'একজন মুসলমান হিসেবে রিপার রয়েছে নিজস্ব মুসলিম ধর্মীয় সংস্কৃতি'- যুক্তিসহ বিশ্লেষণ কর।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

একজন মুসলমান হিসেবে রিপাকে নির্দিষ্ট কতকগুলো মুসলিম ধর্মীয় সংস্কৃতি পালন করতে হয়। মুসলিম ধর্মের একটি লোক জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত কীভাবে তার জীবনপদ্ধতি, পরিচালনা করবে, সবকিছুই তার ধর্মের বিধিবিধানে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মুসলমানদের রয়েছে নিজস্ব সংস্কৃতি। মুসলমানরা মসজিদে গিয়ে তাদের ধর্মীয় বিধিবিধান পালন করে। মুসলিম সংস্কৃতির মধ্যে দুটি ঈদ রয়েছে- ক. ঈদুল ফিতর ও খ. ঈদুল আযহা। মুসলমানরা রমযান মাসে দীর্ঘ এক মাস রোযা পালন করে পবিত্র উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপন করে। এদিনে লোকেরা সকলে ঈদগাহে মিলিত হয়ে দুই রাকাত নামায আদায় করে। একে অপরের সাথে কোলাকুলি ও হাত মিলিয়ে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়। একইভাবে আরবি মাসের জিলকদের ১০ তারিখে ঈদুল আযহার উৎসব পালন করে। এদিনে মুসলমানরা পশু কুরবানি করে আল্লাহর হুকুম পালন করে। ঈদ উৎসবে আত্মীয়স্বজন একে অপরের বাড়িতে আসা-যাওয়া করে। এভাবে মুসলমানরা তাদের ধর্মীয় সংস্কৃতিগুলো পালন করে থাকে। উদ্দীপকের রিপা যেহেতু মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত, সেহেতু সে উপরিউক্ত মুসলিম সাংস্কৃতিক উৎসব পালন করে। সুতরাং প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ ও সার্থক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
75

বিভিন্ন নৃগোষ্ঠির সংমিশ্রণে গড়ে উঠেছে বলে বাংলার জনমানুষের আকারে, অবয়বে, চেহারায় যেমন বৈচিত্র্য তেমনি নানা ভাষাজাতির সহাবস্থানের কারণে বাংলাদেশের সংস্কৃতিতেও বৈচিত্র্য দেখা যায়। তবে গ্রাম ও কৃষিপ্রধান এই দেশে গ্রামীণ কৃষিভিত্তিক সাংস্কৃতিক উপাদানই বেশি চোখে পড়ে। প্রচুর নদী ও জলাভূমি এ দেশকে জালের মতো ঘিরে আছে বলে এদেশের মানুষের সংস্কৃতি নদীকেন্দ্রিক ও ঋতু বৈচিত্র্যের সাথে সাযুজ্যপূর্ণ। এ দেশের মানুষের সংস্কৃতি বুঝতে তার এই বৈচিত্র্যময় পটভূমি লক্ষ রাখা দরকার।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-
১. ধর্ম, ভাষা ও সম্প্রদায় বিচারে বাংলাদেশের সংস্কৃতি কেমন তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
২. এদেশের নানা সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে যে বৈচিত্র্য রয়েছে তা বর্ণনা করতে পারব;
৩. বাংলাদেশের গ্রাম ও শহরের সংস্কৃতি সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব;
৪. বাংলাদেশের লোক সংস্কৃতি ও এর উপাদান বর্ণনা করতে পারব;
৫. বাংলাদেশের নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক জীবন সম্বন্ধে বর্ণনা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হলেও এদেশের কৃষি সম্পূর্ণ প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। কৃষক তার কৃষিকাজের জন্য বিশেষভাবে মাটি, মেঘ, বৃষ্টি, রোদ এসবের ওপর নির্ভর করে। প্রকৃতি যদি অনুর্বর হয় তাহলে কৃষি উৎপাদনেও তেমন ফল পাওয়া যাবে না। আবার প্রকৃতির আলো, বাতাস, আবহাওয়া সবকিছু অনুকূলে হলে কৃষি উৎপাদন অনেকাংশে বেড়ে যাবে। তাই বাংলাদেশের কৃষি প্রধানত প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
736
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলার পহেলা বৈশাখের মেলা তথা বৈশাখী মেলার কথা বলা হয়েছে। এ মাসে বাঙালিরা তাদের অতীত ঐতিহ্যকে ধরে রাখার জন্য দীর্ঘ এক মাস মেলা উদ্যাপন করে। এ মেলায় গ্রাম-শহর সকল স্থানে লোক সমাগম হয়। মেয়েরা সকলে লাল-সাদা রঙের শাড়ি পরিধান করে মেলার দৃশ্যকে রঙিন করে দেয়। শহরের মেলাগুলোতে বিভিন্ন ব্যান্ড পার্টির আয়োজন থাকে। এ মেলার আকর্ষণীয় দৃশ্য হচ্ছে- প্রভাতে সকল শ্রেণির মানুষের রমনা বটমূলে পান্তা-ইলিশের আয়োজনে একত্রিত হওয়া। যা মূলত গ্রামবাংলার অতীত ঐতিহ্যকে স্মরণ করিয়ে দেয়। দুপুরের পর থেকে দোয়েল চত্বর, টিএসসি, শাহবাগ সকল স্থান খুব সরগরম হয়ে ওঠে। চতুর্দিকে গানবাজনার আওয়াজে প্রকৃতি যেন ভারী হয়ে ওঠে। বিভিন্ন স্থানে নাগরদোলা থাকে। এতে শিশুরা তাদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এভাবে হাসি-আনন্দের মাঝেই দিনটি শেষ হয়। সুতরাং উদ্দীপকের মেলাটি নিঃসন্দেহে পহেলা বৈশাখের মেলা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
275
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত বাঙালি জাতির একটি উৎসব বৈশাখী মেলার কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য বিকাশে বৈশাখী মেলার ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বৈশাখী মেলায় জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। এ মেলায় বাংলার ঐতিহ্য জীবন্ত হয়ে ওঠে। মেয়েরা রং-বেরঙের শাড়ি পরিধান করে মেলা উদ্যাপন করে। বিভিন্ন স্থানে দোকানপাট ও নাগরদোলা বসে। দোকানিরা সেখানে নানা রকমের জিনিস বিক্রি করে এবং মেলায় আগত দর্শনার্থীরা ঘোরাঘুরি করে আনন্দের মাধ্যমে মেলা উদ্যাপন করে। মেলার দিন সকাল বেলা সকলে মিলে রমনা বটমূলে একত্রিত হয় এবং সমবেতভাবে পান্তা-ইলিশে অংশ নেয়। এ ধরনের সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন বছরে একবার হলেও তা আমাদের সংস্কৃতিকে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে বিকশিত করেছে। নিজস্ব বৈশিষ্ট্যে মানুষ তার ধর্মকে সযত্নে লালন করলেও পহেলা বৈশাখের দিন সকলে কাঁধে কাঁধ মিলে এ মেলা উদ্যাপন করে। হাজার হাজার বছরের পুরনো এ সংস্কৃতি উদ্যাপনের মাধ্যমে মানুষের মাঝে ভেদাভেদ দূর হয়ে যায়। তাই বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য বিকাশে বৈশাখী মেলার ভূমিকা অপরিসীম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
203
উত্তরঃ

'বৈসাবি' বলতে পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা, তঞ্চঙ্গা, মারমা ও ত্রিপুরা নৃগোষ্ঠীর যৌথভাবে বাংলা বর্ষবরণ উৎসব উদযাপনকে বোঝায়। বাংলাদেশের প্রায় সকল নৃগোষ্ঠীর মানুষ নাচ-গানের মধ্য দিয়ে আনন্দ-উৎসব পালন করে থাকে। পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর বৈশাখী, সাংগ্রাই ও বিজু এ তিনটিকে সমন্বয় করে বর্তমানে সবাই একত্রে পালন করে 'বৈসাবি।'

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews