উদ্দীপকে যে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোটের কথা বলা হয়েছে তার উদ্দেশ্য বর্ণনা কর। (প্রয়োগ)

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে যে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোটের কথা বলা হয়েছে সেটি হলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি আঞ্চলিক সংস্থা। ১৯৫৭ সালে পশ্চিম ইউরোপের ছয়টি দেশের মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে এ সংস্থাটির জন্ম হয়। বর্তমানের এর সদস্য সংখ্যা ২৭। বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে এ সংগঠনটির সদর দপ্তর অবস্থিত। উদ্দীপকে এ সংস্থাটিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে।
উদ্দীপকের সংস্থাটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী অর্থনৈতিক সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে গড়ে ওঠে। এটি অভিন্ন বাজারব্যবস্থা ও মুদ্রা প্রতিষ্ঠাসহ আরও কিছু উদ্দেশ্য নিয়ে গঠিত হয়। এ জোটটি বাংলাদেশি পণ্যের বড় বাজারও বটে। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউরোপীয় অর্থনীতি মহাসংকটে নিপতিত হয়। এ সংকট থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপকে সামনে রেখে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠিত হয়। সদস্যভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অভিন্ন বাজার সৃষ্টির মাধ্যমে বাণিজ্য ও অর্থনীতির উন্নয়নই ইইউ-এর প্রধান উদ্দেশ্য। এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই বর্তমানে ইইউ-এর দেশগুলোর মধ্যে একক মুদ্রা চালু হয়েছে। এছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে।
যেমন: ১. সদস্য রাষ্ট্রসমূহের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পদ কাজে লাগিয়ে যৌথ সম্পদ শক্তি অর্জন করা; ২. সদস্য রাষ্ট্রসমূহের সম্পদের সর্বোচ্চ সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করা; ৩. সদস্য দেশগুলোর উৎপাদিত পণ্য সামগ্রীর আন্তর্জাতিক বাজার সৃষ্টি করা। ৪. সদস্য দেশগুলোর উন্নয়নের পাশাপাশি বিশ্বের অন্যান্য স্বল্প উন্নত ও অনুন্নত রাষ্ট্রকে সহায়তা করা। এ আলোচনা থেকে বোঝা যায়, উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত সংস্থাটি অর্থাৎ ইইউ এর মূল লক্ষ্য হলো সদস্য দেশগুলোর সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
40

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে নীতির সাহায্যে এক রাষ্ট্রের সাথে অন্য রাষ্ট্রের সম্পর্ক স্থাপিত হয় তাই বৈদেশিক নীতি।
বর্তমানে কোনো রাষ্ট্রই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। তাই সব রাষ্ট্রই কোনো না কোনো বিষয়ে অন্য রাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল। এজন্য এক রাষ্ট্রের সাথে অন্য রাষ্ট্রের সহযোগিতামূলক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। সাধারণত জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বৈদেশিক সম্পর্ক স্থাপন, সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
182
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত 'Z' রাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতির সাথে আমার পঠিত বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির সাদৃশ্য রয়েছে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হলো- সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে শত্রুতা নয়'। এ নীতির ভিত্তিতে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও সম্প্রীতির মনোভাব পোষণ করে। দেশটি পৃথিবীর কোনো দেশ বা জাতির বিরুদ্ধে কোনো প্রকার আক্রমণ পরিচালনা করার দূরভিসন্ধি পোষণ করে না। বাংলাদেশ বিশ্বের সব রাষ্ট্রের সাথে সহযোগিতা ও সম্প্রীতির মনোভাব এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে।
উদ্দীপকে 'Z' রাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতির মূলকথা হলো 'আঞ্চলিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নীতি, স্বাধীন ও জোট নিরপেক্ষ নীতি, পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত'। বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল কথাও তাই। এ নীতির ভিত্তিতে বাংলাদেশ প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোসহ বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলছে। সুতরাং বলা যায়, 'Z' রাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
70
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ রাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি তথা বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে বলে আমি মনে করি।
বাংলাদেশ একটি শান্তিকামী রাষ্ট্র। বিশ্বের সব দেশের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ এবং কারও সাথে শত্রুতা নেই। বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তিতে বিশ্বাস করে। সেই আলোকে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে চেষ্টা করছে।
দেশটি স্বাধীন ও জোট নিরপেক্ষ নীতিতে বিশ্বাস করে। বাংলাদেশনিজের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রেখে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতায় বদ্ধপরিকর। বিশ্বশান্তির মহানব্রত নিয়ে জাতিসংঘ সনদ, কমনওয়েলথ, জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন, সার্ক 'প্রভৃতি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংগঠনের নীতি ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রাখে।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ বিভিন্নভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘের শান্তি মিশনে বাংলাদেশ সরকার সেনা ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের পাঠাচ্ছে। এ মিশনে বাংলাদেশর ভূমিকা আজ বিশ্বে সমাদৃত। তাছাড়া বিশ্বের কোনো দেশ বা অঞ্চলের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে বা যুদ্ধ সংঘটিত হলে বাংলাদেশ উদ্ভূত সমস্যা নিরসনের চেষ্টা করে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ রাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি অর্থাৎ বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
70
উত্তরঃ

ওআইসি (OIC- Organisation of Islamic Co-operation) হলো বিশ্বের মুসলিম দেশগুলো নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
80
উত্তরঃ

কমনওয়েলথ হলো সাবেক ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত বর্তমানে স্বাধীন এমন রাষ্ট্রসমূহ নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন।
একসময় প্রায় সারা বিশ্বে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিস্তৃত ছিল। পরবর্তীতে ব্রিটিশ শাসিত অঞ্চলগুলো একের পর এক স্বাধীন হতে থাকে। ব্রিটেন ও এর শাসন থেকে মুক্ত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সম্পর্কের বন্ধন ধরে রাখার লক্ষ্যে ১৯৪৯ সালে কমনওয়েলথ গঠন করা হয়। ব্রিটেনের রাজা বা রানি হলেন এ সংগঠনটির প্রধান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
78
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews