উদ্দীপকে সামাজিকীকরণের তথ্য প্রযুক্তি মাধ্যমটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
প্রযুক্তির অগ্রসরমান উদ্ভাবন মানব জীবনযাত্রার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। কারণ মানুষের জীবনে প্রতিটি বিষয় এখন তথ্য ও প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে পড়েছে। যেমন- অনেক পরিবারেই এখন কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। এমন পরিবারের শিশুরা এসব উপকরণ ব্যবহার করে। শিশুরা এসব উপকরণ ব্যবহারের মাধ্যমে নিজের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটায়। আধুনিক তথ্য ও প্রযুক্তির বিকাশের কারণে বিজ্ঞাপন, জনপ্রিয় সিনেমা, নাটক, বিখ্যাত ফ্রীড়া ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং তাদের জীবনযাপন পদ্ধতি প্রচার মাধ্যমের কল্যাণে দ্রুত সমাজে ছড়িয়ে পড়ে, যা শিশুর সামাজিকীকরণে প্রভাব ফেলে।
উদ্দীপকের আলম ও তার ছোট বোন ইন্টারনেট ব্যবহার করে অল্প। বয়সেই পত্র-পত্রিকা পড়ে এবং শিক্ষামূলক চলচ্চিত্র উপভোগ করে। ওয়েবসাইট থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে তারা সেগুলোকে শিক্ষামূলক কাজে ব্যবহার করছে, যা তাদের সামাজিকীকরণে প্রভাব ফেলছে। তাই বলা যায়, তথ্য প্রযুক্তি সামাজিকীকরণে ভূমিকা রাখে এবং উদ্দীপকে এ বিষয়টির প্রতিফলন লক্ষ করা যায়।
Related Question
View Allফরাসি সমাজবিজ্ঞানী এমিল ডুর্খেইমকে ক্রিয়াবাদের জনক বলা হয়।
শিক্ষা শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, শিক্ষা শব্দটি এসেছে সংস্কৃত 'শাস' ধাতু থেকে। এর অর্থ হলো শাসন করা, শৃঙ্খলিত করা, নিয়ন্ত্রিত করা, শিক্ষা দেওয়া বা নির্দেশনা দেওয়া। অর্থাৎ বাংলা ভাষায় আমরা যে শিক্ষা কথাটা ব্যবহার করি, তা বিশেষভাবে শিক্ষা কৌশলকেই বোঝায়।
সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠান তথা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অপরিসীম।
সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুবই প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করে থাকে। পরিবার থেকে গঠিত মৌলিক ব্যক্তিত্ব সহযোগে শিশুরা শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানে আসে। সেখানে নতুন পরিবেশে নানা নিয়ম-কানুনের মধ্যে নতুন সহপাঠী ও অন্যান্যদের সাথে খাপ-খাইয়ে চলতে হয়। শিশুর মূল্যবোধ সৃষ্টিতে পরিবারের পাশাপাশি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যক্রম, শিক্ষকদের ব্যক্তিত্ব, নৈতিকতা ইত্যাদি শিশুর মূল্যবোধ বিকাশে সহায়ক হয়।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা নানা প্রকারের হলে শিশুর ব্যক্তিত্বও নানাভাবে গড়ে ওঠে। যেমন- আমাদের দেশেও প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা ভিন্ন ভিন্ন। তাই ব্যক্তির সামাজিকীকরণের ধরনও বিভিন্ন রকম পরিলক্ষিত হচ্ছে।
অতএব আমরা বলতে পারি যে, সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
উদ্দীপকে অন্যতম সামাজিক সমস্যা 'নিরক্ষরতা' সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। সমাজে নিরক্ষরতার মতো সমস্যা অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে সমাজবিজ্ঞানের যে গবেষণা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে তা হলো সামাজিক জরিপ পদ্ধতি।
সামাজিক গবেষণার জন্য যে সমস্ত পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে তার মধ্যে সামাজিক জরিপ অন্যতম। জরিপ কথাটির অর্থ হচ্ছে কোনো কিছু সরেজমিনে পরিমাপ বা নিরূপণ করা। কোনো সমাজের অবস্থা সম্পর্কে বিভিন্ন কৌশলে তথ্যাবলি সংগ্রহ, তথ্যাবলির ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ, অনুসন্ধান ও সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার প্রক্রিয়া হচ্ছে জরিপ পদ্ধতি। সমাজের বিভিন্ন বিষয়ে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ, তথ্য বাছাই, তথ্য যাচাই ইত্যাদি ক্ষেত্রে জরিপ একটি কার্যকরী পদ্ধতি। বস্তুত জরিপ পদ্ধতির সাহায্যে কোনো একটি বিষয়ের সামগ্রিক চিত্র লাভ করা সম্ভব। সামাজিক জরিপ সামাজিক অনুসন্ধানের একটি পদ্ধতি যা বর্ণনা, বিবরণ, উদ্ঘাটন ও ব্যাখ্যামূলক বিভিন্ন সামাজিক তথ্য সরবরাহ করে। এছাড়া উন্নয়নমূলক সামাজিক কর্মসূচির পূর্বশর্ত হিসেবে কাজ করে।
অতএব আমরা বলতে পারি যে, নিরক্ষরতার মতো সামাজিক সমস্যার অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে সামাজিক জরিপ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
ICT-এর পূর্ণরূপ- Information and Communication Technology |
বিশ্বায়ন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সমগ্র বিশ্বকে একীভূত করা হয়।
বিশ্বায়নের মূল লক্ষ্য হচ্ছে পৃথিবীর সকল দেশকে একটি ছাতার নিচে। সমবেত করা। মূলত তিনটি লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বিশ্বায়নের পথচলা। (১) তথ্য প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহ (২) আন্তর্জাতিক শ্রম বাজার এবং (৩) উৎপাদিত পণ্যের অবাধ প্রবাহ। সাধারণত সারাবিশ্বে এই তিনটি বিষয়ের অবাধ প্রচলন উপস্থিতি থাকলেই সেই প্রক্রিয়াকে বিশ্বায়ন বলে আখ্যায়িত করা যেতে পারে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!