সাল

রপ্তানি আয় (মিলিয়ন ইউএস ডলার)

আমদানি ব্যয় (মিলিয়ন ইউএস ডলার)

২০১৫

৩১, ২০৮.৯০

৪০,৬৮৫.০

২০১৬

৩৪,২৫৭.২

৩৯,৭১৫.০

২০১৭

৩৪,৬৫৫.৯০

৪৩,৪৯১.০

২০১৮

৩৬,৬৬৮.২০

৫৪,৪৬৩.২০

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

দেশের চাহিদা পূরণে অন্য দেশ থেকে পণ্য সামগ্রী ক্রয় করাই আমদানি বাণিজ্য

উত্তরঃ

দ্রুত ডাক চলাচল ও পঁচনশীল দ্রব্য প্রেরণে আকাশপথের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

বৈদেশিক বাণিজ্যে হিমায়িত খাদ্য রপ্তানির সুবিধাজনক পথ হলো আকাশপথ। হিমায়িত খাদ্য পচনশীল বলে জরুরী ভিত্তিতে রপ্তানি প্রয়োজন।

উত্তরঃ

বাণিজ্য ভারসাম্য বলতে আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যের মধ্যে ভারসাম্যতাকে বোঝায়।
উপরের সারণিতে দেখা যাচ্ছে ২০১৮ সালে রপ্তানি আয় ছিল ৩৬,৬৮৮.২০ মিলিয়ন ডলার এবং আমদানি ব্যয় ছিল ৫৪,৪৬৩.২০ মিলিয়ন ডলার। আমদানি ও রপ্তানির ব্যবধান ১৭,৭৯৫ মিলিয়ন ডলার। ২০১৭ সালের রপ্তানি আয় ছিল ৩৪,৬৫৫.৯০ মিলিয়ন ডলার এবং

আমদানি ব্যয় ৪৩,৪৯১.০ মি. ডলার। আমদানি ও রপ্তানি আয়ের ব্যাবধান ৮৮৩৫.১ মিলিয়ন ডলার। ২০১৬ সালে রপ্তানি আয় ছিল ৩৪.২৫৭.২ মি. ডলার এবং আমদানি ব্যয় ৩৯,৭১৫.০ মি. ডলার। রপ্তানি আয় ও আমদানি ব্যয়ের ব্যবধান ৫৪৫৭.৮ মি. ডলার। ২০১৫ সালে রপ্তানি আয় ও আমদানি ব্যয়ের ব্যবধান ছিল ৯৪৭৬.১ মিলিয়ন ইউএস ডলার

২০১৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আমদানি ও রপ্তানি ব্যবধান থেকে দেখা যায় সবচেয়ে বেশি ব্যবধান ২০১৮ সালে, যার পরিমাণ ১৭,৭৯৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আমদানি ও রপ্তানি আয়ের এত বিশাল ব্যবধান থেকে বোঝা যায় যে, ২০১৮ অর্থবছরে বাণিজ্য ভারসাম্য কম ছিল।

উত্তরঃ

উপরের সারণি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় ২০১৮ সালে রপ্তানি আয় ও আমদানি ব্যয়ের ব্যবধান ছিল ১৭,৭৯৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ২০১৭ সালে রপ্তানি আয় ও আমদানি ব্যয়ের ব্যবধান ছিল ৮৮৩৫.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৬ ও ১৫ সালের আমদানি ব্যয় ও রপ্তানি আয়ের ব্যবধান ছিল যথাক্রমে ৫৪৫৭.৮ ও ৯৪৭৬.১ মিলিয়ন ডলার।

উক্ত তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দেশের রপ্তানি আয় ও আমদানি
ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান রয়েছে। ফলে আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যে ভারসাম্য থাকছে না। আমদানি ও রপ্তানির মধ্যে ভারসাম্য না থাকলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। কারণ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হচ্ছে তা আমদানি ব্যয়ে খরচ হয়ে যাচ্ছে। ফলে

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাচ্ছে। তবে ২০১৬ সালে রপ্তানি ও আমদানি ব্যয়ের ব্যবধান কমে এসেছে। ইতিন
আমদানি-রপ্তানির ব্যবধান কমিয়ে আনতে পারলে বাণিজ্যে ভারসাম্য রক্ষা পাবে এবং দেশের সার্বিক উন্নতি সাধিত হবে

103

যোগাযোগ ব্যবস্থা যাত্রী- পণ্য পরিবহণ করে অভ্যন্ত্রীণ ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের মাধ্যমে অর্থনীতিতে কার্যকরী অবদান রাখে। দেশের একস্থান থেকে অন্যস্থানে কাঁচামাল ও লোকজনের নিয়মিত চলাচল, উৎপাদিত দ্রব্যের সুষ্ঠু বাজারজাতকরণ, উৎপাদনের উপকরণসমূহের গতিশীলতা বৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতা আনয়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রে যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ  ভূমিকা পালন করে থাকে। এই যোগ ব্যবস্থা প্রতাশিত করে বাণিজ্যকে। বাণিজ্য দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা কৃষি  শিল্প প্রভৃতির ভারসাম্য আনে ।

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews