উত্তরঃ

ডিপিআই (DPI)


প্রিন্টারের মান সাধারণত ডিপিআই (DPI) বা Dots Per Inch দ্বারা পরিমাপ করা হয়। ডিপিআই হলো প্রতি ইঞ্চিতে প্রিন্টার যতগুলি স্বতন্ত্র বিন্দু (dot) প্রিন্ট করতে পারে তার সংখ্যা। এটি প্রিন্ট করা চিত্রের রেজোলিউশন (resolution), তীক্ষ্ণতা (sharpness) এবং বিশদ বিবরণ (detail) প্রকাশ করে।

যত বেশি ডিপিআই হবে, প্রিন্ট করা ছবি বা লেখার মান তত উন্নত হবে, কারণ এতে ছোট ছোট বিন্দু দিয়ে আরও মসৃণ লাইন এবং সূক্ষ্ম বিবরণ তৈরি করা সম্ভব হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি ৩০০০ ডিপিআই এর ছবি ৬০০ ডিপিআই প্রিন্টারে প্রিন্ট করলে এর গুণগত মান কমে যাবে কারণ প্রিন্টারটি পর্যাপ্ত বিন্দু উৎপাদন করতে পারবে না।

সাধারণত, সাদা-কালো টেক্সট প্রিন্ট করার জন্য ৩০০-৬০০ ডিপিআই যথেষ্ট হলেও, উচ্চ মানের ছবি, গ্রাফিক্স বা রঙিন ডকুমেন্ট প্রিন্ট করার জন্য ১২০০ ডিপিআই বা তারও বেশি ডিপিআই সম্পন্ন প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়। লেজার প্রিন্টারের ডিপিআই সাধারণত ইঙ্কজেট প্রিন্টারের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে, যা তাদের উচ্চ গুণমানের টেক্সট প্রিন্টের জন্য আদর্শ করে তোলে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ ডেটা স্থানান্তরের ক্ষমতা বা হার।

ব্যান্ডউইথ (Bandwidth) হলো একটি নির্দিষ্ট সময়ে কোনো নেটওয়ার্ক সংযোগের মাধ্যমে স্থানান্তরিত হতে পারা সর্বোচ্চ পরিমাণ ডেটা। এটি একটি নেটওয়ার্ক সংযোগের 'ধারণ ক্ষমতা' বা 'ক্যাপাসিটি' নির্দেশ করে। সাধারণত, ব্যান্ডউইথ প্রতি সেকেন্ডে বিট (bits per second - bps), কিলোবিট (Kbps), মেগাবিট (Mbps) বা গিগাবিট (Gbps) এককে পরিমাপ করা হয়।

উচ্চ ব্যান্ডউইথ সম্পন্ন সংযোগগুলি দ্রুত ডেটা ডাউনলোড ও আপলোড করতে পারে এবং অনলাইন গেমিং, ভিডিও স্ট্রিমিং ও ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মতো কাজগুলির জন্য মসৃণ অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এটিকে প্রায়শই একটি পাইপের সাথে তুলনা করা হয়, যেখানে একটি প্রশস্ত পাইপ দিয়ে একসাথে বেশি জল (ডেটা) প্রবাহিত হতে পারে। এটি ইন্টারনেটের গতি এবং পারফরম্যান্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপক।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ জেনেভা

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (World Trade Organization - WTO) এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত। এটি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা দেশগুলোর মধ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়মকানুন তত্ত্বাবধান ও উদারীকরণ করে।

১৯৯৫ সালের ১লা জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় WTO। এটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ট্যারিফ ও বাণিজ্য সংক্রান্ত সাধারণ চুক্তি (General Agreement on Tariffs and Trade - GATT) এর স্থলাভিষিক্ত হয়। এর প্রধান কাজ হলো সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য বাধা কমানো, বাণিজ্য চুক্তিগুলো কার্যকর করা এবং বাণিজ্য বিরোধ নিষ্পত্তি করা। WTO বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১৬৪টি দেশ।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন ও নিজস্ব মুদ্রা ব্যবস্থা


ছয় দফার প্রথম দফা ছিল শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি। এই দফায় বলা হয়েছিল, ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তানকে একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় রাষ্ট্র হিসেবে গঠন করতে হবে এবং সংসদীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে। এতে প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইনসভা গঠিত হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা কেবল প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয়ে সীমাবদ্ধ থাকবে এবং অবশিষ্ট সকল বিষয়ে প্রদেশগুলোর পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন থাকবে। এর ফলে মূলত পূর্ব পাকিস্তানের জন্য একটি শক্তিশালী স্বায়ত্তশাসিত শাসনতান্ত্রিক কাঠামোর দাবি তোলা হয়, যা পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণ থেকে মুক্তি পেতে সহায়ক হবে বলে বিশ্বাস করা হয়েছিল।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ নয়টি (9টি)

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ২০০৩ বা এর পূর্ববর্তী সংস্করণগুলোতে মেনু বারে সাধারণত ৯টি মেনু থাকত। এগুলি হলো:

      
  • File (ফাইল)
  •   
  • Edit (এডিট)
  •   
  • View (ভিউ)
  •   
  • Insert (ইনসার্ট)
  •   
  • Format (ফরম্যাট)
  •   
  • Tools (টুলস)
  •   
  • Table (টেবিল)
  •   
  • Window (উইন্ডো)
  •   
  • Help (হেল্প)

তবে, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ২০০৭ সংস্করণ থেকে মেনু বারের পরিবর্তে রিবন (Ribbon) ইন্টারফেস চালু করা হয়, যেখানে কমান্ডগুলো বিভিন্ন ট্যাব (Tab) আকারে সজ্জিত থাকে। প্রশ্নটি মেনু বার উল্লেখ করায়, এটি মূলত পুরনো সংস্করণগুলির প্রসঙ্গ বোঝায়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ ডায়েট

জাপানের আইন সভার পুরো নাম হলো জাতীয় ডায়েট (National Diet)। এটি একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট (bicameral) আইনসভা, যা হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস (নিম্নকক্ষ) এবং হাউজ অব কাউন্সিলরস (উচ্চকক্ষ) নিয়ে গঠিত। জাপানের সংবিধান অনুযায়ী, ডায়েট হলো দেশটির সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর রাষ্ট্রীয় অঙ্গ এবং একমাত্র আইন প্রণয়নকারী সংস্থা।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ ১০ নম্বর সেক্টর

মুক্তিযুদ্ধের সময় পুরো বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ সেক্টর। এর কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা ছিল না। এই সেক্টরের আওতাধীন যোদ্ধারা দেশের অভ্যন্তরীণ নদ-নদী এবং সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় নৌ অভিযান পরিচালনা করতেন। নৌ কমান্ডোরা বিভিন্ন বন্দর ও নৌপথে পাকিস্তানি বাহিনীর জাহাজ, গানবোট এবং সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট', যা ১৯৭১ সালের ১৫ই আগস্ট পরিচালিত হয় এবং চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দরসহ বিভিন্ন নৌবন্দরে পাকিস্তানি নৌযান ডুবিয়ে দেওয়া হয়, যা আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের খবর ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
127
দেশের নামআইনসভা নাম
বাংলাদেশেজাতীয় সংসদ
ভারতসংসদ
পাকিস্তানমজলিস-ই-শুরা
জাপানডায়েট
নেপালকংগ্রেস বা পঞ্চায়েত
আফগানিস্তানপার্লামেন্ট এ্যাসেম্বলি
ভুটানসোংডু
মালদ্বীপমজলিস
ইরানমজলিস
যুক্তরাষ্ট্রেরকংগ্রেস
যুক্তরাজ্যেরপার্লামেন্ট
চীনকংগ্রেস
ডেনমার্কেরফোকেটিং
জার্মানরাইখস্ট্যাগ
কানাডাপার্লামেন্ট
অস্ট্রেলিয়াপার্লামেন্ট
মালয়েশিয়ামজলিস
মঙ্গোলিয়ারস্টেট গ্রেট-খুরাল
ইসরাইলনেসেট
তাইওয়ানউয়ান
রাশিয়াফেডারেল অ্যাসেম্বলি
স্পেনজেনারেল কোর্টস
তুরস্কোরগ্রান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি
সুইডেনরিক্সড্যাগ
ফ্রান্সপার্লামেন্ট
নেদারল্যান্ডস্ট্যাটেড জেনারেল
পোলেন্ডসীম
নরওয়েরস্টরটিং
ইতালিরসিনেট
মিশরেরদারুল আওয়াম
আয়ারল্যান্ডডেল আয়ারম্যান বা ওয়ারেখটাস
গ্রিসচেম্বার অব ডেপুটিজ
আইসল্যান্ডআলথিং
ইন্দোনেসিয়াপিপন্স কনসাল্টেটিভ অ্যাসেম্বলি
উত্তর কোরিয়াসুপ্রিম পিপল্স অ্যাসেম্বলি
জায়ারন্যাশনাল লেজিসলেটিভ কাউন্সিল
দক্ষিণ আফ্রিকাহাউজ অব অ্যাসেম্বলি
নিউজিল্যান্ডহাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ
মায়ানমারপিথু ইটার্ড
লিথুনিয়াসিসাম
লিবিয়াজেনারেল পিপন্স কংগ্রেস
সিরিয়ারপিপন্স কাউন্সিল
রুমানিয়াগ্রান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি
হাইতিরচেম্বার অব ডেপুটিজ সিনেট
হাঙ্গেরিন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি
সেসেলসেরপিপন্স কাউন্সিল
সুইজারল্যান্ডফেডারেল অ্যাসেম্বলি
ব্রাজিলন্যাশনাল কংগ্রেস
গ্রানাডারহাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ
কেপভার্দেপিপন্স ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি

Related Question

View All
উত্তরঃ

স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি (বিভক্ত করেন কর্নেল এম এ জি ওসমানী) সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল ১১ জুলাই ১৯৭১ সালে। উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়। ১০নং সেক্টর সরাসরি প্রধান সেনাপতির অধীনে ছিল। সম্মুখ সমরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার জন্য ৩টি (জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স) নিয়মিত ব্রিগেড গঠন করা হয়। 

সেক্টর ২ঃ কুমিল্লা, নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব, ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ। আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।

850
214
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews