জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১০ অক্টোবর ,১৯৭২ সালে "জুলিও কুরি" পদকে ভূষিত হন ।
মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর ৮ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল ।
দহগ্রাম-আঙ্গোরপোতা ছিটমহল লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত ।
'স্বর্ণের খাদ' বের করতে নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করা হয়
গোমতী নদীতে জোয়ার ভাটা হয় না ।
তারামন বিবি নারী মুক্তিযোদ্ধা সর্বপ্রথম বীরপ্রতীক খেতাব পান ।
বাংলাদেশের পার্লামেন্টের প্রতীক হলো শাপলা। আবার শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল।
পৃথিবীর দীর্ঘতম নদীর নাম নীলনদ
বাংলাদেশের মেট্রোরেলের লোগোর নকশাকারীর নাম আলী আহসান নিশান
'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা ফররুখ আহমেদ
'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থের লেখক শেখ মুজিবুর রহমান
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী সংখ্যা ৩৫ জন ছিলো ।
ঘূর্ণিঝড় 'রেমাল' এর নামকরণ করেছে ওমান। উত্তর ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য ১৩টি দেশ নিয়ে গঠিত বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) ও জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ESCAP) একটি প্যানেল রয়েছে। প্রতিটি দেশ ঘূর্ণিঝড়ের জন্য নামের তালিকা জমা দেয় এবং সেই তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে নামকরণ করা হয়। 'রেমাল' নামটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে, যার অর্থ বালি। ২০২৪ সালের মে মাসে এটি বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে আঘাত হানে।
স্বাধীনতার পর ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশে ফিরে আসেন ।
সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দুই পক্ষের হা বা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে । এমতাবস্থায় স্পীকার তার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন । স্পীকারের এই ভোট কাস্টিং ভোট বলে
TIN-এর পূর্ণরূপ হলো Taxpayer's Identification Number (ট্যাক্সপেয়ার'স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর), যার বাংলা অর্থ করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর।
১৯ মে ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশের বাবর আলী মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন এবং তিনি ছিলেন < পঞ্চম বাংলাদেশী বিজয়ী যিনি বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গটিতে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ান, এবং তিনিই ছিলেন ষষ্ঠ বাংলাদেশি আরোহণকারী।
আয়কর প্রত্যক্ষ কর
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সাম্প্রতিক 'মানব উন্নয়ন সূচক' ২০২৩ অনুযায়ী, ১৯৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩০তম
এক প্রকাশনায় ঢাকা ওয়াসা দাবি করেছে, ঢাকায় দৈনিক ২৬০-২৬৫ কোটি লিটার পানির চাহিদা রয়েছে।
Related Question
View Allস্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি (বিভক্ত করেন কর্নেল এম এ জি ওসমানী) সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল ১১ জুলাই ১৯৭১ সালে। উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়। ১০নং সেক্টর সরাসরি প্রধান সেনাপতির অধীনে ছিল। সম্মুখ সমরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার জন্য ৩টি (জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স) নিয়মিত ব্রিগেড গঠন করা হয়।
সেক্টর ২ঃ কুমিল্লা, নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব, ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ। আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে এবং ৩টি ব্রিগেড ফোর্সে বিভক্ত করা হয়েছিল।
ICDDRB- International Centre for Diarrhoea Disease Research, Bangladesh.
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
