উদ্দীপক: ভয়াবহ টর্নেডোতে লণ্ডভণ্ড সমস্ত গ্রাম। অসহায় লোকগুলো খোলা আকাশের নিচে বোবা চাউনি মেলে অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটায়। কিন্তু দুর্গত মানুষ একদিনও এলাকার চেয়ারম্যান সাহেবের দেখা পাননি। চেয়ারম্যান কুদ্দুস আলী সাহেব নাকি ঢাকায় জরুরি কাজে ব্যস্ত আছেন। এ সময় তার বন্ধু রাকিব সাহেব দেখেন তাঁর ছেলে অনেক অবৈধ মালামাল ঘরে এনে রেখেছে। তিনি কাল বিলম্ব না করে পুলিশ ডেকে হাতেনাতে ধরিয়ে দেন।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

হযরত উমর (রা.) মদিনায় বসে অর্ধ পৃথিবী শাসন করেছেন।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

হযরত উমর (রা.)-এর আজানের স্বপ্নের সঙ্গে বিশেষভাবে জড়িত। হিজরতের পর মুসলিমরা মদিনায় একত্রিত হয়ে নামাজের জন্য আহ্বান জানানোর পদ্ধতি নিয়ে পরামর্শ করছিলেন। এই সময় হযরত উমর (রা.) স্বপ্নে দেখেন যে, একজন লোক তাকে আজানের নির্দিষ্ট বাক্যগুলো উচ্চারণ করে শিখিয়ে দিচ্ছেন।

পরদিন সকালে হযরত উমর (রা.) তার এই স্বপ্নের কথা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে বর্ণনা করেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) তার স্বপ্নকে সত্য বলে স্বীকৃতি দেন এবং নির্দেশ দেন যে, স্বপ্নে শেখানো এই বাক্যগুলোই যেন আজানের জন্য ব্যবহার করা হয়। এভাবেই হযরত উমর (রা.)-এর স্বপ্নের মাধ্যমে আজানের সূচনা হয়, যা মুসলিম উম্মাহর ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চেয়ারম্যান কুদ্দুস আলী জনদুর্ভোগে উদাসীন ও দায়িত্বহীনতার দিক থেকে 'উমর ফারুক' কবিতার হযরত উমরের জনসেবা ও দায়িত্ববোধের সম্পূর্ণ বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।

কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'উমর ফারুক' কবিতায় মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর (রা.)-এর অনন্য জনসেবা, দায়িত্ববোধ ও প্রজাপীড়নে দৃঢ় অবস্থানের চিত্র ফুটে উঠেছে। তিনি ছিলেন জনগণের প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার। রাতের আঁধারে ছদ্মবেশে তিনি প্রজাদের খোঁজখবর নিতেন এবং তাদের অভাব পূরণে সচেষ্ট থাকতেন। প্রজাদের কল্যাণের জন্য তিনি নিজের ব্যক্তিগত সুখ ও আরাম বিসর্জন দিতে কুণ্ঠাবোধ করেননি। তাঁর শাসনকাল ন্যায়বিচার ও জনকল্যাণের প্রতীক হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।

কিন্তু উদ্দীপকের চেয়ারম্যান কুদ্দুস আলী সম্পূর্ণ এর বিপরীত চিত্র তুলে ধরেছেন। ভয়াবহ টর্নেডোতে যখন গ্রাম লণ্ডভণ্ড, অসহায় মানুষ খোলা আকাশের নিচে অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে, তখন চেয়ারম্যান কুদ্দুস আলী তাদের পাশে নেই। তিনি ঢাকায় জরুরি কাজে ব্যস্ত থাকার অজুহাত দেখিয়েছেন, যা তাঁর দায়িত্বহীনতা ও জনদুর্ভোগের প্রতি উদাসীনতা প্রকাশ করে। হযরত উমর যেখানে প্রজাদের কষ্টে নিজের কষ্ট অনুভব করতেন এবং দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে দ্বিধা করতেন না, সেখানে কুদ্দুস আলী নিজের আরাম ও ব্যক্তিগত ব্যস্ততাকে জনসেবার ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছেন। এটি তাঁর সঙ্গে হযরত উমরের মৌলিক বৈসাদৃশ্য।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য নির্ভীক ও আপসহীন মনোভাব অপরিহার্য। হযরত উমর (রা.) ছিলেন ইসলামের ইতিহাসে এমনই একজন ন্যায়পরায়ণ শাসক, যিনি ক্ষমতার প্রতি নির্মোহ থেকে ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। 'উমর ফারুক' কবিতায় তাঁর এই নির্ভীক, ন্যায়নিষ্ঠ শাসনের দিকটি অত্যন্ত উজ্জ্বলভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

উদ্দীপকে আমরা দেখি, রাকিব সাহেব নিজ সন্তানের অবৈধ কর্মকাণ্ড জানার পর কোনো প্রকার মোহ বা পক্ষপাতিত্ব না করে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ডেকে তাকে ধরিয়ে দেন। এটি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে ন্যায় ও অন্যায়ের প্রতি কঠোর অবস্থান এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য দৃঢ় প্রত্যয়ের দৃষ্টান্ত। তিনি নিজের সন্তানকেও অন্যায়ের ঊর্ধ্বে রাখেননি, যা ন্যায়বিচারের এক অনন্য উদাহরণ।

'উমর ফারুক' কবিতায় বর্ণিত হযরত উমর (রা.) এর শাসনব্যবস্থায় ন্যায় প্রতিষ্ঠা ছিল প্রধান লক্ষ্য। তিনি নিজের দায়িত্ব পালনে ছিলেন আপসহীন এবং তাঁর কাছে ধনী-গরিব, উঁচু-নিচু, এমনকি নিজের আত্মীয়-স্বজনও ন্যায়ের দাঁড়িপাল্লায় সমান ছিল। ক্ষমতার দাপট বা ব্যক্তিগত সম্পর্ক তাঁকে ন্যায় থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। উদ্দীপকের রাকিব সাহেবের নিজ সন্তানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের মধ্য দিয়ে হযরত উমর (রা.) এর এই নির্ভীক ও আপসহীন ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার দিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে। অন্যদিকে চেয়ারম্যান কুদ্দুস আলীর আচরণ ছিল এর সম্পূর্ণ বিপরীত, যা দায়িত্বহীনতা ও অন্যায়ের প্রতি উদাসীনতা প্রকাশ করে।

সুতরাং, উদ্দীপকের রাকিব সাহেবের মধ্যে হযরত উমর (রা.) এর ন্যায়নিষ্ঠ ও আপসহীন শাসনের যে দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণরূপে যুক্তিযুক্ত। তিনি নিজের ব্যক্তিজীবনেই প্রমাণ করেছেন যে, ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে হলে কোনো প্রকার আত্মীয়তার বন্ধন বা ব্যক্তিগত দুর্বলতা কাজ করা উচিত নয়, যা হযরত উমর (রা.) এর চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
43

Related Question

View All
উত্তরঃ

'পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার'- কথাটির মধ্য দিয়ে লেখক বাষ্প্রতিবন্ধী সুভার বিয়ের বয়স হওয়া সত্ত্বেও বিয়ে দিতে না পারায় পিতা-মাতার হৃদয়ের নীরব কষ্টকে বোঝাতে চেয়েছেন।

সুভা বাণীকন্ঠের ছোট মেয়ে। সে কথা বলতে পারে না। বাণীকণ্ঠ তার বড় দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়ায় ছোট মেয়ে সুভাকে বিয়ে দিতে পারেননি। তাই সুভার ভবিষ্যৎ নিয়ে বাণীকণ্ঠ এবং তার স্ত্রী উভয়েই চিন্তিত। সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে তাদের হৃদয়ে নীরব কষ্ট সৃষ্টি হয়। লেখক সেই কষ্টকেই বলেছেন- পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার।

10.9k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম অংশের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার শারীরিক প্রতিবন্ধিতার দিকটির সংগতি দেখানো হয়েছে।

শারীরিক প্রতিবন্ধিতার কারণে অনেকে সমাজে অবহেলার শিকার হয়। এতে সমাজের মানুষ হীনম্মন্যতার পরিচয় দেয়। প্রতিবন্ধীদের প্রতি সহানুভূশীল হলে তবেই তারা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে এবং সমাজে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারবে।

'সুভা' গল্পে সুভা কথা বলতে পারে না। আনন্দের বার্তা নিয়ে পৃথিবীতে এলেও কথা বলতে না পারার বিষয়টি কিছুটা সুভার বাবা- মায়ের মনে নীরব হৃদয়ভারের জন্ম দেয়। উদ্দীপকের কল্যাণীর জন্মও পরিবারে আনন্দ নিয়ে আসে। কিন্তু তার মানসিক প্রতিবন্ধিতার দিকটি সবাইকে চিন্তিত করে তোলে। তার মানসিক বিকাশ কিছুটা কম হয়েছে। 'সুভা' গল্পের সুভাও বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়ায় তার পরিবারের সবার দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এভাবে উদ্দীপকের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার প্রতিবন্ধিতার দিকটি সংগতিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

7.7k
উত্তরঃ

কল্যাণী ও সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন- মন্তব্যটি যথার্থ।

শারীরিক প্রতিবন্ধীরা আমাদের সমাজে বিভিন্নভাবে অবহেলার সম্মুখীন হয়। তারা আমাদের সমাজেরই অংশ, আমাদের মতোই মানুষ। তাই তাদের কল্যাণে এগিয়ে আসা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমাদের সহানুভূতি পেলে তারা জীবনের পূর্ণতা লাভ করবে।

উদ্দীপকে কল্যাণীর মানসিক বিকাশ ঠিকভাবে ঘটেনি। বিয়ের কথাবার্তায় তার বাবা পলাশ বাবু বরপক্ষের কাছে সে সব কথা খুলে বলেন। তারা সব শুনে উদারতার পরিচয় দেন। বরের বাবা সুবোধ বাবু মহত্ত্বের পরিচয় দিয়ে কল্যাণীকে ঘরে নিয়ে যেতে চান। অন্যদিকে 'সুভা' গল্পের সুভা বাষ্প্রতিবন্ধী। সে কথা বলতে পারে না। সবার কাছ থেকে অবহেলা পেলেও সুভা তার বাবার ভালোবাসা পেয়েছে। সুভার সাথে কেউ মেশে না বলে সে পোষা প্রাণীদের মাঝে নিজের একটি বিশাল জগৎ তৈরি করেছে।

উদ্দীপকের কল্যাণী ও 'সুভা' গল্পের সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন। কল্যাণী সুবোধ বাবুর উদারতায় পেয়েছে সুন্দর ভবিষ্যতের সন্ধান। অথচ 'সুভা' গল্পের সুভার পরিণতি এতটা মানবিকতায় সিক্ত হয়নি। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

6k
উত্তরঃ

শঙ্খের মধ্যে যেমন সমুদ্রের শব্দ শুনা যায়, তেমনি এই লাইব্রেরির মধ্যে কি হৃদয়ের উত্থানপতনের শব্দ শুনিতেছ

8.2k
উত্তরঃ

‘জীবিত ও মৃত ব্যক্তির হৃদয় পাশাপাশি এক পাড়ায় বাস করিতেছে’ – উক্তিটির মাধ্যমে গ্রন্থাগার বা বইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বইয়ের পাতায় মৃত বা বিগত প্রজন্মের জ্ঞানী-গুণী মানুষের চিন্তা, দর্শন, অভিজ্ঞতা ও সৃষ্টিশীলতা সংরক্ষিত থাকে। যখন একজন জীবিত পাঠক সেই বই পড়েন, তখন যেন মৃত লেখকের হৃদয় বা মননের সাথে জীবিত পাঠকের মনের নিবিড় সংযোগ ঘটে।

এভাবে বইয়ের মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা জীবিত প্রজন্মের মধ্যে প্রবাহিত হয়, যা মানবজাতির নিরন্তর জ্ঞানচর্চাকে সম্ভব করে তোলে। লেখক এবং পাঠকের এই আত্মিক মিলনকে তুলনা করা হয়েছে একই পাড়ায় বসবাস করা হৃদয়ের সাথে, যেখানে সময় ও স্থানের বাধা অতিক্রম করে জ্ঞান ও উপলব্ধির এক নিরন্তর বিনিময় ঘটে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
6.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews