'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মূলভাবনা স্বদেশপ্রেম ও স্বাজাত্যবোধ, যা উদ্দীপকে অনুপস্থিত।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় কবি স্বদেশ ও স্বজাতির সঙ্গে বিভীষণের বিশ্বাসঘাতকতার এক মর্মস্পর্শী দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি কবিতাটিতে দেশাত্মবোধে উজ্জীবিত বীর যোদ্ধা মেঘনাদের জবানিতে বিভীষণের এরূপ অবস্থানের নিরর্থকতার দিকটি ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকে বাংলার বীর যোদ্ধা ঈশা খাঁর বিরোচিত আদর্শের দিকটি উন্মোচিত হয়েছে। যুদ্ধের একপর্যায়ে তাঁর তরবারির আঘাতে মানসিংহের তরবারি ভেঙে গেলে তিনি তাঁকে সহজেই হত্যা করতে পারতেন। কিন্তু তিনি তেমনটি করেননি। উপরন্তু তাঁকে আরেকটি ভালো তরবারি উপহার দিয়ে পুনরায় যুদ্ধে আহ্বান জানান। তাঁর এই নৈতিকতা ও আদর্শের দিকটি মেঘনাদের প্রতি লক্ষ্মণের আচরণকে প্রশ্নবিদ্ধ করলেও কবিতাটির মূলভাবনা তা নয়।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতাটি আদর্শ ও নৈতিকতার দ্বন্দ্ব নিয়ে রচিত। এ কবিতার অন্যতম প্রধান চরিত্র বিভীষণ ধর্ম ও নৈতিকতার প্রশ্নে শত্রু রামের পক্ষাবলম্বন করেন। অপরপক্ষে তাঁরই ভ্রাতুষ্পুত্র বীর মেঘনাদ এ সবকিছুর বিপরীতে দেশপ্রেম ও স্বাজাত্যবোধকেই প্রাধান্য দিয়েছে। প্রয়োজন সাপেক্ষে সে ধর্মের উদ্ধৃতি দিয়ে দেখিয়েছে যে স্বদেশ ও স্বজাতিপ্রীতি ধর্মেরই অঙ্গ। আর তাই স্বজাতি-বিদ্বেষকে ধর্মও সমর্থন করে না। আলোচ্য কবিতায় প্রকাশিত এমন ভাবনার বিপরীতে উদ্দীপকটিতে কেবল বীরধর্মের বিষয়টিই স্থান পেয়েছে। সে বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথাযথ।
Related Question
View Allসৌমিত্রি হলেন রাম ও লক্ষ্মণের ভ্রাতা। তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত যোদ্ধা ও দক্ষ শাসক। তিনি রামচন্দ্রের রাজত্বকালে লঙ্কা বিজয়ের সময় রামের প্রধান সহযোগী ছিলেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!