একটা সময় সব অকেজো হয়ে যায়
শরীর, মন ও বুদ্ধি।
থেমে যায় বৃদ্ধি
কেউ আর রাখে না মনে তায়।
যৌবন থেকে মৃত্যু-
অনেক সফল কাজ,
কাজগুলো রেখে দাও, শুধু তুমি চলে যাও।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম 'বনফুল'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

প্রশ্নোক্ত চরণটিতে মহাকালের প্রতীক সোনার তরীতে মানুষের কর্মের স্থান হলেও সেখানে ব্যক্তিমানুষের যে স্থান হয় না, সে বিষয়টিই ফুটে উঠেছে।
ব্যক্তিমানুষের মৃত্যু অনিবার্য; তাকে রোধ করা সম্ভব নয়। কিন্তু ব্যক্তির কর্মফল বা অর্জনকে মৃত্যু স্পর্শ করতে পারে না। আর তাই সোনার তরীতে কেবল কৃষকের সোনার ধানই ঠাঁই পায়, কিন্তু ব্যক্তিকৃষককে অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে অপেক্ষা করতে হয় অনিবার্যভাবে মহাকালের স্রোতে বিলীন হওয়ার জন্য। মানুষ তার কর্মকে রেখে যায়, মানুয়ের স্থান হয় না এ নশ্বর পৃথিবীতে। প্রশ্নোক্ত চরণটিতে 'ঠাই নাই' কথাটির মাধ্যমে জীবনের এই অমোঘ সত্যই তুলে ধরা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের উল্লিখিত কাজগুলো 'সোনার তরী' কবিতায় বর্ণিত ব্যক্তিমানুষের সৃষ্টিকর্মের সঙ্গে তুলনীয়।
'সোনার তরী' কবিতায় কবি এক গভীর জীবনদর্শনকে উন্মোচন করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন, মহাকাল কেবল মানুষের সৃষ্টিশীল মহং কর্মকেই গ্রহণ করে; ব্যক্তিমানুষকে নয়। আর তাই কালপরিক্রমায় সৃষ্টিকর্ম রয়ে গেলেও মানুষকে অনিবার্যভাবে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হয়। আলোচ্য কবিতায় কৃষক চরিত্রটির আধারে কবি এ সত্যই উন্মোচন করেছেন।
উদ্দীপকের কবিতাংশে মানুষের জীবনের এক অমোঘ সত্যের উদ্‌ঘাটন করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, সময়ের সাথে সাথে মানুষের শরীর, মন, বুদ্ধি সবকিছুই একসময় অচল হয়ে যায়। যৌবন থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত মানুষের অনেক কাজ থাকে। কিন্তু তার কাজগুলোই কেবল পৃথিবীতে থাকতে পারে, তাকে চলে যেতে হয়। আলোচ্য 'সোনার তরী' কবিতায়ও মানুষের সুকৃতিময় কর্মের অমরতার কথা বলা হয়েছে। সেখানে দেখানো হয়েছে, ব্যক্তিমানুষের মৃত্যু অনিবার্য হলেও তার সৃষ্টিকর্মের মৃত্যু নেই। সে বিবেচনায়, আলোচ্য কবিতার ব্যক্তিমানুষের মৃত্যুর বিপরীতে কর্মের অমরতার দিকটি উদ্দীপকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের কবিতাংশে ফুটে ওঠা পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যু এবং তাঁর সুকৃতিময় কর্মের টিকে থাকার দিকটি 'সোনার তরী' কবিতার অন্তর্নিহিত তাৎপর্যকেই ধারণ করে।
'সোনার তরী' কবিতায় কবি মানুষের জীবনের অনিবার্য পরিণতির দিকটির প্রতি আলোকপাত করেছেন। পাশাপাশি কবিতাটিতে তিনি মহং
কর্মের গুরুত্বের দিকটিও তুলে ধরেছেন। কবি মনে করেন, মানুষ তার বয়সের মধ্যে বাঁচে না, বাঁচে অনন্য কর্মে। মানুষ শত বছর বেঁচে থাকলেও কেউ তাকে মনে রাখে না। পক্ষান্তরে, সুকৃতিময় কর্মের মাধ্যমে সে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন লাভ করতে পারে।

উদ্দীপকের কবিতাংশে বলা হয়েছে মানুষ বেঁচে থাকতে পারে তার কর্মের মধ্য দিয়ে। সমগ্র জীবন মানুষ যা করে যায় সেটাই পৃথিবীতে অমর হয়। অন্যদিকে মানুষকে চলে যেতে হয় অনিবার্য নিয়তির দিকে। 'সোনার তরী' একটি রূপকধর্মী কবিতা। এ কবিতায় কবি ধান কেটে অপেক্ষমাণ এক কৃষকের বাস্তবতার অন্তরালে কবিতার ভাবসত্যকে উন্মোচন করেছেন। কবি মনে করেন, মৃত্যু মানুষের অনিবার্য পরিণতি। একে কেউ রোধ করতে পারে না। তবে ব্যক্তিমানুষের মৃত্যু হলেও মৃত্যু তার কর্মকে স্পর্শ করতে পারে না। বস্তুত, যেকোনো মানুষ কীর্তিমান কিংবা বরণীয় হয়ে ওঠে তাঁর কর্মের উৎকর্ষে। উদ্দীপকের কবিতাংশে সে ভাবসত্যই উঠে এসেছে। দৈহিক মৃত্যু হলেও মানুষ তাঁর সেবামূলক কাজের মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকতে পারে। অর্থাৎ মানুষের জীবনের পরিণতি তথা মৃত্যু এবং সুকৃতিময় কর্মের মাধ্যমে মানুষের মনে বেঁচে থাকার এই দিকটি আলোচ্য কবিতার মূলভাবের সমান্তরাল সে বিবেচনায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
61


গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। 
কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা। 
রাশি রাশি ভারা ভারা
 ধান কাটা হলো সারা,
 ভরা নদী ক্ষুরধারা 
খরপরশা-
কাটিতে কাটিতে ধান এল বরষা ৷৷ 
একখানি ছোটো খেত, আমি একেলা- 
চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা ॥ 
পরপারে দেখি আঁকা 
তরুছায়ামসী-মাখা 
গ্রামখানি মেঘে ঢাকা
প্রভাতবেলা- 
এপারেতে ছোটো খেত, আমি একেলা ৷৷ 
গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে! 
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে । 
ভরা পালে চলে যায়,
কোনো দিকে নাহি চায়,
ঢেউগুলি নিরুপায়
ভাঙে দু ধারে-
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে ৷।
ওগো, তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে? 
বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।
যারে খুশি তারে দাও -
যেয়ো যেথা যেতে চাও,
শুধু তুমি নিয়ে যাও
ক্ষণিক হেসে
আমার সোনার ধান কূলেতে এসে ॥
যত চাও তত লও তরণী-পরে ।
আর আছে— আর নাই, দিয়েছি ভরে ॥
এতকাল নদীকূলে
যাহা লয়ে ছিনু ভুলে
সকলি দিলাম তুলে
থরে বিথরে- 
এখন আমারে লহো করুণা করে ৷৷
ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই— ছোটো সে তরী 
আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।
শ্রাবণগগন ঘিরে
ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে,
শূন্য নদীর তীরে
রহিনু পড়ি-
যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী ।।

Related Question

View All
106
138
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews