এসিডের অপব্যবহার রোধে কী কী আইন বিদ্যমান?

Updated: 1 month ago
উত্তরঃ এসিড নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০২ এবং এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২।

বাংলাদেশে এসিডের অপব্যবহার, বিশেষ করে এসিড সন্ত্রাসের মতো জঘন্য অপরাধ দমনের জন্য প্রধানত দুটি আইন বিদ্যমান:

        
  • এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২: এই আইনটি এসিড দ্বারা সংঘটিত অপরাধের শাস্তি এবং বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করে। এতে এসিড নিক্ষেপ, এসিড দ্বারা আঘাত, এসিড নিক্ষেপের চেষ্টা, উসকানি, ষড়যন্ত্র ইত্যাদি অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। এসিড নিক্ষেপ করে মৃত্যু ঘটানো বা গুরুতর জখম করার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রয়েছে।
  •     
  • এসিড নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০২: এই আইনটি এসিড উৎপাদন, আমদানি, পরিবহন, সংরক্ষণ, বিক্রয় ও ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো এসিডের সহজলভ্যতা হ্রাস করা যাতে এর অপব্যবহার রোধ করা যায়। এই আইনে এসিড বিক্রির জন্য লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, অননুমোদিত ব্যক্তির কাছে এসিড বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে, এবং এসিডের হিসাব সংরক্ষণের বিধান রাখা হয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে এসিডের অবৈধ মজুত ও বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

এই দুটি আইন সমন্বিতভাবে এসিড সন্ত্রাস প্রতিরোধ এবং এর ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসিড অপরাধ দমন আইন অপরাধীদের শাস্তির বিধান করে, আর এসিড নিয়ন্ত্রণ আইন এসিডের সহজলভ্যতা কমিয়ে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সুযোগকে সীমিত করে।

Satt AI
Satt AI
6 days ago
513
  • FIR- First Information Report বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী যা এজাহার নামে পরিচিত পেনাল কোডের ১৫৫ ও ১৫৪ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধের বিষয়ে থানায় রিপোর্ট করাকে FIR বলে।
  • চার্জসিট - এটি একধরনের অভিযোগপত্র। থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোন অপরাধীর অপরাধ তদন্ত করে যদি অপরাধ সংঘটনে আসামির সংশ্লিষ্ঠতার প্রমাণ পান, তখন তদন্তকারী কর্মকর্তা যে অভিযোগপত্র তৈরি করে তাই চার্জশিট নামে।
  • PP Public Prosecutor যার মাধ্যমে সমস্ত ক্রিমিনাল মামলা কোর্টে যায়।
  • প্যারোল নির্বাহী আদেশে মুক্তি ।
  • Amicus Curiae আদালতের বন্ধু
  • ৫৪ ধারা বিনা ওয়ারেন্টে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার করার ক্ষমতা।
  • ১৪৪ ধারা মানুষের চলাচল, আচরণ অর্থাৎ মৌলিক কর্মকাণ্ডের উপর নিষেধাজ্ঞা ।
  • ১৫৪ ধারা ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা।
  • ১৬৪ ধারা এই ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
  • ১৭৩ ধারা এই ধারায় চার্জশিট দাখিল করা হয়।
  • ৪২০ ধারা বাংলাদেশ পেনাল কোডের একটি ধারা যেখানে প্রতারণার জন্য শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

অ্যামিকাস কিউরি (Amicus Curiac) বাংলায় বললে দাড়ায় আদালতের বন্ধু। আদালত যদি কোন বিষয় না লোকের বা আরো বোঝার বা জানার থাকলে, বিব্রত হলে কিংবা প্রয়োজন মনে করলে যে কোন বিষয়ের বিশেষজ্ঞের মতামত নিচে পারে। এই বিশেষজ্ঞদের তখন Amicus Curiae (অ্যামিকাস কিউরি) বা আদালতের বন্ধু বলে।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
2 years ago
2.1k
উত্তরঃ

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রধান আইনজীবীকে এটর্নি জেনারেল বলা হয়।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
2 years ago
264
উত্তরঃ

অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রাথমিক আইনজীবী। অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সম্মানিত জেষ্ঠ্য আইনানুজ্ঞদের মধ্য থেকে শাসিত সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন। বাংলাদেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন এ এম আমিন উদ্দিন (১৬তম) ।

356
403
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews