একদিন স্যার আইজাক নিউটন আপেল বাগানে বসে কিছু চিন্তা করছিলেন। এমন সময় গাছ থেকে একটি আপেল মাটিতে পড়ল। সাথে সাথে তাঁর মনে প্রশ্ন দেখা দিল আপেলটি মাটিতে পড়ল কেন? কেন উপরের দিকে গেল না? এসব চিন্তা করতে করতে তিনি একটি সূত্র আবিষ্কার করলেন যা মাধ্যাকর্ষণ সূত্র নামে পরিচিত।

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর সাথে কোনো বস্তুর আকর্ষণ বল হলো মাধ্যাকর্ষণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মহাকর্ষ ও অভিকর্ষের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ-

মহাকর্ষ

অভিকর্ষ

১. মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বল হচ্ছে মহাকর্ষ।

১. পৃথিবীর সাথে কোনো বস্তুর আকর্ষণ বল হচ্ছে অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ।

২. মহাকর্ষ বল ৪-এর মানের উপর নির্ভর করে না।

২. অভিকর্ষ বল ৪-এর মানের উপর নির্ভর করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অভিকর্ষ না থাকলে আমরা ঠিক থাকতে পারতাম না। ব্যাখ্যা: আমরা জানি, এ মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে
আকর্ষণ তাই মহাকর্ষ। দুটি বস্তুর একটি যদি পৃথিবী হয় এবং পৃথিবী যদি বস্তুটিকে আকর্ষণ করে তবে তাকে মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ বলে। অর্থাৎ কোনো বস্তুর উপর পৃথিবীর আকর্ষণই অভিকর্ষ। গাছের ফল মাটিতে পড়ে। ক্রিকেট বলকে উপরের দিকে ছুঁড়ে দিলে মাটিতে পড়ে। এখানে পৃথিবী যেমন ফল বা ক্রিকেট বলকে আকর্ষণ করে তেমনি এরাও পৃথিবীকে আকর্ষণ করে। পৃথিবী অনেক বড় এবং এর আকর্ষণ বল অনেক বেশি হওয়ায় ফল ও ক্রিকেট বল মাটিতে পড়ে।
অর্থাৎ অভিকর্ষ বলের কারণেই আমরা পৃথিবী পৃষ্ঠে বসবাস ও চলাফেরা করতে পারি। অভিকর্ষ বল না থাকলে অন্য কোনো বস্তুর আকর্ষণে আমরা সেদিকে ছিটকে যেতাম। অর্থাৎ স্থির থাকতে পারতাম না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

এ মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণ বলই মহাকর্ষ যা আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী নিউটন। কথিত আছে, নিউটন একদিন বাগানে বসে চিন্তা করছিলেন। এমন সময় তিনি গাছ থেকে একটি আপেল মাটিতে পড়তে দেখেন। তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে, আপেলটি মাটিতে পড়ল কেন? নিশ্চয়ই কেউ একে মাটির দিকে টানছে। চিন্তা-ভাবনা শেষে তিনি এ সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, পৃথিবী সকল বস্তুকে তার নিজের দিকে টানে। পরে তিনি আরও সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে শুধু পৃথিবী নয়, এ মহাবিশ্বের সকল বস্তুকণাই একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এ বিশ্বের যে কোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তাকে মহাকর্ষ বলে।
সূত্রটি হলো: মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে এবং এ আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক এবং এদের দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এ বল বস্তুকণাদ্বয়ের সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
72

এ মহাবিশ্বের প্রতিটি কন্তু একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বল কি সকল ক্ষেত্রে সমান? কিসের উপর এই বলের মান নির্ভর করে। পৃথিবীর আকর্ষণের ফলে পড়ন্ত বস্তুর যে ত্বরণ হয় তার মান কত, এই মান কেন পরিবর্তিত হয়। এই অধ্যায়ে আমরা মহাকর্ষ, অভিকর্ষ, অভিকর্ষজ ত্বরণ, ভর ও ওজন নিয়ে আলোচনা করব।

এই অধ্যার পাঠ শেষে জামা-

   • মহাকর্ষ ব্যাখ্যা করতে পারব :

   • মহাকর্ষ ও অভিকর্ষের পার্থক্য ব্যাখ্যা করতে পারব,

   • অভিকর্ষজ ত্বরণ ব্যাখ্যা করতে পারব;

   • ভর ও ওজনের পার্থক্য করতে পারব;

   • অভিকর্ষজ ত্বরণের প্রভাবে কস্তুর ওজনের পরিবর্তন বিশ্লেষণ করতে পারব; 

   • আমাদের জীবনে অভিকর্ষজ ত্বরণের অবদান উপলব্ধি করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো বস্তুতে পদার্থের মোট পরিমাণকে ঐ বস্তুর ভর বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
134
উত্তরঃ

বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণg এর উপর নির্ভর করে। g এর মান বৃদ্ধি পেলে বস্তুর ওজন বৃদ্ধি পায় এবং g এর মান হ্রাস পেলে বস্তুর ওজন হ্রাস পায়। অন্যদিকে অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর মান পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্বের উপর নির্ভর করে। তাই পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে g এর মানের পরিবর্তন হয়। মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে কম বলে সেখানে g এর মান সবচেয়ে বেশি। যার ফলে মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজনও সবচেয়ে বেশি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
267
উত্তরঃ

ঝুলন্ত বস্তুটির রশি ছিড়ে গেলে বস্তুটি ওজনহীন হয়ে পড়বে।নিচে যুক্তিসহ তা ব্যাখ্যা করা হলো-

পৃথিবীতে যেকোনো ব্যক্তি বা বস্তুর উপর পৃথিবীর আকর্ষণ বল থাকবেই। ফলে তার ওজন থাকবেই কিন্তু ব্যক্তি বা বস্তুটি সেই ওজন অনুভব করবে কেবলমাত্র তখনই যখন তার ওজনের সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া বল তার উপর প্রযুক্ত হবে। ঝুলন্ত অবস্থায় বস্তুটি পৃথিবীর কেন্দ্রমুখী আকর্ষণ বলের কারণে রশিটির উপর নিম্নমুখী বল প্রয়োগ করে। অন্যদিকে রশিটিও বস্তুটির উপর সমান ও বিপরীতমুখী (উর্ধ্বমুখী) প্রতিক্রিয়া বল প্রয়োগ করবে। যার ফলে ঝুলন্ত অবস্থায় বস্তুটির ওজন অনুভূত হবে। কিন্তু বস্তুটি রশি ছিড়ে মুক্তভাবে নিচে পড়তে থাকলে বস্তুটির ত্বরণ হবে (g-g) অর্থাৎ শূন্য।
ফলে বস্তুটি রশির উপর কোনো বল প্রয়োগ করবে না এবং বস্তুটির উপরও কোনোরূপ প্রতিক্রিয়া বল কাজ করবে না। এক্ষেত্রে বস্তুটির ওজন হবে শূন্য এবং বস্তুটি ওজনহীন অনুভূত হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
107
উত্তরঃ

ভর হলো কোনো বস্তুতে পদার্থের মোট পরিমাণ। কোনো বস্তুর ভর ১০ কিলোগ্রাম বলতে বুঝায় বস্তুটিতে পদার্থের পরিমাণ ১০ কিলোগ্রাম। বস্তুর এই ১০ কিলোগ্রাম ভর নির্ভর করে যে পরমাণু ও অণু দ্বারা বস্তুটি গঠিত তার সংখ্যা ও সংযুক্তির উপর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
147
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews