উদ্দীপকের ক্রসের ফলাফল অনুযায়ী, এখানে মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের অনুপাত পাওয়া যায় না। উদ্দীপকের F₂ জনুতে প্রাপ্ত ফিনোটাইপিক অনুপাত ১:৪:৬:৪: ১ যা মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রে প্রাপ্ত ফিনোটাইপিক অনুপাত ৯:৩: ৩:১ অপেক্ষা ভিন্ন।
মেন্ডেলের মতে, জীবের প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একজোড়া ফ্যাক্টর বা জিন নির্দিষ্ট। কিন্তু মানুষের গায়ের রং উচ্চতা, ওজনের ভিন্নতা ইত্যাদির ক্ষেত্রে একাধিক জিন সমন্বিতভাবে কাজ করে। এরূপ একাধিক জিন দ্বারা একটি বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রিত হওয়ার বংশগতিক উত্তরাধিকার ধারা হলো পলিজেনিক ইনহেরিট্যান্স, যা উদ্দীপকের অনুপাতকে নির্দেশ করে। এখানে নিগ্রো ও শ্বেতাঙ্গ লোকের মধ্যে ক্রসের ফলে জনুতে প্রাপ্ত লোকদের গায়ের রং নিগ্রো ও. শ্বেতাঙ্গের মাঝামাঝি অর্থাৎ মিউল্যাটো হয়। জনুতে ১৬ জন লোকের মধ্যে ১ জন নিগ্রো, ৪ জন গাঢ় বর্ণের, ৬ জন মিউল্যাটো, ৪ জন হালকা বর্ণের এবং ১ জন শ্বেতাঙ্গ পাওয়া যায়। এখানে নিগ্রো, গাঢ়, মিউল্যাটো, হালকা ও শ্বেতাঙ্গের অনুপাত পাওয়া যায় ১:৪:৬:৪: ১। অন্যদিকে, মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রানুযায়ী ভাইহাইব্রিড ক্রসে দুই জোড়া বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্যের দিকে দৃষ্টি রেখে 'ক্রস ঘটানো হয় এবং সেখানে ফিনোটাইপিক বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটে প্রকট অ্যালিলিক জিনের মাধ্যমে জনুতে জোড়া বৈশিষ্ট্যের ফিনোটাইপিক
বহিঃপ্রকাশ ঘটে ৯:৩: ৩:১ অনুপাতের মাধ্যমে।
উপরোক্ত আলোচনার সাপেক্ষে বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত জনুতে প্রাপ্ত ফিনোটাইপিক অনুপাতের ভিন্নতা মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের ব্যতিক্রম।
Related Question
View Allমিউট্যান্ট জিন হলো এমন একটি জিন যা মিউটেশনযুক্ত হয়েছে, যার ফলে এটি স্বাভাবিক জিনের তুলনায় ভিন্ন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে, ঠান্ডা লাগলে এবং কানের সংক্রমণের ফলে ওটিটিস মিডিয়া বেশি হয়। এছাড়াও মাতৃদুগ্ধ পান না করলে বা কম পান করলে ওটিটিস মিডিয়া হতে পারে।
উদ্দীপকে মূক-বধিরের প্রতীক দেখানো হয়েছে। দুইজন মূক-বধির ব্যক্তির বিয়ে হলে, জনুতে সবাই স্বাভাবিক হবে কিন্তু এপিস্ট্যাটিক জিন বহন করবে। ফলে জনুতে বিভিন্ন অনুপাতে স্বাভাবিক মূক-বধির সন্তান পাওয়া যাবে। নিচে চেকার বোর্ডের মাধ্যমে জনুর ফলাফল দেখানো হলো-
F₁ জনুর মধ্যে ক্রস:

সুতরাং জনুতে স্বাভাবিক বাক শ্রবণক্ষম এবং মূকবধির সন্তানের সংখ্যা হলো যথাক্রমে ৯ এবং ৭ অর্থাৎ ৯: ৭ অনুপাতে এই বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পাবে।
সুতরাং জনুতে সন্তান-সন্ততির মধ্যে স্বাভাবিক বাক-শ্রবণক্ষম এবং মূক-বধির সন্তানের সংখ্যা হবে 'যথাক্রমে ৯ এবং ৭ অর্থাৎ ৯:৭অনুপাতে এই বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পাবে।
দুইজন মূক বধির ব্যক্তির মধ্যে বিয়ে হলে জনুতে ৯:৭ অনুপাতে স্বাভাবিক বাক-শ্রবণক্ষম ও মূক-বধির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। নিচে এর. জিনতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেওয়া হলো-
দুটি ভিন্ন লোকাসে অবস্থিত দুটি প্রচ্ছন্ন জিন একে অপরের প্রকট অ্যালিলকে বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা প্রদান করলে জিনের সেই আন্তঃক্রিয়াকে বলা হয় দ্বৈত প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিস। মানুষের জন্মগত মূক-বধিরতা দ্বৈত প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিলের কারণে হয়ে থাকে। দুটি ভিন্ন লোকাসে অবস্থিত এপিস্ট্যাটিক প্রচ্ছন্ন জিন এর জন্য দায়ী। এ দুটি জিনের একটি যখন হোমোজাইগাস প্রচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে তখন অন্য প্রকট জিনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা পায়। এখানের জিনোটাইপ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দ্বৈত এপিস্টাটিক জিন dd অথবা ee এর উপস্থিতিতে মূক-বধির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। ও প্রচ্ছন্ন জিন দ্বৈত অবস্থায় থাকার কারণে প্রকট হোমোজাইগাস জিন DD ও EE বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা পায়। ফলে জনুতে স্বাভাবিক বাক-শ্রবণক্ষম ও মূক-বধিরের অনুপাত ৯: ৭ হয়।
জিনগত ভিন্নতার কারণে একই প্রজাতির জীবের মধ্যে যে অমিল দেখা যায় তাই হলো প্রকরণ।
যে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে মাছের বিভিন্ন পাখনার পাখনারশ্মির সংখ্যা প্রকাশ করা হয় তাকে পাখনা সূত্র বলে। রুই মাছের পাখনা সূত্র হলো:
D. 15-16(3/12-13); P1.16-17; P2.9; A. 7(2/5); C. 19 (Rahman, 2005)
এখানে, D = Dorsal fin বা পৃষ্ঠ পাখনা; = Pectoral fin বা বক্ষ
পাখনা; = Pelvic fin বা শ্রোণি পাখনা; A = Anal fin বা. পায়ু
পাখনা এবং C = Caudal fin বা পুচ্ছ পাখনা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!