপরিসীম। তাছাড়া এ নদীটি আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। উদ্দীপকে জাহিদ ছুটিতে তার বিদেশি সহপাঠীদের নিয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের পাহাড়ি অঞ্চলে ফেরার পথে বেড়াতে গিয়ে সে অঞ্চলের প্রধান নদীটি সম্পর্কে যে মন্তব্যটি করে তা কর্ণফুলি নদীকেই বুঝিয়েছে যা আলোচনায় স্পষ্ট।

তাই আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি, উদ্দীপকে জাহিদের মন্তব্যটি যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
415
উত্তরঃ

নিরক্ষীয় নিম্ন অক্ষাংশ অঞ্চলে সূর্য বছরের প্রায় সব সময়ই লম্বভাবে কিরণ দেয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অপরাপর দেশগুলো নিরক্ষীয় বা ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত। আর তাই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে প্রচুর সৌরশক্তি পাওয়া যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
767
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews