উপরের সারণি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় ২০১৮ সালে রপ্তানি আয় ও আমদানি ব্যয়ের ব্যবধান ছিল ১৭,৭৯৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ২০১৭ সালে রপ্তানি আয় ও আমদানি ব্যয়ের ব্যবধান ছিল ৮৮৩৫.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৬ ও ১৫ সালের আমদানি ব্যয় ও রপ্তানি আয়ের ব্যবধান ছিল যথাক্রমে ৫৪৫৭.৮ ও ৯৪৭৬.১ মিলিয়ন ডলার।
উক্ত তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দেশের রপ্তানি আয় ও আমদানি
ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান রয়েছে। ফলে আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যে ভারসাম্য থাকছে না। আমদানি ও রপ্তানির মধ্যে ভারসাম্য না থাকলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। কারণ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হচ্ছে তা আমদানি ব্যয়ে খরচ হয়ে যাচ্ছে। ফলে
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাচ্ছে। তবে ২০১৬ সালে রপ্তানি ও আমদানি ব্যয়ের ব্যবধান কমে এসেছে। ইতিন
আমদানি-রপ্তানির ব্যবধান কমিয়ে আনতে পারলে বাণিজ্যে ভারসাম্য রক্ষা পাবে এবং দেশের সার্বিক উন্নতি সাধিত হবে
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!