যদি কোনো কারণে শরীরের কোনো রক্ত নালিকা বন্ধ হয় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয় অথবা অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন হয়, তখন এনজিওগ্রাফি করা হয়। এক্ষেত্রে রোগীর নির্দিষ্ট রক্তনালিকায় একটি বিশেষ টিউবের মাধ্যমে তরল ডাই প্রবেশ করিয়ে এক্সরে ফেলা হয়। এক্সরে-এ তরলে ভেদ করতে পারে না আর তাই পর্দায় এর ছবি দেখা যায়।
বেঁচে থাকার জন্য আমাদের দরকার সুস্থ, সবল এবং নীরোগ দেহ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা সবসময় সুস্থ থাকতে পারি না। কখনো কখনো কোনো একটি রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ি। রোগ হলে দরকার ভালো চিকিৎসা আর ভালো চিকিৎসার জন্য সবার আগে দরকার সঠিকভাবে রোগ নির্ণয়। বর্তমান সময়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। বিজ্ঞানের বিভিন্ন তত্ত্বের প্রয়োগে তৈরি হয়েছে রোগ নির্ণয়ের নতুন নতুন যন্ত্রপাতি। যার কারনে মানুষের বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা শনাক্তকরণে এবং সেগুলো নিরাময় আর প্রতিরোধে বিভিন্ন কৌশল গ্রহণ করাও অনেক সহজ হয়ে পড়েছে। এই অধ্যায়ে আমরা বিজ্ঞান, বিশেষ করে পদার্থবিজ্ঞান ব্যবহার করে রোগ নির্ণয় আর চিকিৎসার নানা পদ্ধতির কথা আলোচনা করব।
এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা:
- চিকিৎসাবিজ্ঞানের রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতিতে বিজ্ঞানের তত্ত্ব ও ধারণার ব্যবহার বর্ণনা করতে পারব।
- আধুনিক প্রযুক্তি এবং যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যা এবং প্রতিরোধের কৌশল বর্ণনা করতে পারব।
- রোগ নির্ণয়ে বিজ্ঞানের অবদানকে প্রশংসা করতে পারব।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!