রিতা একটি মানচিত্রে বেশ কিছু চিহ্ন ও প্রতীক দেখল, কিন্তু তার অর্থ বুঝতে পারল না। শিক্ষককে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, এসব চিহ্ন বোঝার আগে কিছু মৌলিক বিষয় জানা দরকার।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে মানচিত্র দুই প্রকার। যেমন- গুণগত (Qualitative) ও পরিমাণগত (Quantitative) মানচিত্র

উত্তরঃ

মৌজা মানচিত্র ও ভূসংস্থানিক মানচিত্রের মধ্যে দুইটি পার্থক্য নিম্নরূপ:

মৌজা মানচিত্র

ভূসংস্থানিক মানচিত্র

১, সাধারণত কোনো রেজিস্ট্রিকৃত ভূমি অথবা ভবনের মালিকানার সীমানা চিহ্নিত করার জন্য এই মানচিত্র তৈরি করা হয়।

১, এ মানচিত্র প্রকৃত জরিপকার্যের (field survey) মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়, কিন্তু জমির সীমানা দেখানো হয় না।

২. এ মানচিত্রের স্কেল বড় হয়। যেমন; ৩২ ইঞ্চিতে ১ মাইল

২.মৌজা মানচিত্রের চেয়ে স্কেল ছোট হয়। যেমন: ১ ইঞ্চিতে ১ মাইল।

উত্তরঃ

রিতা মানচিত্রে কিছু চিহ্ন দেখেছিল। এগুলো মূলত আন্তর্জাতিক সাংকেতিক চিহ্ন (international conventional sign)।

মানচিত্রে বিভিন্ন প্রতীক বা চিহ্নের মাধ্যমে ভূ-প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক বিষয়সমূহ দেখানো হয়। এই প্রতীকগুলোর মাধ্যমে পাহাড়, পর্বত, নদীনালা, মালভূমি, হ্রদ, সমভূমি, পুকুর, ঝিল, বনভূমি প্রভৃতি প্রাকৃতিক বিষয়ের পরিচয় পাওয়া যায়। আবার রাস্তাঘাট, হাট-বাজার, মসজিদ, মন্দির, হাসপাতাল, খেলার মাঠ, বসতি, জনঘনত্ব, জীবিকা অর্জনের উপায় প্রভৃতি নানা সাংস্কৃতিক তথ্যও ফুটিয়ে তোলা যায়।

মানচিত্রে তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপনের নিয়মাবলি জানা থাকলে সহজেই চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা যায়। এ জন্য মানচিত্রে তথ্য উপস্থাপনে নানা ধরনের প্রতীক চিহ্নের সাহায্য নিতে হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের স্থানীয় বৈচিত্র্যসূচক মানচিত্রের (Topographic map) মধ্যে এ সকল প্রতীক চিহ্ন ব্যবহার করে আসছে। এসব চিহ্নকেই আন্তর্জাতিক প্রতীক চিহ্ন বলা হয়।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে শিক্ষক মনে করেন মানচিত্রে ব্যবহৃত প্রতীকসমূহ বুঝার আগে কিছু মৌলিক বিষয় জানা দরকার। এগুলো হলো-

শিরোনাম:প্রত্যেক মানচিত্রেরই একটি শিরোনাম থাকে। মানচিত্রটি কীসের, এতে তা উল্লেখ থাকে।

ii উত্তর দিক: মানচিত্রের দিক জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। প্রতিটি মানচিত্রের উপরে বাম দিকের মার্জিনে একটি তীর দেয়া থাকে। এই তীরের মাথায় উ: লেখা থাকে। উঃ দিয়ে উত্তর দিক বোঝানো হয়। উত্তর দিক জানা থাকলে সহজেই অন্যদিকগুলো যেমন দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম বোঝা যায়।

iii . স্কেল : কোনো অঞ্চলের মানচিত্র তৈরির সময় প্রকৃত আয়তনকে কমিয়ে ক্ষুদ্র করে আঁকতে হয়। একে বলা হয় স্কেল অনুসারে আঁকা। স্কেল থেকে বোঝা যায় কোন স্থানকে কতটুকু কমানো হয়েছে। স্কেল যত ছোট হবে মানচিত্রে তত বেশি আয়তন দেখানো যাবে। মানচিত্রের স্কেল যদি ১ : ১০০,০০০ হয় তাহলে বোঝা যায় মানচিত্রে ১ একক ভূমির ১০০,০০০ এককের সমান।

iv. সূচক : মানচিত্রে কোন প্রতীক দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে সূচক তা নির্দেশ করে। প্রতিটি মানচিত্রে প্রতীক ও এদের সূচক উল্লেখ করা হয়।

v. সীমানা: প্রত্যেক মানচিত্রেই অঞ্চল বা স্থানের সীমানা নির্দিষ্ট করে দেখাতে হয়। যেমন- জেলার সীমানা দেখাতে '~~' চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।

vi. উৎস: সব মানচিত্রই তথ্য বা উপাত্তের ভিত্তিতে তৈরি হয়। তথ্যের উৎস মার্জিন বা মার্জিনের বাইরে দেখাতে হয়।


150

মানচিত্র একজন ভূগোলবিনের জন্য একটি অতি প্রয়োজনীয় উপকরণ (Tools)। এর সাহায্যে সমগ্র পৃথিবী বা কোনো অঞ্চল সরল্যে সুস্পষ্ট জ্ঞান লাভ করা যায়। একটি মানচিত্রের মধ্যে আমরা সব পৃথিবীকে অথবা এর কোনো এক অঞ্চলকে দেখাতে পারি। আমরা কোনো একটি কাগজের মধ্যে মানচিত্র এঁকে সেখানে চিহ্ন নিয়ে সেই অঞ্চলের অবস্থা সম্বন্ধে বুঝাতে পারি। একটি মানচিত্র যে কেবল ভূগোলবিদদের প্রয়োজন হয় তা নয়। এটি প্রশ্ন সকল মানুষের বিশেষ করে পর্যটক, প্রশাসক, পরিকল্পনাবিদ, স্থপতি, ইঞ্জিনিয়ার, কৃষিবিদ, আবহাওয়াবিদ এমনকি সাধারণ মানুষেরও বিশেষ প্রয়োজনে লাগে। এ অধ্যায়ে মানচিত্র, এর প্রকারভেল, গুরুত্ব, ব্যবহার, স্থানীয় সময় ও প্রমাণ সময় ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করব।

 

Related Question

View All
উত্তরঃ

আকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় স্থির করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে। 

7.5k
উত্তরঃ

সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।

3.3k

জাউদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা = ৬ ঘণ্টা = (৬ × ৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]

উত্তরঃ

উদ্দীপকে দেখা যায়, ফ্লোরা বেগমের ঘড়িতে ঢাকার সময় যখন রাত ১২টা লন্ডনের সময় তখন সন্ধ্যা ৬টা

সুতরাং সময়ের পার্থক্য হচ্ছে রাত ১২- সন্ধ্যা ৬টা

= ৬ ঘণ্টা

= (৬×৬০) মিনিট [১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট]

1.8k
উত্তরঃ

আকাশে সূর্যের অবস্থান থেকে যে সময় নির্ধারণ করা হয় তাকে স্থানীয় সময় বলে।

523
উত্তরঃ

সাধারণত কোনো একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলা হয়। সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।

492
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews