উদ্দীপকে 'বৃষ্টি' কবিতার বৃষ্টিস্নাত দিনে মানবমনে যে অনুভব-অনুভূতির সৃষ্টি হয় সেই দিকটি ফুটে উঠেছে।
বৃষ্টিমুখর দিনে প্রকৃতির সাথে সাথে মানবমনেও এক অনির্বচনীয় অনুভূতি জাগে। সংবেদনশীল মানুষ প্রকৃতির সাথে সাথে রসসিক্ত হয়ে ওঠে। প্রিয়জনের কথা ভেবে মন ব্যাকুল হয়।
উদ্দীপকে বাংলাদেশের বর্ষাস্নাত দিনে নিভৃত পল্লির মানুষের মন কেমন হয় তা প্রকাশ পেয়েছে। ঘনঘোর বৃষ্টিতে পল্লিবা হৃদয়ের মায়া-মমতা দিয়ে নকশিকাঁথা সেলাই করে। তাঁদের বুকের মাঝে যে স্বপ্ন থাকে তা সুতার টানে ভাষা দেয়। বাইরের অঝোর বর্ষণ মানুষের মনকে বিরহকাতর করে তোলে। এমন দিনে প্রিয়জনের কথা মনে পড়ে যায়। 'বৃষ্টি' কবিতায়ও বর্ষার প্রথম অবিরল বৃষ্টি ধারায় প্রকৃতি ও মানুষের এমনই কর্মপ্রবাহ ও মনোবৃত্তি অঙ্কিত হয়েছে। বৃষ্টির দিনে তৃষিত বনবনানীর রসসিক্ততার মতো সংবেদনশীল মানুষের মনও রসসিক্ত হয়ে ওঠে। মানুষের মনে পড়ে সুখময় অতীত স্মৃতি; আর সেই ভালো লাগার আলপনা আঁকে মনে মনে। বৃষ্টির ধারা মানুষের একাকী জীবনের বেদনা আরও বাড়িয়ে দেয়। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'বৃষ্টি' কবিতার বৃষ্টিস্নাত দিনে মানবমনে যে অনুভব-অনুভূতির সৃষ্টি হয় সেই দিকটি ফুটে উঠেছে।
Related Question
View AllAnswer
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!