উপজেলার চেয়ারম্যান সেলিম সাহেব তার এলাকার অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য তাঁর পার্শ্ববর্তী অনেকগুলো এলাকা ও চরাঞ্চলসমূহে একাধিকবার অভিযান চালান এবং প্রতিটি অভিযানেই তিনি বাঁধা-বিঘ্ন উপেক্ষা করে সফল হন। প্রত্যেক অভিযান শেষে তিনি ঐ এলাকার ধন-সম্পদ, মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে নিজ এলাকায় ফিরে আসেন। সংগৃহীত অর্থ তিনি জনহিতকর কাজে ব্যয় করেন। তিনি সকল ধর্মের মানুষের সাথে সু-সম্পর্ক রাখায় বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সাথে মুসলমানদের মধ্যে সম্পর্ক সুদৃঢ় হয়। 

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ হযরত উসমান (রা.) এর আমলে মুসলমানগণ ভারত অভিযানের চেষ্টা করেন।
Satt AI
Satt AI
1 day ago
উত্তরঃ

সিন্ধু অভিযানের মূল কারণগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো দেবলের জলদস্যুদের দ্বারা আরব বণিকদের জাহাজ লুট, সিন্ধুরাজ দাহিরের অসহযোগিতা ও ঔদ্ধত্য, এবং মুসলিম সাম্রাজ্যের বিস্তার ও ইসলামের প্রসার।

দেবলের জলদস্যুরা আরব বণিকদের জাহাজ আটক ও লুণ্ঠন করলে উমাইয়া খলিফা প্রথম ওয়ালিদ এবং ইরাকের শাসক হাজ্জাজ বিন ইউসুফ এর প্রতিকার চেয়ে সিন্ধুরাজ দাহিরের কাছে চিঠি পাঠান। কিন্তু দাহির এতে অস্বীকৃতি জানালে আরবরা সিন্ধু অভিযানে প্রেরিত হয়, যা মুসলিমদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষার জন্য অপরিহার্য ছিল এবং এর মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামের প্রসারও ঘটে।

Satt AI
Satt AI
1 day ago
উত্তরঃ

Question Type: Creative Question (সৃজনশীল প্রশ্ন - CQ)

Sub-question Mark/Type: 'গ' (3 Marks), requiring application of knowledge (প্রয়োগমূলক).

Target Audience: Dakhil Class 9 & 10 students.

Subject: ইসলামের ইতিহাস (History of Islam).

Question Content: This question prompts students to identify a historical Indian invader who shares similarities with the character 'সেলিম সাহেব' (Chairman Selim) described in the provided passage (উদ্দীপক) and to elaborate on those resemblances. The passage depicts Selim as a leader who conducts multiple expeditions for economic progress, overcomes obstacles, collects wealth, dedicates collected funds to public welfare, and promotes religious harmony. Students are expected to apply their knowledge of historical figures from the curriculum to establish a logical connection with the characteristics presented in the stem.

Satt AI
Satt AI
1 day ago
উত্তরঃ

উপজেলার চেয়ারম্যান সেলিম সাহেবের অভিযানসমূহের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ফলাফল সুদূরপ্রসারী ছিল, যা তার এলাকার অর্থনৈতিক উন্নতির পাশাপাশি সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তার জনহিতকর কাজ এবং সকল ধর্মের মানুষের প্রতি সু-সম্পর্ক স্থাপনের নীতি সমাজে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছিল।

উদ্দীপকে দেখা যায়, সেলিম সাহেব তার অভিযানের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ জনহিতকর কাজে ব্যয় করতেন। এর পাশাপাশি তিনি সকল ধর্মের মানুষের সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রাখতেন, যার ফলে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সাথে মুসলমানদের সম্পর্ক সুদৃঢ় হয়। এই দুটি বিষয়ই অভিযানের প্রত্যক্ষ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ফলাফল বিশ্লেষণে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। অভিযানের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়ন নয়, বরং সম্মিলিত জনকল্যাণের মাধ্যমে একটি সুস্থ সমাজ গঠনে সহায়ক হয়েছে।

ধর্মীয় দিক থেকে, সেলিম সাহেবের সকল ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও সু-সম্পর্ক স্থাপনের প্রচেষ্টা একটি অসাম্প্রদায়িক সমাজের ভিত্তি স্থাপন করে। ইসলাম ধর্মে সকল ধর্মাবলম্বীর প্রতি সদ্ব্যবহার ও সহাবস্থানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেলিম সাহেবের এই উদ্যোগ ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহনশীলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, যা সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি করে। এর ফলে বিভেদ কমে আসে এবং ধর্ম নিরপেক্ষতার মূল্যবোধ বিকশিত হয়।

সাংস্কৃতিক দিক থেকে, জনহিতকর কাজ এবং আন্তঃধর্মীয় সর্ম্পক সুদৃঢ় হওয়ার কারণে একটি সহাবস্থানমূলক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটে। যখন বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয় এবং সম্মিলিতভাবে জনকল্যাণে অংশ নেয়, তখন একটি মিশ্র ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতির সৃষ্টি হয়। এই সংস্কৃতিতে প্রতিটি ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নিজস্ব ঐতিহ্য ও প্রথা বজায় থাকে, কিন্তু একই সাথে তারা একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সহনশীল মনোভাব নিয়ে বসবাস করে। ফলস্বরূপ, সেলিম সাহেবের এই অভিযানগুলো শুধু অর্থনৈতিক নয়, বরং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক দিক থেকেও সমাজের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ ছিল, যা একটি ঐক্যবদ্ধ ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গঠনে অবদান রাখে।

Satt AI
Satt AI
1 day ago
68

Related Question

View All
উত্তরঃ পৃথ্বীরাজ চৌহান।
Satt AI
Satt AI
1 day ago
উত্তরঃ

তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধের মধ্যদিয়ে ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের ভিত্তি স্থাপিত হয়।

১১৯২ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত এই যুদ্ধে সুলতান মুহাম্মদ ঘোরী পৃথ্বীরাজ চৌহানকে পরাজিত করেন। এই ঐতিহাসিক বিজয়ের ফলে ভারতে তুর্কি শাসনের পথ সুগম হয় এবং পরবর্তীতে দিল্লি সালতানাত প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভারতবর্ষে দীর্ঘস্থায়ী মুসলিম শাসনের গোড়াপত্তন ঘটে।

Satt AI
Satt AI
1 day ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সালাউদ্দীন আইয়ুবীর ঘটনার সাথে ভারতে মুসলিম অভিযানকারী মুহাম্মদ ঘুরি'র অভিযানের সাদৃশ্য রয়েছে। উদ্দীপকের সালাউদ্দীন আইয়ুবী যেমন প্রাথমিকভাবে অসুস্থ হয়ে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পিছু হটেছিলেন এবং পরবর্তীতে প্রস্তুতি নিয়ে ফিরে এসে বিজয় অর্জন করেছিলেন, মুহাম্মদ ঘুরিও একই ধরনের কৌশল অবলম্বন করেছিলেন।

মুহাম্মদ ঘুরি ১১৯১ খ্রিস্টাব্দে তরাইনের প্রথম যুদ্ধে চৌহান রাজা পৃথ্বীরাজ চৌহানের কাছে পরাজিত হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় ফিরে যেতে বাধ্য হন। এই পরাজয়ের পর তিনি উদ্দীপকের সালাউদ্দীন আইয়ুবীর মতো মনোবল না হারিয়ে এক বছর ধরে তার সেনাবাহিনীকে নতুন করে প্রশিক্ষণ দেন, সুসংগঠিত করেন এবং ব্যাপক সামরিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। এরপর মুহাম্মদ ঘুরি পুনরায় তার পূর্ব শত্রু পৃথ্বীরাজ চৌহানের বিরুদ্ধে ১১৯২ খ্রিস্টাব্দে তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে অবতীর্ণ হন এবং তাকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করে ভারতে মুসলিম শাসনের ভিত্তি স্থাপন করেন।

এই বিজয়ের পর মুহাম্মদ ঘুরি ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকা নিজের অধিকারে নিয়ে আসেন। উদ্দীপকের সালাউদ্দীন আইয়ুবীর মতো তিনিও বিজিত নতুন এলাকায় তার বিশ্বস্ত ও যোগ্য সেনাপতি কুতুবউদ্দীন আইবেককে দায়িত্ব দিয়ে নিজ রাজ্যে ফিরে যান। এভাবে প্রাথমিক ব্যর্থতার পর দৃঢ় সংকল্প, সুপরিকল্পিত প্রস্তুতি এবং শেষ পর্যন্ত বিজয় অর্জনের মাধ্যমে সালাউদ্দীন আইয়ুবী (উদ্দীপকে বর্ণিত) ও মুহাম্মদ ঘুরি'র সামরিক অভিযান প্রক্রিয়ার মধ্যে সুস্পষ্ট সাদৃশ্য বিদ্যমান।

Satt AI
Satt AI
1 day ago
উত্তরঃ

ঘ নং প্রশ্নের উত্তর:

উদ্দীপকে সালাউদ্দীন আইয়ূবী তার বিজিত অঞ্চলের দায়িত্ব একজন বিশ্বস্ত সেনাপতির হাতে তুলে দিয়ে নিজ রাজ্যে ফিরে যান, যা তার দূরদর্শী ও বিচক্ষণ নেতৃত্বের পরিচয় বহন করে। এই পদ্ধতির সাথে ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাকারী মুহাম্মদ ঘুরীর নীতিগত মিল বিদ্যমান, যিনি তার বিশ্বস্ত সেনাপতি কুতুবুদ্দিন আইবককে ভারতের বিজিত অঞ্চলসমূহের দায়িত্ব দিয়ে মুসলিম সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। তাই, উদ্দীপকের সালাউদ্দীন আইয়ূবীর মতো উক্ত মুসলিম অভিযানকারীও তার একজন বিশ্বস্ত সেনাপতিকে দায়িত্ব দিয়ে ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন – এই মতামতের সাথে আমি সম্পূর্ণরূপে একমত।

পাঠ্যবইয়ের আলোকে দেখা যায়, মুহাম্মদ ঘুরী যখন ভারত অভিযান শুরু করেন, তখন তার প্রধান লক্ষ্য ছিল ভারতে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করা। দ্বিতীয় তরাইনের যুদ্ধে পৃথ্বীরাজ চৌহানকে পরাজিত করার পর তার বিজয়ের পথ প্রশস্ত হয়। কিন্তু ঘুরীর পক্ষে বিজিত বিশাল ভারতীয় ভূখণ্ডের শাসনভার নিজ হাতে রেখে কেন্দ্রীয়ভাবে দেশ পরিচালনা করা সম্ভব ছিল না। উদ্দীপকের সালাউদ্দীনের মতো তিনিও অনুধাবন করেছিলেন যে, একটি শক্তিশালী ও সুসংহত মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে হলে স্থানীয়ভাবে একজন যোগ্য ও বিশ্বস্ত প্রতিনিধি থাকা আবশ্যক।

মুহাম্মদ ঘুরী তার বিশ্বস্ত ও সুযোগ্য সেনাপতি কুতুবুদ্দিন আইবককে ভারতের অধিকৃত অঞ্চলসমূহের গভর্নর হিসেবে নিযুক্ত করেন। আইবকের উপর দায়িত্ব ছিল ঘোরীর অনুপস্থিতিতে বিজিত অঞ্চলের শাসনভার পরিচালনা করা, সাম্রাজ্য বিস্তার করা এবং মুসলিম শাসনকে সুসংহত করা। কুতুবুদ্দিন আইবক অত্যন্ত দক্ষতা ও সাহসিকতার সাথে এই দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দিল্লি, আজমির, কোয়েল (আলিগড়) সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল জয় করে ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্যের ভিত্তি মজবুত করেন। তাঁর এই কার্যকলাপের মাধ্যমেই মূলত ভারতে মুসলিম শাসনের গোড়াপত্তন হয়, যা পরবর্তীতে দিল্লি সালতানাত হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

উপসংহারে বলা যায়, সালাউদ্দীন আইয়ূবী যেভাবে তার বিজিত অঞ্চলের সুশাসন নিশ্চিত করতে একজন সৎ ও যোগ্য সেনাপতির উপর আস্থা রেখেছিলেন, মুহাম্মদ ঘুরীও ঠিক একই বিচক্ষণতা ও কৌশল অবলম্বন করে কুতুবুদ্দিন আইবকের হাতে ভারতের প্রশাসনিক ও সামরিক দায়িত্ব অর্পণ করেন। এই দূরদর্শী পদক্ষেপের ফলেই ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা ও সুদূরপ্রসারী ভিত্তি লাভ সম্ভব হয়েছিল। সুতরাং, উদ্দীপকের বক্তব্যটি পাঠ্যবইয়ের তথ্যের আলোকে সম্পূর্ণ সঠিক ও যৌক্তিক।

Satt AI
Satt AI
1 day ago
87
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews