বাঙালি জাতির সংগ্রামী চেতনা বর্ণিত হওয়ায় উদ্দীপক ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি একই চেতনায় সমুজ্জ্বল।
বাঙালির কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেনি। নিজেদের অধিকার আদায়ে যুগে যুগে নানা সংগ্রাম ও ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে বাঙালি স্বাধীনতা অর্জন করেছে। 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় সেই দেশপ্রেম, গণজাগরণ ও সংগ্রামী চেতনার প্রকাশ পরিলক্ষিত হয়। ১৯৬৯ সালে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বাঙালি আবার সংগ্রামী হয়ে ওঠে। একুশের চেতনা তাদের ঐক্যবদ্ধ করে। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে অসংখ্য ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমে গণজাগরণে যোগ দেয়।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, লক্ষ মানুষের আত্মত্যাগের ফলে সৃষ্টি হয়েছে এই স্বাধীনতা। স্বাধীনতা অর্জনে প্রাণ দিয়েছে অগণিত নারী-পুরুষ। সম্ভ্রমহানি হয়েছে মা-বোনের। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা বাঙালি জাতির জন্য এক বিজয়গাথা। যুগ যুগ ধরে ইতিহাসের পাতায় সমুজ্জ্বল হয়ে থাকবেন জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানেরা।
আলোচ্য কবিতায় ১৯৬৯ সালে যাঁরা অন্যায় ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও আন্দোলন গড়ে তুলেছেন, তাঁরা মূলত একুশের চেতনায় বলীয়ান হয়েই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য ১৯৬৯ সালে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে মানুষ সংগ্রামী হয়ে উঠেছে। একইভাবে উদ্দীপকেও দেখা যায় বাঙালি কখনো মাথা নত করে না। অধিকার আদায়ে জীবন বিসর্জন দিতে প্রস্তুত। সুতরাং দেখা যায় উদ্দীপক ও আলোচ্য 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতাটি একই চেতনায় সমুজ্জ্বল।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!