উদ্দীপক-১-এ 'বঙ্গবাণী' কবিতার মাতৃভাষায় বই-পুস্তক রচনা করে সাধারণের হিত সাধনের ভাবটি ফুটে উঠেছে।
জগতে পরোপকারী ব্যক্তিরা নিজ স্বার্থ ত্যাগ করে মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করেন। প্রত্যেকের উচিত স্বভাষায় জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে নিজের দেশের মানুষের হিত সাধন করা।
উদ্দীপক-১-এ দেশের সহজ-সরল মানুষের জন্য মাতৃভাষার উপযোগিতা এবং জ্ঞানী-গুণীরা যাতে তাদের বেদনা অনুভব করতে পারেন সেই দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। এই বিষয়টি 'বঙ্গবাণী' কবিতায় নিজ পরিশ্রমে মাতৃভাষা চর্চার মাধ্যমে অন্যসব সাধারণ মানুষের কল্যাণ সাধনের দিকটিকে নির্দেশ করে। যারা জ্ঞানীগুণী তারা যেন সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে সাহিত্য রচনা করেন। 'বঙ্গবাণী' কবিতার এ ভাবটি উদ্দীপক-১-এ প্রতিফলিত হয়েছে। কারণ যে ভাষায় কামার, কুমার, জেলে, চাষা কথা বলে, সে ভাষাতেই তাদের তুষ্ট করা সহজ। আর যে ভাষা সাধারণের বোধগম্য নয় তা যেন জ্ঞানীগুণীরা তাদের ওপর চাপিয়ে না দেন।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!