উদ্দীপকে শিক্ষক মনে করেন মানচিত্রে ব্যবহৃত প্রতীকসমূহ বুঝার আগে কিছু মৌলিক বিষয় জানা দরকার। এগুলো হলো-
শিরোনাম:প্রত্যেক মানচিত্রেরই একটি শিরোনাম থাকে। মানচিত্রটি কীসের, এতে তা উল্লেখ থাকে।
ii উত্তর দিক: মানচিত্রের দিক জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। প্রতিটি মানচিত্রের উপরে বাম দিকের মার্জিনে একটি তীর দেয়া থাকে। এই তীরের মাথায় উ: লেখা থাকে। উঃ দিয়ে উত্তর দিক বোঝানো হয়। উত্তর দিক জানা থাকলে সহজেই অন্যদিকগুলো যেমন দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম বোঝা যায়।
iii . স্কেল : কোনো অঞ্চলের মানচিত্র তৈরির সময় প্রকৃত আয়তনকে কমিয়ে ক্ষুদ্র করে আঁকতে হয়। একে বলা হয় স্কেল অনুসারে আঁকা। স্কেল থেকে বোঝা যায় কোন স্থানকে কতটুকু কমানো হয়েছে। স্কেল যত ছোট হবে মানচিত্রে তত বেশি আয়তন দেখানো যাবে। মানচিত্রের স্কেল যদি ১ : ১০০,০০০ হয় তাহলে বোঝা যায় মানচিত্রে ১ একক ভূমির ১০০,০০০ এককের সমান।
iv. সূচক : মানচিত্রে কোন প্রতীক দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে সূচক তা নির্দেশ করে। প্রতিটি মানচিত্রে প্রতীক ও এদের সূচক উল্লেখ করা হয়।
v. সীমানা: প্রত্যেক মানচিত্রেই অঞ্চল বা স্থানের সীমানা নির্দিষ্ট করে দেখাতে হয়। যেমন- জেলার সীমানা দেখাতে '~~' চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
vi. উৎস: সব মানচিত্রই তথ্য বা উপাত্তের ভিত্তিতে তৈরি হয়। তথ্যের উৎস মার্জিন বা মার্জিনের বাইরে দেখাতে হয়।
Related Question
View Allআকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় স্থির করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে।
সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।
জাউদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা = ৬ ঘণ্টা = (৬ × ৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]
উদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা
সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা
= ৬ ঘণ্টা
= (৬৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]
আকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় নির্ধারণ করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে।
সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!