উপযুক্ত শব্দ বসিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করুন :

Updated: 3 years ago
উত্তরঃ দুর্বল

প্রদত্ত বাক্যটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প 'মহেশ' থেকে নেওয়া হয়েছে। গফুর একজন দরিদ্র কৃষক এবং মহেশ তার প্রিয় বলদ। এই বাক্যে গফুরের শারীরিক ও মানসিক বিপর্যস্ত অবস্থা বোঝাতে 'দুর্বল' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।

গফুরের এই দুর্বল মাথা নাড়া তার চরম দারিদ্র্য, ক্ষুধা এবং সমাজের বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার প্রতি এক নীরব প্রতিবাদের প্রতীক। গল্পে গফুরের অসহায়ত্ব এবং মহেশের প্রতি তার গভীর ভালোবাসা করুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। শূন্যস্থানে 'দুর্বল' শব্দটি বসিয়ে বাক্যটির মাধ্যমে গফুরের দুর্দশা এবং তার ভেতরের তীব্র কষ্টকে প্রকাশ করা হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ গরু

এটি বিখ্যাত সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'মহেশ' গল্পের একটি অংশ। এই গল্পে দরিদ্র কৃষক গফুরের একমাত্র অবলম্বন ছিল তার প্রিয় বলদ মহেশ। গফুর মহেশকে নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসতো এবং মহেশও ছিল গফুরের অত্যন্ত অনুগত। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে, বিশেষত খরা ও অভাবের কারণে গফুর মহেশকে ঠিকমতো খেতে দিতে পারছিল না, যার ফলস্বরূপ মহেশকে চূড়ান্ত দুঃখজনক পরিণতির শিকার হতে হয়।

গল্পটি গ্রামীণ জীবনের দারিদ্র্য, মানুষের প্রতি পশুর নিবিড় ভালোবাসা, জমিদারী প্রথার শোষণ এবং তৎকালীন সমাজের নির্মম বাস্তবতাকে অত্যন্ত মর্মস্পর্শীভাবে তুলে ধরে। এটি শরৎচন্দ্রের অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলা সাহিত্যের এক কালজয়ী সৃষ্টি।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ ভবিষ্যতের

এই শূন্যস্থানে 'ভবিষ্যতের' শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত। বাক্যটিতে বোঝানো হচ্ছে যে কন্যার ভবিষ্যৎ বা মঙ্গলের কথা ভেবেই ব্যক্তিটি কলকারখানায় চাকরি নিতে চাননি। 'ভবিষ্যতের' শব্দটি দ্বারা কন্যার মঙ্গল, উন্নতি বা ভালো বোঝানো হচ্ছে যা এই প্রসঙ্গে যৌক্তিক এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ জলে

"ছলের টাকা জলে যায়" একটি বহুল প্রচলিত বাংলা প্রবাদ। এর অর্থ হলো, ছলনা বা প্রতারণার মাধ্যমে অন্যায়ভাবে অর্জিত অর্থ বা সম্পদ স্থায়ী হয় না, বরং তা কোনো না কোনোভাবে নষ্ট হয়ে যায়। এই প্রবাদটি নৈতিকতার গুরুত্ব বোঝায় এবং এই বার্তা দেয় যে অসৎ উপায়ে অর্জিত কোনো কিছুই শুভ ফল বয়ে আনে না। সমাজে সততা ও ন্যায়পরায়ণতার মূল্য বোঝানোর জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ সরলা

বাংলা ব্যাকরণে বিশেষণ পদের লিঙ্গান্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণত বিশেষণ পদের লিঙ্গান্তর হয় না, যেমন – সুন্দর ফুল, ভালো ছেলে। কিন্তু কিছু বিশেষণ আছে যা বিশেষ্য পদের লিঙ্গ অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়, বিশেষ করে যখন বিশেষণটি কোনো ব্যক্তিবাচক বিশেষ্যকে নির্দেশ করে এবং বিশেষ্যটি স্ত্রীলিঙ্গ হয়।

এখানে, 'সরল' একটি বিশেষণ পদ। যখন এটি কোনো পুরুষকে নির্দেশ করে, তখন 'সরল' ব্যবহৃত হয় (যেমন: সরল বালক, সরল মানুষ)। কিন্তু যখন এটি কোনো নারীকে নির্দেশ করে, তখন বিশেষণটির স্ত্রীলিঙ্গ রূপ 'সরলা' ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণস্বরূপ:

  • সরল বালক (Simple boy)
  • সরলা বালিকা (Simple girl)
  • সরল পুরুষ (Simple man)
  • সরলা নারী (Simple woman)

প্রদত্ত বাক্যে 'নারী' একটি স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ। তাই 'সরল' বিশেষণটির স্ত্রীলিঙ্গ রূপ 'সরলা' ব্যবহার করা সঠিক।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ অপ্রতিদ্বন্দ্বী

প্রদত্ত শূন্যস্থানটি পূরণ করতে সঠিক শব্দটি হলো 'অপ্রতিদ্বন্দ্বী'। সম্পূর্ণ বাক্যটি দাঁড়ায়: "প্রলুব্ধ করতেও অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন হাসান মামা।"

এই বাক্যটি বিখ্যাত বাঙালি কবি শামসুর রাহমানের "হাসান মামা" শীর্ষক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। তার "বন্দী শিবির থেকে" কাব্যগ্রন্থের (১৯৭২ সালে প্রকাশিত) অন্তর্গত এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। এখানে 'অপ্রতিদ্বন্দ্বী' শব্দটি হাসান মামার প্রলুব্ধ করার বা প্ররোচিত করার অসাধারণ ও অনন্য ক্ষমতাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোতে বাংলা সাহিত্যের পঙ্‌ক্তি বা উদ্ধৃতি থেকে শূন্যস্থান পূরণের প্রশ্ন প্রায়শই এসে থাকে, তাই এ ধরনের সাহিত্যিক প্রজ্ঞা থাকা জরুরি।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ ধর্ষণ

প্রদত্ত বাক্যটি একটি গুরুতর অপরাধের প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে ন্যায়বিচারের দাবি প্রকাশ করে।

  • বাক্যটির গঠন: "যারা তাকে – করেছে, চাঁদপুরের মাজেদা তাদের ফাসি চায়।"
  • এখানে "ফাসি চায়" অংশটি নির্দেশ করে যে, শূন্যস্থানে এমন একটি অপরাধ বসাতে হবে যা মৃত্যুদণ্ড (ফাঁসি) চাওয়ার মতো গুরুতর।
  • 'ধর্ষণ' (rape) এমন একটি জঘন্য অপরাধ, যার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে প্রায়শই অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি, অর্থাৎ ফাঁসি দাবি করা হয়।
  • শব্দটি বাক্যের অর্থকে সম্পূর্ণ ও যৌক্তিক করে তোলে এবং বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপটে এই ধরনের বাক্যের সাথে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
  • ব্যাকরণগতভাবে, 'ধর্ষণ' শব্দটি ক্রিয়ার মূল হিসেবে বসে 'ধর্ষণ করেছে' রূপে বাক্যটিকে পূর্ণ করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ এক টাকা

নাটোরের রাণী ভবানীর দীঘি একটি ঐতিহাসিক ও জনগুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। ২০১১ সালে স্থানীয় প্রশাসন সরকারি সিদ্ধান্তের অজুহাতে এই দীঘিটি প্রতীকী মূল্যে (মাত্র এক টাকা) লিজ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে, যা ব্যাপক জনবিক্ষোভের সৃষ্টি করে।

জনগণের তীব্র প্রতিবাদের মুখে সরকার এই লিজ প্রক্রিয়া বাতিল করতে বাধ্য হয় এবং দীঘিটি সরকারি সম্পত্তি হিসেবেই সংরক্ষিত থাকে। রাণী ভবানী ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত জমিদার ও জনহিতকর শাসক, যিনি তাঁর অসংখ্য জনহিতকর কাজের জন্য সুপরিচিত। এই দীঘি তাঁর স্মৃতি এবং নাটোরের ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ রিমান্ড

রিমান্ড (Remand) হলো বিচারিক প্রক্রিয়ার একটি অংশ যেখানে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পুলিশের হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ বা তদন্ত করার অনুমতি দেওয়া হয়।

        
  • এটি সাধারণত একজন ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারক কর্তৃক অনুমোদিত হয়, যখন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার মনে হয় যে, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আলামত উদ্ধার হতে পারে।
  •     
  • ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) অনুযায়ী, পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য রিমান্ড চাওয়া হয়।
  •     
  • রিমান্ডের মূল উদ্দেশ্য হলো অপরাধের তথ্য উদঘাটন করা, আলামত সংগ্রহ করা এবং তদন্তের অগ্রগতি নিশ্চিত করা। এটি কোনো শাস্তি নয়, বরং তদন্তের একটি কৌশল।
  •     
  • আইন অনুযায়ী, সাধারণত প্রথম দফায় নির্দিষ্ট দিনের জন্য রিমান্ড মঞ্জুর করা হয় এবং প্রয়োজন সাপেক্ষে পুনরায় রিমান্ডের আবেদন করা যেতে পারে। তবে এরও সুনির্দিষ্ট আইনি সীমা ও শর্ত রয়েছে।
  •     
  • প্রদত্ত বাক্যটিতে, তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করার পর তাদের বিরুদ্ধে আরও তথ্য উদঘাটনের জন্য ৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার বিষয়টি নির্দেশ করছে।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
288

মীর মশাররফ হোসেন (১৮৪৭-১৯১১)

আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম উল্লেখযোগ্য মুসলিম সাহিত্যিক বা গদ্য লেখক, নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেন। তিনি কাব্য, নাটক, প্রহসন, উপন্যাস ও প্রবন্ধ রচনা করে আধুনিক বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত সমৃদ্ধ ধারা প্রবর্তন করেন। তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের সমন্বয়ধর্মী ধারার প্রবর্তক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।

  • মীর মশাররফ হোসেন ১৩ নভেম্বর, ১৮৪৭ সালে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার লাহিনীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
  • ছদ্মনাম গাজী মিয়া।
    তাঁর সাহিত্য গুরু কাঙাল হরিনাথ।
  • ১৯ মে, ১৮৬৫ সালে মশাররফ হোসেনের সাথে নাদির হোসেনের সুন্দরী কন্যা লতিফননেসার বিবাহ স্থির হয়। কিন্তু বিয়ের রাতে নাদির হোসেন কর্তৃক কন্যা বদল করে ডা কুরূপা ও বুদ্ধিহীনা কন্যা আজিজননেসার সাথে মশাররণে বিবাহ সম্পন্ন হয়। তাই দাম্পত্য জীবনে তিনি সুখী হননি ফলে তিনি বিবি কুলসুমকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন।
  • তিনি কলকাতার 'সংবাদ প্রভাকর' (১৮৩১) ও কুমারখালির 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা' (১৮৬৩) পত্রিকায় সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করতেন।
  • তিনি 'আজিজননেহার' (১৮৭৪) ও 'হিতকরী' (১৮৯০) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
  • তিনি ১৯ ডিসেম্বর, ১৯১১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। (১৯১৮-উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা), (১৯১২- বাংলা একাডেনি চরিতাভিধান)

মীর মশাররফের উপন্যাসসমূহ:

'রত্নবর্তী' (১৮৬৯): এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। এটি বাংলা সাহিত্যে মুসলমান রচিত প্রথম উপন্যাস।

'বিষাদসিন্ধু' (১৮৮৫-৯১): এটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস যা তিন খণ্ডে বিভক্ত। যথা: মহররম পর্ব, উদ্ধার পর্ব, এজিদবধ পর্ব। এতে উপসংহারসহ ৬৩টি অধ্যায় রয়েছে। এটি ইতিহাস, উপন্যাস, সৃষ্টিধর্মী রচনা ও নাটক ইত্যাদি সাহিত্যের বিবিধ সংমিশ্রণে রোমান্টিক আবেগ মাখানো এক মহাকাব্যিক উপন্যাস। হিজরি ৬১ সালের মহররম মাসে ইসলামের সর্বশেষ নবী হযরত মুহম্মদ (স.) এর দৌহিত্র ইমাম হাসান ও হোসেনের সাথে উমাইয়া খলিফা মুয়াবিয়ার একমাত্র পুত্র এজিদের কারবালার প্রান্তরে যুদ্ধ এর বিষয়বস্তু। এ উপন্যাসের একটি অংশ 'কারবালার প্রান্তর'।

'উদাসীন পথিকের মনের কথা' (১৮৯০): এটি আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস। তিনি এটি 'উদাসীন পথিক' ছদ্মনামে রচনা করেন। এর প্রথম খণ্ডে আছে নীলকর কেনির অত্যাচার ও কৃষক ভূস্বামীদের প্রতিরোধের মুখে মি. কেনির শোচনীয় পরাজয় এবং দ্বিতীয় খণ্ডে আছে ঔপন্যাসিকের ব্যক্তি জীবনের আলেখ্য।

'তাহমিনা' (১৮৯৭)।

রত্নবর্তী (উপন্যাস)মীর মশাররফ হোসেন
রত্নাবলী (নাটক)রামনারায়ণ তর্করত্ন
রত্নদ্বীপ (উপন্যাস)প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
রত্নপরীক্ষা (গদ্যগ্রন্থ)ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

মীর মশাররফের নাটকসমূহ:

'বসন্তকুমারী' (১৮৭৩): এটি বাংলা সাহিত্যে মুসলমান রচিত প্রথম নাটক। বৃদ্ধ রাজা বীরেন্দ্র সিংহের যুবতী স্ত্রী। রেবতী সপত্নী পুত্র নরেন্দ্র সিংহকে প্রেম নিবেদন করে প্রত্যাখাত হয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করে। পরিণামে সমগ্র রার্ড পরিবারটি ধ্বংস হয়ে যায় অর্ধাৎ সকলের মৃত্যু ঘটে- এটিই এ নাটকের মূল বিষয়। মশাররফ এটি নওয়াব আব্দুল লতিফ কে উৎসর্গ করেন।

'বেহুলা গীতাভিনয়' (১৮৮৯): গদ্যে-পদ্যে রচিত এ নাটকে ইংরেজ শাসকদের প্রকৃত স্বরূপ উন্মোচন করে তাদের প্রতিরোধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

'জমীদার দর্পণ' (১৮৭৩), 'নিয়তি কি অবনতি' (১৮৮৯) 'টালা অভিনয়' (১৮৯৭)।

'এ নাটকের কিছুই সাজানো নয়, প্রচলিত সমাজের অবিকল ছবি' তুলে ধরা হয়েছে। অত্যাচারী ও চরিত্রহীন জমিদার হায়ওয়ান আলীর অত্যাচার এবং অধীনস্ত প্রজা আবু মোল্লার গর্ভবতী স্ত্রী নূরন্নেহারকে ধর্ষণ ও হত্যার কাহিনি এর মূল বিষয়।

মীর মশাররফের আত্মজীবনীসমূহঃ

'গাজী মিয়াঁর বস্তানী' (১৮৯৯): এটি আত্মজীবনীমূলক ব্যঙ্গাত্মক রচনা। লেখক 'ভেড়াকান্ত' ছদ্মনামে ব্যঙ্গের মাধ্যমে সমাজের অনাচার, অন্যায়, সামাজিক দুর্নীতি এবং এ সমাজভুক্ত মানুষের নৈতিক অধঃপতন, মনুষ্যত্ব ও হৃদয়হীন আচরণের চিত্রই এখানে চিত্রিত করেছেন।

'আমার জীবনী' (১৯১০): লেখকের আঠারো বছরের জীবন কাহিনি এতে অন্তর্ভুক্ত।

'কুলসুম জীবনী' (১৯১০): এটি লেখকের দ্বিতীয় স্ত্রী কুলসুমকে কেন্দ্র করে লিখিত।

মীর মশাররফের প্রহসনসমূহ:

'এর উপায় কি' (১৮৭৫): বাংলা সাহিত্যে মুসলমান রচিত প্রথম প্রহসন। উনিশ শতকে এক শ্রেণির লোক স্ত্রীর প্রতি অবহেলা দেখিয়ে মদ ও পতিতাবৃত্তিতে আকৃষ্ট হয়ে নানা ধরনের অনাচার ও উচ্ছৃঙ্খলায় নিমজ্জিত হয়েছিল, তারই চিত্র এ প্রহসন।

'ভাই ভাই এইতো চাই' (১৮৯৯), 'ফাঁস কাগজ' (১৮৯৯), 'বাঁধা খাতা' (১৮৯৯)।

মীর মশাররফের কাব্যসমূহ:

'গোরাই ব্রীজ বা গৌরী সেতু' (১৮৭৩), 'পঞ্চনারী' (১৮৯৯), 'প্রেম পারিজাত' (১৮৯৯), 'মদিনার গৌরব' (১৯০৬), 'মোসলেম বীরত্ব' (১৯০৭), 'বাজীমাৎ' (১৯০৮)।

মীর মশাররফের গানের সংকলনের নাম 'সংগীত লহরী' (১৮৭৭)।

মীর মশাররফের প্রবন্ধ:

'গো-জীবন' (১৮৮৯): কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে যে কোনো কারণেই হোক গো-হত্যা অনুচিত। হিন্দু-মুসলিম এই দুই ধর্মের অনুসারীদের একত্র করার প্রয়াসে তিনি এটি রচনা করেন। এই গ্রন্থ রচনার জন্য তাঁকে মামলায় জড়িয়ে পড়তে হয়। 'এসলামের জয়' (১৯০৮)।

Related Question

View All
উত্তরঃ

মাছের মায়ের কান্না বাগধারার অর্থ মিথ্যাশোক।

বাক্য: খেলার সময় একটু আঘাত পেয়েই সে মাছের মার কান্না করছে।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
2k
উত্তরঃ

কান পাতলা অর্থ যে সব বিশ্বাস করে
>সে একজন কান পাতলা মানুষ তাকে সব কথা বলতে নেই।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
826
উত্তরঃ

কলির সন্ধ্যা বাগধারাটির অর্থ দুর্দিন বা দুঃখের সূত্রপাত।

বাক্য: চাকরি চলে যাওয়ায় তার জীবনে কলির সন্ধ্যা নেমে এসেছে।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
778
উত্তরঃ

লম্বা দেওয়া বাগধারাটির অর্থ: চম্পট দেওয়া

বাক্য: সে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়ে লম্বা দিয়েছে।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
1.9k
উত্তরঃ

সোনায় সোহাগা

অর্থ: উপযুক্ত মিলন
বাক্য: তার সুন্দর চোখ আবার মিষ্টি হাসি যেন সোনায় সোহাগা।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
1.1k
উত্তরঃ

মিছরির ছুরি বাগধারাটির অর্থ হল মুখে মধু অন্তরে বিষ।
বাক্য: সে মিছরির ছুরি দিয়ে অনেকের সাথে প্রতারণা করেছে।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
5.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews