এই পৃথিবীর দিকে তাকাও। দেখেছ বাতাসে কত দূষিত পদার্থ? কত তেজস্ক্রিয় পদার্থ? বাতাসের ওজোন স্তর কেমন করে শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখেছ? গাছ কেটে কত বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংস করেছে দেখেছ? ... এরা একে অন্যের ওপর নিউক্লিয়ার বোমা ফেলেছে। যুদ্ধ করে একজন আরেকজনকে ধ্বংস করে ফেলছে। প্রকৃতিকে এরা দূষিত করে ফেলেছে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মধ্য দিনে নরম ছায়ায় ঘুঘু ডাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

চরণটিতে প্রকৃতির সুস্থ স্বাভাবিক অবস্থা বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে।

প্রকৃতি তার স্বাভাবিক নিয়ম মেনেই চলে সবসময়। কিন্তু মানুষ তাকে প্রতিনিয়ত বাধা দেয়। প্রকৃতিকে তার স্বাধীন চলার পথে বাধা দিলে আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও বিকাশেও নানান সমস্যা তৈরি হয়, যা আমরা বুঝতে পারি না। প্রকৃতির এই স্বাভাবিক চলাকেই কবি তাঁর ভাষায় প্রকাশ করেছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'বাঁচতে দাও' কবিতায় মানুষের ধ্বংসাত্মক মনোভাবের কারণে বিপর্যয় সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কার দিকটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

প্রকৃতির প্রতিটি প্রাণীই একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এক শ্রেণির মানুষ প্রকৃতিকে ধ্বংস করার মধ্য দিয়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ডেকে আনছে। এটা সমস্ত পৃথিবীর জন্যই ক্ষতিকর।

উদ্দীপকে পৃথিবীর কথা বলা হয়েছে। যেখানে দূষিত পদার্থ ও তেজস্ক্রিয় পদার্থ মিশে বাতাস দূষিত করছে। নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ওজোন স্তর। গাছ কেটে মানুষ ধ্বংস করছে বিস্তীর্ণ এলাকা। নিউক্লিয়ার বোমা ফেলে ধ্বংস করছে একে অন্যকে। অন্যদিকে 'বাঁচতে দাও' কবিতায় কবি প্রকৃতির সব প্রাণী ও জীবজন্তুকে 'সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে বিকশিত হতে দেওয়ার কথা বলেছেন। কারণ কবি জানেন সবুজ ধ্বংস হয়ে গেলে প্রকৃতি যে বিপর্যয়ে পড়বে তাতে শিশুর বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে। এ আশঙ্কা থেকে কবি সব প্রতিকূলতাকে জয় করার কথা বলেছেন। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'বাঁচতে দাও' কবিতায় মানুষের ধ্বংসাত্মক মনোভাবের কারণে বিপর্যয় সৃষ্ট হওয়ার আশঙ্কার দিকটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে যে পৃথিবীর কথা বলা হয়েছে আলোচ্য কবিতায় তার বিপরীত চিত্রের আশা প্রকাশ পেয়েছে- মন্তব্যটি যথার্থ।

প্রকৃতির নানা উপাদান নিয়েই পৃথিবীর পরিবেশ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে হলে আমাদের প্রকৃতির যত্ন নিতে হবে। তাহলে সবাই আনন্দে বাঁচতে পারবে।

উদ্দীপকে একটি দূষিত ও ধ্বংসাত্মক পৃথিবীর কথা বলা হয়েছে। যেখানে মানুষ বাতাসের ওজোন স্তর নষ্ট করে ফেলছে। গাছ কাটার ফলে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে বনভূমি। নিউক্লিয়ার বোমা মেরে ধ্বংস করছে একে অন্যকে। 'বাঁচতে দাও' কবিতায় এর বিপরীত চিত্রের আশা প্রকাশ পেয়েছে। কবি চেয়েছেন সকল প্রাণী স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকুক। কবির মতে ফুলকে ফুটতে দিতে হবে, রঙিন ঘুড়ির পেছনে বালককে ছুটতে দিতে হবে। জোনাক পোকাকে খেলতে দিতে হবে। শিশু,পাখি, ফুলের কুঁড়ি সবাইকে সুন্দরভাবে বাঁচতে দিতে হবে।

উদ্দীপকে প্রকৃতি ধ্বংসের যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, আলোচ্য কবিতার কবি প্রত্যাশা করেছেন যেন প্রকৃতি তেমনটি না হয়। তাই তিনি তার বিপরীত চিত্রের কথা বলেছেন। বলেছেন প্রতিটি প্রাণীর স্বাধীনভাবে বিকাশের কথা। যাতে করে প্রকৃতি সুন্দর থাকে, প্রকৃতিতে ভারসাম্য বজায় থাকে। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
115

বাঁচতে দাও

শামসুর রাহমান

এই তো দ্যাখো ফুলবাগানে গোলাপ ফোটে,
ফুটতে দাও।
রঙিন কাটা ঘুড়ির পিছে বালক ছোটে,
ছুটতে দাও।
নীল আকাশের সোনালি চিল মেলছে পাখা,
মেলতে দাও।
জোনাক পোকা আলোর খেলা খেলছে রোজই,
খেলতে দাও।
মধ্য দিনে নরম ছায়ায় ডাকছে ঘুঘু,
ডাকতে দাও।
বালির ওপর কত্ত কিছু আঁকছে শিশু,
আঁকতে দাও।
কাজল বিলে পানকৌড়ি নাইছে সুখে,
নাইতে দাও।
গহিন গাঙে সুজন মাঝি বাইছে নাও,
বাইতে দাও।
নরম রোদে শ্যামা পাখি নাচ জুড়েছে,
নাচতে দাও।
শিশু, পাখি, ফুলের কুঁড়ি-সবাইকে আজ
বাঁচতে দাও।

Related Question

View All
উত্তরঃ

কাজল বিলে পানকৌড়িকে নাইতে দেওয়ার আহ্বান দ্বারা কবি প্রাণিজগতের স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত না করার কথা বুঝিয়েছেন।

প্রকৃতি ও পরিবেশ প্রাণিজগতের বেঁচে থাকার প্রধান আশ্রয়। কিন্তু মানুষের হাতেই দিন দিন এগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ফলে বিপন্ন হচ্ছে প্রাণীর জীবন। পানকৌড়ি জলচর প্রাণী। বিলে-ঝিলে তাদের জীবনের স্বাভাবিক বিকাশ ঘটে। কিন্তু বিল ভরাট করা হলে তাদের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে। তাই বিলে যেন পানকৌড়ি নাইতে পারে তার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
441
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাঁতার কাটার সঙ্গে 'বাঁচতে দাও' কবিতার শিশুর কাজটির সাদৃশ্য রয়েছে।

প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সহজ-স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রকৃতি ও পরিবেশ মানুষের বেড়ে ওঠার পথে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

উদ্দীপকে নাজির সাহেব ছোটবেলায় সাঁতার শিখেছিলেন। গ্রামের বাড়িতে আগের মতো খাল-বিল-পুকুর না থাকাতে সন্তানদের সাঁতার কাটা শেখাতে পারছেন না। 'বাঁচতে দাও' কবিতায়- কবি শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের কথা বলেছেন। শিশু তার স্বাভাবিক পরিবেশ পেলে সুস্থভাবে বেড়ে উঠবে। এসব দিক দিয়েই উদ্দীপকের সাঁতার কাটার সঙ্গে 'বাঁচতে দাও' কবিতার শিশুর কাজে সাদৃশ্য রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
213
উত্তরঃ

উদ্দীপকের নাজির সাহেবের আক্ষেপের মধ্যে 'বাঁচতে দাও' 'কবিতার মূল সুরটি ফুটে উঠেছে।- মন্তব্যটি যথার্থ।

আধুনিক জীবনযাপনের জন্য মানুষ নগরায়নের দিকে ঝুঁকছে। আর এই নগরায়নসহ মনুষ্যসৃষ্ট নানা কারণে পরিবেশ বিপর্যস্ত হচ্ছে।

উদ্দীপকের নাজির সাহেব নিজে সাঁতার কাটা শিখতে পেরেছিলেন, কিন্তু তার সন্তানদের শেখাতে পারছেন না। কারণ বর্তমানে মানুষ তার প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে প্রাকৃতিক পরিবেশের বিপর্যয় ঘটাচ্ছে, যার ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের দুর্গতি বাড়ছে। 'বাঁচতে দাও' কবিতায় কবি পরিবেশের যে বিপর্যয় অবস্থা এটার ক্ষতিকর দিকটা উপস্থাপন করেছেন। প্রকৃতি তার আপন নিয়মে চলে। এ নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটলে মানুষের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনে।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, এক সময় নদী-নালা-খাল-বিল-পুকুরে ভরা ছিল এদেশ। কিন্তু বিভিন্ন কারণে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটেছে। উদ্দীপকের নাজির সাহেবের এই আক্ষেপে 'বাঁচতে দাও' কবিতার কবির পরিবেশ সম্পর্কে আশঙ্কা প্রতিধ্বনিত হয়েছে। তাই বলা যায়, মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
200
উত্তরঃ

'ফুটতে দাও, ছুটতে দাও'- এ কথাগুলো দ্বারা কবি জীবনের স্বাভাবিক বিকাশের পথে বাধাহীনতার কথা বোঝাতে চেয়েছেন।

প্রত্যেক মানুষ ও প্রাণী তার উপযোগী পরিবেশেই বসবাস করে। আর সেই পরিবেশ যদি পরিবর্তন হয়ে যায় তবে তার বেঁচে থাকার আনন্দই বৃথা হয়ে যাবে। তাই গোলাপ যেভাবে ফোটে, তাকে সেভাবে। ফুটতে দিতে হবে এবং বালক যেভাবে ঘুড়ির পেছনে ছোটে, তাকে সেভাবেই ছুটতে দিতে হবে, তা না হলে উভয়ের স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে। আলোচ্য কথাগুলো দ্বারা কবি এটিই বোঝাতে চেয়েছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
378
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews