উন্নয়নশীল দেশের বৈশিষ্ট্যসমূহ সংক্ষিপ্তভাবে আলোচনা করুন।

Updated: 1 week ago
উত্তরঃ

উন্নয়নশীল দেশ হলো এমন দেশ, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও উন্নত দেশের তুলনায় মাথাপিছু আয়, শিল্পায়ন, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও জীবনযাত্রার মান তুলনামূলকভাবে নি। উন্নয়নশীল দেশের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:

  • মাথাপিছু কম আয়: উন্নয়নশীল দেশগুলোর জনগণের মাথাপিছু আয় উন্নত দেশের তুলনায় অনেক কম। নিম্ন উৎপাদনশীলতা, সীমিত শিল্পায়ন, বেকারত্ব এবং দক্ষ মানবসম্পদের অভাবের কারণে মানুষের আয় কম থাকে। ফলে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা সীমিত হয় এবং দারিদ্র্যের হার তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
  • কৃষির ওপর নির্ভরশীলতা: এ ধরনের দেশের অধিকাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত বীজ, সেচব্যবস্থা এবং যান্ত্রিকীকরণের অভাবে উৎপাদনশীলতা কম থাকে। ফলে কৃষি জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হলেও কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করা কঠিন হয়ে পড়ে।
  • মূলধনের অভাব: নিম্ন আয় ও সীমিত সঞ্চয়ের কারণে শিল্প, ব্যবসা এবং অবকাঠামো উন্নয়নে পর্যাপ্ত মূলধন গড়ে ওঠে না। ফলে দেশীয় বিনিয়োগ কম হয় এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক ঋণ ও বিনিয়োগের ওপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়।
  • বেকারত্ব: দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, সীমিত শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থানের অভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ব্যাপক বেকারত্ব, অর্ধবেকারত্ব এবং ছদ্মবেশী বেকারত্ব দেখা যায়। বিশেষ করে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের মধ্যে শিক্ষিত বেকারত্ব একটি গুরুতর অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখা দেয়।
  • জনসংখ্যা বৃদ্ধির উচ্চ হার: উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জন্মহার তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এর ফলে খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং কর্মসংস্থানের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয় এবং উন্নয়নের সুফল অনেকাংশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
  • নিম্ন জীবনযাত্রার মান: দারিদ্র্য, অপুষ্টি, অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা, নিমানের আবাসন, বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং সীমিত সামাজিক নিরাপত্তার কারণে অধিকাংশ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত দেশের তুলনায় অনেক নিচু থাকে। ফলে গড় আয়ু, স্বাস্থ্য ও মানব উন্নয়ন সূচকেও পিছিয়ে থাকে।
  • স্বল্প সাক্ষরতার হার: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বল্পতা, দারিদ্র্য, শিক্ষার ব্যয় এবং সামাজিক বৈষম্যের কারণে অনেক মানুষ প্রাথমিক শিক্ষাও সম্পন্ন করতে পারে না। ফলে সাক্ষরতার হার তুলনামূলকভাবে কম থাকে এবং দক্ষ ও উৎপাদনশীল মানবসম্পদ গড়ে তোলা কঠিন হয়ে পড়ে।
  • অনগ্রসর প্রযুক্তি: কৃষি, শিল্প এবং সেবাখাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সীমিত হওয়ায় উৎপাদনশীলতা ও পণ্যের গুণগত মান কম থাকে। গবেষণা ও উদ্ভাবনের অভাবও প্রযুক্তিগত উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে, ফলে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে হয়।
  • দুর্বল অবকাঠামো: উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সড়ক, রেল, বন্দর, বিদ্যুৎ, গ্যাস, বিশুদ্ধ পানি, যোগাযোগ এবং ডিজিটাল অবকাঠামো অনেক ক্ষেত্রেই অপর্যাপ্ত বা অনুন্নত থাকে। এর ফলে শিল্পায়ন, বিনিয়োগ, বাণিজ্য এবং সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়।
  • বৈদেশিক সাহায্যের ওপর নির্ভরতা: উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, বাজেট ঘাটতি পূরণ, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং অবকাঠামো নির্মাণের জন্য অনেক উন্নয়নশীল দেশ বিদেশি ঋণ, অনুদান এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার আর্থিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল থাকে। দীর্ঘমেয়াদে অতিরিক্ত বৈদেশিক ঋণ অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 days ago
6

Related Question

View All
উত্তরঃ

NATO (North Atlantic Treaty Organization) তার প্রতিষ্ঠার পর থেকে স্নায়ুযুদ্ধের সময়কালে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলির সম্মিলিত সুরক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর এর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ, বিশেষত ইউক্রেন যুদ্ধ, এর প্রাসঙ্গিকতা নতুন করে প্রতিষ্ঠিত করেছে। জোটটি বর্তমানে নতুন ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ, অভ্যন্তরীণ সংহতি এবং পরিবর্তিত বিশ্ব ব্যবস্থার সাথে খাপ খাওয়ানোর প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

ন্যাটোর বর্তমান চ্যালেঞ্জসমূহ:

        
  • সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ব্যয় বিভাজন: অনেক সদস্য দেশ ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা (জিডিপি-এর ২%) পূরণে ব্যর্থ। এটি জোটের সংহতি ও সক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলে।
  •     
  • রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান আগ্রাসন: ইউক্রেন যুদ্ধ ন্যাটোর পূর্বাঞ্চলীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে এবং জোটের সম্মিলিত প্রতিরক্ষার (আর্টিকেল ৫) প্রতিশ্রুতির উপর চাপ সৃষ্টি করেছে।
  •     
  • চীনের উত্থান: চীনকে ন্যাটোর কৌশলগত হুমকির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা, হাইব্রিড যুদ্ধ এবং চীনের সামরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ন্যাটোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
  •     
  • অভ্যন্তরীণ বিভাজন: তুরস্কের মতো সদস্য দেশের ভিন্ন নীতি, যেমন রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক বা সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের সদস্যপদ নিয়ে প্রাথমিক আপত্তি, ন্যাটোর অভ্যন্তরীণ ঐক্যকে চ্যালেঞ্জ করে।
  •     
  • নতুন হুমকি: জলবায়ু পরিবর্তন, সন্ত্রাসবাদ, সাইবার আক্রমণ এবং মহাকাশ নিরাপত্তা এখন ন্যাটোর বিবেচনাধীন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ন্যাটোর ভবিষ্যতের সম্ভাবনা:

        
  • পুনরুজ্জীবিত সম্মিলিত প্রতিরক্ষা: ইউক্রেন যুদ্ধ ন্যাটোর মূল লক্ষ্য, সম্মিলিত প্রতিরক্ষা, পুনরুজ্জীবিত করেছে। ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের মতো নিরপেক্ষ দেশগুলোর সদস্যপদ লাভের আগ্রহ জোটের সম্প্রসারণ ও শক্তি বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।
  •     
  • প্রযুক্তিগত অভিযোজন: ন্যাটো সাইবার প্রতিরক্ষা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অত্যাধুনিক সামরিক প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।
  •     
  • বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব: ন্যাটো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অংশীদারিত্ব বাড়িয়ে বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তার প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে।
  •     
  • স্থিতিস্থাপকতা ও অভিযোজন ক্ষমতা: স্নায়ুযুদ্ধের পর থেকে ন্যাটো তার কৌশলগত ধারণা একাধিকবার পরিবর্তন করে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষমতা দেখিয়েছে, যা এর ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক।

উপসংহার:

একটি আন্তর্জাতিক জোট হিসেবে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ একাধিক চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনার সংমিশ্রণ। রাশিয়ার আগ্রাসন এর মূল উদ্দেশ্যকে পুনরায় কেন্দ্রবিন্দুতে এনেছে এবং এর সংহতিকে শক্তিশালী করেছে। তবে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য বজায় রাখা, নতুন ভূ-রাজনৈতিক হুমকি মোকাবিলা করা এবং প্রতিরক্ষা ব্যয় বিভাজন সংক্রান্ত সমস্যাগুলো সমাধান করা এর দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের জন্য অপরিহার্য। ন্যাটো যদি এই চ্যালেঞ্জগুলো সফলভাবে মোকাবিলা করতে পারে এবং পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের সাথে মানিয়ে নিতে পারে, তবে এটি ভবিষ্যতেও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তায় একটি অপরিহার্য শক্তি হিসেবে টিকে থাকবে এবং এর প্রাসঙ্গিকতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
10
উত্তরঃ পঞ্চম শিল্প বিপ্লব হলো মানবীয় বুদ্ধিমত্তা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি টেকসই, মানব-কেন্দ্রিক এবং পরিবেশ-বান্ধব ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের প্রক্রিয়া।

পঞ্চম শিল্প বিপ্লব (Fifth Industrial Revolution - 5IR) চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের (4IR) প্রযুক্তিগত ভিত্তি, যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT), বিগ ডেটা, রোবোটিক্স এবং ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠলেও এর মূল দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন। যেখানে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মূলত প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং স্বয়ংক্রিয়তার ওপর জোর দিয়েছিল, সেখানে পঞ্চম শিল্প বিপ্লব মানবীয় বুদ্ধিমত্তা এবং প্রযুক্তির মধ্যে এক গভীরতর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে। এর মূল লক্ষ্য হলো প্রযুক্তিকে আরও মানবিক, টেকসই এবং মানবকল্যাণমুখী করে তোলা।

পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:

        
  • মানব-এআই সহযোগিতা: এই বিপ্লবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানবীয় ক্ষমতাকে প্রতিস্থাপন না করে বরং এটিকে বর্ধিত করতে কাজ করে। মানব ও রোবটের মধ্যে নির্বিঘ্ন সহযোগিতা (Human-Robot Collaboration - HRC) উৎপাদনশীলতা, সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবনকে নতুন স্তরে উন্নীত করে।
  •     
  • টেকসই উন্নয়ন ও স্থিতিস্থাপকতা: পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, সম্পদের সঠিক ব্যবহার এবং টেকসই উৎপাদন প্রক্রিয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। এটি জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি সংকট এবং পরিবেশ দূষণের মতো বৈশ্বিক সমস্যা সমাধানের জন্য প্রযুক্তিকে ব্যবহার করার দিকে মনোনিবেশ করে।
  •     
  • মানব-কেন্দ্রিকতা: প্রযুক্তির নকশা এবং প্রয়োগে মানুষের চাহিদা, সুস্থতা এবং নৈতিকতা কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি নিশ্চিত করে যে প্রযুক্তি মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করবে এবং সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
  •     
  • ব্যক্তিগতকরণ: ডেটা ও এআই ব্যবহার করে পণ্য, পরিষেবা এবং অভিজ্ঞতাকে আরও ব্যক্তিগতকৃত এবং উপযোগী করে তোলা হয়, যা প্রতিটি ব্যক্তির স্বতন্ত্র চাহিদা পূরণ করে।
  •     
  • নৈতিকতা ও স্বচ্ছতা: এআই এবং অন্যান্য প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে নৈতিক মানদণ্ড, ডেটা গোপনীয়তা এবং অ্যালগরিদমিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়, যাতে প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ করা যায়।

সংক্ষেপে, পঞ্চম শিল্প বিপ্লব কেবল প্রযুক্তির অগ্রগতি নয়, বরং এটি মানবতা এবং প্রযুক্তির সহাবস্থানের একটি দর্শন, যা একটি আরও ন্যায়সঙ্গত, টেকসই এবং উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
7
উত্তরঃ

গাজায় শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে জাতিসংঘের প্রধান ভূমিকা ছিল আন্তর্জাতিক বৈধতা ও অনুমোদন প্রদান করা। এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ—

যুক্তরাষ্ট্রের খসড়া করা প্রস্তাব অনুমোদন করে, যার মাধ্যমে গাজার যুদ্ধবিরতি থেকে স্থায়ী শান্তি ও পুনর্গঠনের প্রক্রিয়াকে আন্তর্জাতিক সমর্থন দেওয়া হয়।

‘বোর্ড অব পিস’ নামে একটি অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষ গঠন এবং গাজায় আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী বাহিনী (ISF) মোতায়েনের অনুমোদন দেয়।

আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠনের জন্য আইনি ও কূটনৈতিক বৈধতা প্রদান করে, যাতে বিভিন্ন দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে এতে অংশ নিতে পারে।

গাজার পুনর্গঠন, মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা এবং নিরাপদ করিডোর নিশ্চিত করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক কাঠামো প্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি করে।

অর্থাৎ, গাজা শান্তি চুক্তিতে জাতিসংঘের ভূমিকা ছিল মূলত প্রস্তাব অনুমোদনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও বৈধতা প্রদান এবং শান্তি ও পুনর্গঠনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠনের পথ সুগম করা।

10
উত্তরঃ

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং ভূ-রাজনীতির অধ্যয়নে 'আন্তর্জাতিক সম্পদ' এবং 'আন্তর্জাতিক রাজনীতি' দুটি অত্যন্ত মৌলিক ও বহুল আলোচিত প্রত্যয়। আপাতদৃষ্টিতে এদের একটির সাথে অপরটির গভীর যোগসূত্র থাকলেও তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক দিক থেকে এদের মধ্যে সুনির্দিষ্ট কিছু পার্থক্য বিদ্যমান, যা নিচের সারণিতে আলোচনা করা হলো:

পার্থক্যের বিষয়আন্তর্জাতিক সম্পদআন্তর্জাতিক রাজনীতি
১. মূল সংজ্ঞাএটি বলতে পৃথিবীর এমন সব প্রাকৃতিক বা বস্তুগত উপাদানকে বোঝায় যা কোনো নির্দিষ্ট দেশের সীমানায় নয়, বরং সমগ্র মানবজাতির যৌথ মালিকানাধীন।এটি হলো সার্বভৌম রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে ক্ষমতা, কূটনীতি, জাতীয় স্বার্থ, দ্বন্দ্ব, সহযোগিতা ও চুক্তি পরিচালনার সামগ্রিক প্রক্রিয়া।
২. প্রকৃতির ধরনএটি একটি ভৌগোলিক বা ভৌত উপাদান।এটি একটি প্রক্রিয়া বা মনস্তাত্ত্বিক ব্যবস্থা
৩. মূল লক্ষ্যএই সম্পদের টেকসই ব্যবহার ও বণ্টন এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।নিজের দেশের জাতীয় স্বার্থ উদ্ধার এবং বিশ্বমঞ্চে ক্ষমতা ও প্রভাব সুসংহত করা।
৪. পারস্পরিক সম্পর্কআন্তর্জাতিক সম্পদগুলো কীভাবে ভাগ বা রক্ষা করা হবে, তা নির্ধারণের জন্য আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রয়োজন হয়।আন্তর্জাতিক সম্পদ ও তার আন্তর্জাতিক রাজনীতির দ্বন্দ্বের প্রধান কারণ হয়ে নিয়ন্ত্রণ অনেক সময় দাঁড়ায় (যেমন: আর্কটিক অঞ্চলের খনিজ নিয়ে রাজনীতি)।
৫. উদাহরণঅ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ, গভীর সমুদ্রের তলদেশ, বায়ুমণ্ডল, ওজোন স্তর এবং মহাকাশ।পরাশক্তিদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, ন্যাটোর সম্প্রসারণ, মধ্যপ্রাচ্য সংকট, বা জাতিসংঘের সম্মেলনসমূহ।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 days ago
6
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews