এ মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণ বলই মহাকর্ষ যা আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী নিউটন। কথিত আছে, নিউটন একদিন বাগানে বসে চিন্তা করছিলেন। এমন সময় তিনি গাছ থেকে একটি আপেল মাটিতে পড়তে দেখেন। তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে, আপেলটি মাটিতে পড়ল কেন? নিশ্চয়ই কেউ একে মাটির দিকে টানছে। চিন্তা-ভাবনা শেষে তিনি এ সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, পৃথিবী সকল বস্তুকে তার নিজের দিকে টানে। পরে তিনি আরও সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে শুধু পৃথিবী নয়, এ মহাবিশ্বের সকল বস্তুকণাই একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এ বিশ্বের যে কোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তাকে মহাকর্ষ বলে।
সূত্রটি হলো: মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে এবং এ আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক এবং এদের দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এ বল বস্তুকণাদ্বয়ের সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।
Related Question
View Allকোনো বস্তুতে পদার্থের মোট পরিমাণকে ঐ বস্তুর ভর বলে।
বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণg এর উপর নির্ভর করে। g এর মান বৃদ্ধি পেলে বস্তুর ওজন বৃদ্ধি পায় এবং g এর মান হ্রাস পেলে বস্তুর ওজন হ্রাস পায়। অন্যদিকে অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর মান পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্বের উপর নির্ভর করে। তাই পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে g এর মানের পরিবর্তন হয়। মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে কম বলে সেখানে g এর মান সবচেয়ে বেশি। যার ফলে মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজনও সবচেয়ে বেশি হয়।

ঝুলন্ত বস্তুটির রশি ছিড়ে গেলে বস্তুটি ওজনহীন হয়ে পড়বে।নিচে যুক্তিসহ তা ব্যাখ্যা করা হলো-
পৃথিবীতে যেকোনো ব্যক্তি বা বস্তুর উপর পৃথিবীর আকর্ষণ বল থাকবেই। ফলে তার ওজন থাকবেই কিন্তু ব্যক্তি বা বস্তুটি সেই ওজন অনুভব করবে কেবলমাত্র তখনই যখন তার ওজনের সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া বল তার উপর প্রযুক্ত হবে। ঝুলন্ত অবস্থায় বস্তুটি পৃথিবীর কেন্দ্রমুখী আকর্ষণ বলের কারণে রশিটির উপর নিম্নমুখী বল প্রয়োগ করে। অন্যদিকে রশিটিও বস্তুটির উপর সমান ও বিপরীতমুখী (উর্ধ্বমুখী) প্রতিক্রিয়া বল প্রয়োগ করবে। যার ফলে ঝুলন্ত অবস্থায় বস্তুটির ওজন অনুভূত হবে। কিন্তু বস্তুটি রশি ছিড়ে মুক্তভাবে নিচে পড়তে থাকলে বস্তুটির ত্বরণ হবে (g-g) অর্থাৎ শূন্য।
ফলে বস্তুটি রশির উপর কোনো বল প্রয়োগ করবে না এবং বস্তুটির উপরও কোনোরূপ প্রতিক্রিয়া বল কাজ করবে না। এক্ষেত্রে বস্তুটির ওজন হবে শূন্য এবং বস্তুটি ওজনহীন অনুভূত হবে।
ভর হলো কোনো বস্তুতে পদার্থের মোট পরিমাণ। কোনো বস্তুর ভর ১০ কিলোগ্রাম বলতে বুঝায় বস্তুটিতে পদার্থের পরিমাণ ১০ কিলোগ্রাম। বস্তুর এই ১০ কিলোগ্রাম ভর নির্ভর করে যে পরমাণু ও অণু দ্বারা বস্তুটি গঠিত তার সংখ্যা ও সংযুক্তির উপর।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!