একদিন মাহমুদ সাহেব বিশ্বরোডে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহত আবু জাফর নামের এক ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং তার পরিবারকে খবর দেন। কয়েক বছর পর মাহমুদ সাহেবের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনি নিঃস্ব হয়ে যান এবং ভেঙে পড়েন। দুর্ঘটনার সংবাদ শুনে আবু জাফর তাঁর খোঁজখবর নেয় এবং আর্থিক সহযোগিতা করে তাঁর পাশে দাঁড়ায়। মাহমুদ সাহেব আবার নতুন করে ব্যবসা শুরু করেন।

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ আবুল আব্বাস আবদুল্লাহ আল-মামুন।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

"আপনার মনস্কাম পূর্ণ হইয়াছে" উক্তিটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে, মাহমুদ সাহেব আবু জাফরকে বিপদের সময় সাহায্য করে যে মহৎ কর্ম সাধন করেছিলেন, তার সুফল তিনি অপ্রত্যাশিতভাবে ফিরে পেয়েছেন। অর্থাৎ, নিঃস্ব হয়ে পড়া মাহমুদ সাহেবকে আবু জাফর আর্থিক সহায়তা দিয়ে তাঁর পূর্বেকার উপকারের প্রতিদান দিয়েছেন, যা মাহমুদ সাহেবের ভালো কাজের একটি ফল হিসেবে প্রতিফলিত হয়েছে।

এই উক্তিটি মূলত 'উপকারীর উপকার স্বীকার করা' এবং 'কৃতজ্ঞতা' প্রকাশের ধারণাকে স্পষ্ট করে। এটি এমন একটি নৈতিক বার্তা বহন করে যে, অপরের প্রতি করা ভালো কাজগুলো কখনো বৃথা যায় না, বরং তা কোনো না কোনোভাবে প্রতিদান হয়ে ফিরে আসে। আবু জাফর মাহমুদ সাহেবের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর পূর্বে করা উপকারের প্রতিদান দিয়ে এই মহৎ উক্তিটিকে সার্থক করেছেন এবং উপকারীর মনস্কামকে পূর্ণ করেছেন।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মাহমুদ সাহেব 'প্রত্যুপকার' গল্পের সেই দয়ালু ও উপকারী চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করেন যিনি বিপন্ন মানুষের পাশে নিঃস্বার্থভাবে দাঁড়ান এবং সাহায্য করেন।

'প্রত্যুপকার' গল্পে এমনই একজন মানবদরদী ব্যক্তি থাকেন যিনি অন্যের বিপদে নিজেকে উজাড় করে দেন, নিজের স্বার্থ বা সুবিধার কথা না ভেবে অন্যের জীবন বাঁচাতে বা সংকট কাটাতে এগিয়ে আসেন। এই চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, তাঁরা নিজেদের ক্ষতি স্বীকার করেও অপরের উপকার করেন এবং এর বিনিময়ে কোনো প্রতিদান প্রত্যাশা করেন না।

উদ্দীপকে মাহমুদ সাহেব যখন বিশ্বরোডে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহত আবু জাফর নামের এক ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং তার পরিবারকে খবর দেন, তখন তাঁর এই সহানুভূতি ও নিঃস্বার্থপরতা 'প্রত্যুপকার' গল্পের সেই চরিত্রের গুণাবলিরই প্রকাশ। মাহমুদ সাহেবের এই কাজ কোনো প্রতিদানের আকাঙ্ক্ষা ছাড়াই করা হয়েছে, যা গল্পের মূলভাবের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। পরবর্তীতে যখন মাহমুদ সাহেব বিপদে পড়েন এবং আবু জাফর তার সাহায্যে এগিয়ে আসেন, তখন তা 'প্রত্যুপকার' গল্পের প্রতিদানের দিকটিকেও ইঙ্গিত করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

'প্রত্যুপকার' বলতে অপরের উপকারকে স্মরণ করে তার বিপদে পাশে দাঁড়ানোকে বোঝায়। এটি মানব সমাজের একটি মহৎ গুণ এবং এই গুণের মাধ্যমেই মানব সম্পর্ক সুদৃঢ় হয়। উদ্দীপকে বর্ণিত আবু জাফরের কর্মকাণ্ডে 'প্রত্যুপকার' গল্পের মর্মবাণী অত্যন্ত স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, মাহমুদ সাহেব বিশ্বরোডে দুর্ঘটনায় আহত আবু জাফরকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে তার জীবন বাঁচান এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এটি ছিল মাহমুদ সাহেবের একটি নিঃস্বার্থ মানবিক কাজ, যা আবু জাফরের প্রতি তার মহানুভবতার পরিচয় বহন করে। মাহমুদ সাহেব বিপদে পড়া একজন অপরিচিত মানুষের প্রতি যে সহানুভূতি ও সাহায্য প্রদর্শন করেছিলেন, তা মানবতাবোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

কয়েক বছর পর যখন মাহমুদ সাহেব নিজেই এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব ও হতাশ হয়ে পড়েন, তখন আবু জাফর অতীতের সেই উপকারের কথা স্মরণ করে তার পাশে এসে দাঁড়ান। আবু জাফর কেবল মাহমুদ সাহেবের খোঁজখবরই নেননি, বরং তাকে আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে নতুন করে ব্যবসা শুরু করার সুযোগ করে দিয়েছেন। আবু জাফরের এই কাজটি মাহমুদ সাহেবের পূর্বের উপকারের প্রতিদান বা প্রত্যুপকার হিসেবেই প্রতিভাত হয়েছে।

সুতরাং, উদ্দীপকের ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হয় যে, আবু জাফরের আচরণ 'প্রত্যুপকার' গল্পের মূল শিক্ষা বা মর্মবাণীকে ধারণ করে। এটি প্রমাণ করে যে, একজন মানুষ বিপদে অন্যকে সাহায্য করলে, সেই সাহায্য কখনো বৃথা যায় না এবং উপযুক্ত সময়ে সেই সাহায্য বিভিন্ন রূপে ফিরে আসে। কৃতজ্ঞতাবোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতার এই দৃষ্টান্ত সমাজের জন্য অত্যন্ত অনুকরণীয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
64

Related Question

View All
উত্তরঃ

'পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার'- কথাটির মধ্য দিয়ে লেখক বাষ্প্রতিবন্ধী সুভার বিয়ের বয়স হওয়া সত্ত্বেও বিয়ে দিতে না পারায় পিতা-মাতার হৃদয়ের নীরব কষ্টকে বোঝাতে চেয়েছেন।

সুভা বাণীকন্ঠের ছোট মেয়ে। সে কথা বলতে পারে না। বাণীকণ্ঠ তার বড় দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়ায় ছোট মেয়ে সুভাকে বিয়ে দিতে পারেননি। তাই সুভার ভবিষ্যৎ নিয়ে বাণীকণ্ঠ এবং তার স্ত্রী উভয়েই চিন্তিত। সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে তাদের হৃদয়ে নীরব কষ্ট সৃষ্টি হয়। লেখক সেই কষ্টকেই বলেছেন- পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার।

10.8k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম অংশের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার শারীরিক প্রতিবন্ধিতার দিকটির সংগতি দেখানো হয়েছে।

শারীরিক প্রতিবন্ধিতার কারণে অনেকে সমাজে অবহেলার শিকার হয়। এতে সমাজের মানুষ হীনম্মন্যতার পরিচয় দেয়। প্রতিবন্ধীদের প্রতি সহানুভূশীল হলে তবেই তারা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে এবং সমাজে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারবে।

'সুভা' গল্পে সুভা কথা বলতে পারে না। আনন্দের বার্তা নিয়ে পৃথিবীতে এলেও কথা বলতে না পারার বিষয়টি কিছুটা সুভার বাবা- মায়ের মনে নীরব হৃদয়ভারের জন্ম দেয়। উদ্দীপকের কল্যাণীর জন্মও পরিবারে আনন্দ নিয়ে আসে। কিন্তু তার মানসিক প্রতিবন্ধিতার দিকটি সবাইকে চিন্তিত করে তোলে। তার মানসিক বিকাশ কিছুটা কম হয়েছে। 'সুভা' গল্পের সুভাও বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়ায় তার পরিবারের সবার দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এভাবে উদ্দীপকের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার প্রতিবন্ধিতার দিকটি সংগতিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

7.7k
উত্তরঃ

কল্যাণী ও সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন- মন্তব্যটি যথার্থ।

শারীরিক প্রতিবন্ধীরা আমাদের সমাজে বিভিন্নভাবে অবহেলার সম্মুখীন হয়। তারা আমাদের সমাজেরই অংশ, আমাদের মতোই মানুষ। তাই তাদের কল্যাণে এগিয়ে আসা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমাদের সহানুভূতি পেলে তারা জীবনের পূর্ণতা লাভ করবে।

উদ্দীপকে কল্যাণীর মানসিক বিকাশ ঠিকভাবে ঘটেনি। বিয়ের কথাবার্তায় তার বাবা পলাশ বাবু বরপক্ষের কাছে সে সব কথা খুলে বলেন। তারা সব শুনে উদারতার পরিচয় দেন। বরের বাবা সুবোধ বাবু মহত্ত্বের পরিচয় দিয়ে কল্যাণীকে ঘরে নিয়ে যেতে চান। অন্যদিকে 'সুভা' গল্পের সুভা বাষ্প্রতিবন্ধী। সে কথা বলতে পারে না। সবার কাছ থেকে অবহেলা পেলেও সুভা তার বাবার ভালোবাসা পেয়েছে। সুভার সাথে কেউ মেশে না বলে সে পোষা প্রাণীদের মাঝে নিজের একটি বিশাল জগৎ তৈরি করেছে।

উদ্দীপকের কল্যাণী ও 'সুভা' গল্পের সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন। কল্যাণী সুবোধ বাবুর উদারতায় পেয়েছে সুন্দর ভবিষ্যতের সন্ধান। অথচ 'সুভা' গল্পের সুভার পরিণতি এতটা মানবিকতায় সিক্ত হয়নি। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

5.9k
উত্তরঃ

শঙ্খের মধ্যে যেমন সমুদ্রের শব্দ শুনা যায়, তেমনি এই লাইব্রেরির মধ্যে কি হৃদয়ের উত্থানপতনের শব্দ শুনিতেছ

8.1k
উত্তরঃ

‘জীবিত ও মৃত ব্যক্তির হৃদয় পাশাপাশি এক পাড়ায় বাস করিতেছে’ – উক্তিটির মাধ্যমে গ্রন্থাগার বা বইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বইয়ের পাতায় মৃত বা বিগত প্রজন্মের জ্ঞানী-গুণী মানুষের চিন্তা, দর্শন, অভিজ্ঞতা ও সৃষ্টিশীলতা সংরক্ষিত থাকে। যখন একজন জীবিত পাঠক সেই বই পড়েন, তখন যেন মৃত লেখকের হৃদয় বা মননের সাথে জীবিত পাঠকের মনের নিবিড় সংযোগ ঘটে।

এভাবে বইয়ের মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা জীবিত প্রজন্মের মধ্যে প্রবাহিত হয়, যা মানবজাতির নিরন্তর জ্ঞানচর্চাকে সম্ভব করে তোলে। লেখক এবং পাঠকের এই আত্মিক মিলনকে তুলনা করা হয়েছে একই পাড়ায় বসবাস করা হৃদয়ের সাথে, যেখানে সময় ও স্থানের বাধা অতিক্রম করে জ্ঞান ও উপলব্ধির এক নিরন্তর বিনিময় ঘটে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
6.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews