উন্নয়নশীল দেশগুলো দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ঘাটতি ব্যয় ও অতিরিক্ত অর্থের যোগানসহ অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ করে। ফলে দ্রব্যমূল্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে। এ অবস্থায় বাজারে পর্যাপ্ত দ্রব্য-সামগ্রীর যোগান থাকা সত্ত্বেও নিম্নবিত্ত মানুষের সংসার চালাতে কষ্ট হয়। এজন্য মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের পদক্ষেপ নিতে হয়।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

মুদ্রাস্ফীতি হলো এমন এক অর্থনৈতিক অবস্থা যখন স্বল্প কালের ব্যবধানে দ্রব্যসামগ্রী ও সেবার দাম দ্রুত ও ক্রমাগত বৃদ্ধি পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

সীমিত আয় এবং নিম্ন আয়ের মানুষের উপর মুদ্রাস্ফীতির ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। সীমিত বা স্থির আয়ের এই শ্রেণির প্রকৃত আয় মুদ্রাস্ফীতির সময় কমে যায়। কারণ দামস্তর বৃদ্ধি অনুপাতে মজুরি না বাড়লে, অথবা মজুরি বৃদ্ধি পেলে দামস্তর তার চেয়ে বেশি হারে বৃদ্ধি পেলে দ্রব্যসামগ্রী ক্রয়ের পরিমাণ কমে যায়। ফলে সমাজে ধনী-গরীব বৈষম্য বৃদ্ধি পায় এবং নিম্নবিত্তরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোকে মুদ্রাস্ফীতির কারণগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

⇨ অর্থের যোগান বৃদ্ধি: মুদ্রাস্ফীতির অন্যতম প্রধান কারণ হলো অর্থের যোগান বৃদ্ধি। অর্থের যোগানের বৃদ্ধিতে
মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ে। কিন্তু দ্রব্যের যোগান বৃদ্ধি না পেলে দামস্তর বৃদ্ধি পায়। ফলে মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হয়।
⇨ সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি: আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় কল্যাণমূলক ধারণা প্রবর্তনের ফলে প্রত্যেকটি দেশকে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। তাছাড়া আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সরকারি ব্যয় বেড়েই চলেছে। সরকারি ব্যয় যে হারে বৃদ্ধি পায় সেই অনুপাতে উৎপাদন না বাড়লে দামস্তর বেড়ে যায়।  ফলে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়।
⇨ ব্যাংক ঋণের প্রসার দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ অতিরিক্ত ঋণ প্রদান করলে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়।
ব্যাংকসমূহ অতিরিক্ত ঋণ প্রদান করলে অর্থের যোগান বৃদ্ধি পায় এবং এই অতিরিক্ত অর্থের যোগান দামস্তরকে
উপরে নিয়ে যায়। ফলে মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হয়।
⇒ ঘাটতি ব্যয়: সরকারের আয় অপেক্ষা ব্যয় বেশি হলে ঘাটতি ব্যয়ের সৃষ্টি হয়। ঘাটতি ব্যয়ের অর্থসংস্থানে সরকার নতুন মুদ্রা ছাপালে অর্থের যোগান বাড়ে এবং দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়।
⇨ অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় বৃদ্ধি: সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় বৃদ্ধি পেলে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। সামাজিক অনুষ্ঠান, শিশুপার্ক, স্টেডিয়াম ইত্যাদি ব্যয় বৃদ্ধি ভোগ্য পণ্যের দাম বৃদ্ধি করে। ফলে মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হয়।

অতএব বলা যায়, উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি সহায়ক উল্লিখিত কারণগুলোই বিদ্যমান আছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মুদ্রাস্ফীতির সমস্যা নিয়ন্ত্রণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ নিচে বর্ণনা করা হলো-
উৎপাদন বৃদ্ধি করে মুদ্রাস্ফীতি রোধ করা সম্ভব। এজন্য কৃষি ও শিল্পের আধুনিকায়ন এবং অতি আবশ্যক দ্রব্যসামগ্রীর উৎপাদনের উপর গুরুত্ব আরোপ করে উৎপাদন বৃদ্ধি করলে মুদ্রাস্ফীতির চাপ কমে যাবে। অর্থের যোগানের সাথে দ্রব্যসামগ্রীর দামের সম্পর্ক সমমুখী। অর্থের পরিমাণ তত্ত্বের ফিশারের সমীকরণে বিষয়টি স্পষ্ট। তাই অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে দামস্তর কমে যাবে ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রিত হবে।
খাদ্যঘাটতি হ্রাস করতে পারলে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ যথেষ্ট সহজ হবে। সরকার এ লক্ষ্যে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের উপর জোর প্রদান করে কৃষির উন্নয়নে অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করলে মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস পাবে। আমদানি বৃদ্ধি দেশীয় বাজারে দ্রব্যসামগ্রীর পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করে। আমদানি বৃদ্ধি করে এ দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর যোগান বৃদ্ধি করতে পারলে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
রাজস্বনীতি মুদ্রাস্ফীতি রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। পরোক্ষ করের পরিমাণ কমিয়ে প্রত্যক্ষ করের পরিমাণ বৃদ্ধি করলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যায় ও দামস্তর নিয়ন্ত্রণে থাকে। অন্যদিকে সরকার ঋণ গ্রহণ করে অর্থ সরবরাহ বাজারে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে মুদ্রাস্ফীতি রোধ করতে পারে। ব্যাংক হার, নগদ জমার অনুপাত, খোলা বাজারে ঋণপত্রের ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদি হাতিয়ার মুদ্রানীতিতে অর্থ সরবরাহ কমাতে ব্যবহৃত হয়। মুদ্রানীতি অর্থ সরবরাহ কমিয়ে মুদ্রাস্ফীতির চাপ রোধ করতে সাহায্য করে। উন্নয়নশীল দেশে মুদ্রানীতির বিভিন্ন হাতিয়ার ব্যবহার করে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। প্রতিটি শহরে ন্যায্যমূল্যের দোকান চালু করলে মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস পাবে। এছাড়া মজুতদারি ও চোরাকারবারি রোধ করেও মুদ্রাস্ফীতি রোধ করা সম্ভব।
সুতরাং বলা যায়, সরকারের সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি রোধ করা সম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
32
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

দামস্তর বৃদ্ধির মাত্রা বা হার অনুযায়ী মুদ্রাস্ফীতিকে চার ভাগে ভাগ করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
79
উত্তরঃ

সামগ্রিক চাহিদা সামগ্রিক যোগানের চেয়ে বেশি হলে দামস্তরের বৃদ্ধি ঘটে। দামস্তরের এ ধরনের বৃদ্ধিকে চাহিদা বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি বলে। সাধারণত দ্রব্যবাজারে অতিরিক্ত চাহিদার কারণে এ মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হয়। চাহিদা বৃদ্ধিজনিত। মুদ্রাস্ফীতি মূল্য বাড়ার প্রত্যাশা দ্বারা প্রভাবিত হয়। এ মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সংকোচনমুখী মুদ্রা এবং ফিসক্যাল নীতি অনুসরণ করার প্রয়োজন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
95
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতি পরিস্থিতির কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি উন্নয়নশীল দেশ।
সাধারণভাবে দেখা যায় যে, উন্নয়নশীল দেশে সম্পদের স্বল্পতা, মূলধনের অভাব, প্রযুক্তি জ্ঞানের অভাব, সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাব দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এ অবস্থায় অতিরিক্ত অর্থের যোগান দামস্তরের বৃদ্ধি ঘটায়। ফলে
মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশেও ঠিক একই অবস্থা বর্তমান।
১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধের পর থেকে এ দেশে মুদ্রাস্ফীতি দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৭.৩৫%। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের শেষে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৬.৪১%। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সার্বিকভাবে মুদ্রাস্ফীতির হার ৫.৯২%-এ দাঁড়ায়। বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতির পেছনে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মজুদ ও চোরাচালানের খুব বেশি প্রভাব রয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি সহনীয় রাখার জন্য সরকার রাজস্বনীতি ও মুদ্রানীতির সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
72
উত্তরঃ

যেকোনো দেশে মুদ্রাস্ফীতি সুদূরপ্রসারী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
শুধু অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নয়, সামাজিক ক্ষেত্রেও এর প্রভাব অপরিসীম। বাংলাদেশেও একই অবস্থা বিরাজমান। নিচে উক্ত বিষয়টির প্রভাব বিশ্লেষণ করা হলো-

মুদ্রাস্ফীতি পূর্ণ নিয়োগপূর্ব অবস্থায় উৎপাদন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ফলে মুনাফার প্রত্যাশা উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা দেয়। কিন্তু পূর্ণ নিয়োগ-পরবর্তী অবস্থায় মুদ্রাস্ফীতি উৎপাদন ব্যাহত করে। মুদ্রাস্ফীতি উৎপাদনের মতো কর্মসংস্থানেও একই ধরনের প্রভাব ফেলে। যখন উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, তখন কর্মসংস্থান বা নিয়োগ বেশি থাকে, আবার উৎপাদন কমে গেলে কর্মসংস্থান বা নিয়োগ কমে যায়।
মুদ্রাস্ফীতি আয় ও সম্পদ বণ্টনের উপর কখনও ইতিবাচক, আবার কখনও নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে। আয় ও সম্পদের পূর্ণ বণ্টনে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে কেউ লাভবান, আবার কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুদ্রাস্ফীতি দামস্তরের বৃদ্ধি ঘটানোর ফলে রপ্তানির পরিমাণ কমে যায়। অন্যদিকে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিকূল অবস্থা সৃষ্টি হয়। মুদ্রাস্ফীতির সময় কর, মুনাফা ইত্যাদি বৃদ্ধি পায় বলে সরকারি আয় বেড়ে যায়, আবার দামস্তর বৃদ্ধির কারণে সরকারি ব্যয়ও বৃদ্ধি পায়। মুদ্রাস্ফীতি সামাজিক শ্রেণি বিভাজনের সৃষ্টি করে, ফলে সমাজে ধনবৈষম্য, অর্থাৎ ধনী-দরিদ্র বিরোধ ও অসন্তোষ বিরাজ করে। কলকারখানার শ্রমিক-মালিক বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। সার্বিকভাবে সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়ে সমাজজীবন বিপর্যস্ত হয়ে ওঠে। মুদ্রাস্ফীতি দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করে বলে রাজনৈতিক পরিবেশও বিঘ্নিত হয়।
সবশেষে বলা যায়, স্বাভাবিক মুদ্রাস্ফীতি অর্থনীতির জন্য সমস্যা না হলেও ক্রমাগত দামস্তরের বৃদ্ধিতে অস্বাভাবিক মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিলে অর্থনীতিতে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
77
উত্তরঃ

যে সূচকে কতিপয় দ্রব্য ও সেবা ক্রয়ের ব্যয় পরিমাপ করা হয়, তা-ই হলো ভোক্তার দাম সূচক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
108
উত্তরঃ

বর্তমান বছরের ব্যয়ের সাথে ভিত্তি বছরের ব্যয়ের তুলনা করে ভোক্তার দাম সূচক তৈরি করা হয়। ভিত্তি বছরের দামস্তরকে ১০০ ধরে সাধারণত ভোক্তার দাম সূচক যে হারে বৃদ্ধি পায়, সে হারকে মুদ্রাস্ফীতির হার হিসেবে গণ্য করা হয়। এ ক্ষেত্রে
দাম সূচক (CPI) নিম্নরূপে হিসাব করা হয়-

ভোক্তার দাম সূচক (CPI)  =PnQn POQO×100

এখানে,Pn= বর্তমান সময়ের দাম,

PO= দ্রব্যের পরিমাণ,
QO= ভিত্তি বছরের দাম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
88
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews